ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানবিরোধী চাপ প্রয়োগের নীতি ব্যর্থতার স্বীকার করলো আমেরিকা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি ব্যর্থ হয়েছে বলে স্বীকার করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। এরপরও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুসৃত নীতি থেকে সরে আসার সুস্পষ্ট কোনো অবস্থান ঘোষণা করেনি আমেরিকার নতুন সরকার।

বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, যে সমস্ত লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তার একটিও অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

প্রাইস বলেন, “আমি মনে করি-আপনি যখন সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টির দিকে নজর দেবেন তখন আপনাকে শুধুমাত্র একটি উপসংহারে আসতে হবে এবং সেটি হচ্ছে এ নীতি ব্যর্থ হয়েছে।”

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র আরো বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করা হয়েছিল একটি ভালো চুক্তি সই করার লক্ষ্য নিয়ে, ইরান এবং তার মিত্রদের ভয় দেখানোর জন্য এবং আমেরিকার স্বার্থ ভালো অবস্থানে নেয়ার জন্য। কিন্তু এর একটিও অর্জন করা যায়নি বরং বিপরীতটাই সত্য। গত চার বছরে আমরা ভালো একটি চুক্তি করার কাছাকাছি যেতে পারিনি। এজন্য আমেরিকা এখন সুস্পষ্ট কূটনীতির পথ বেছে নিচ্ছে।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানবিরোধী চাপ প্রয়োগের নীতি ব্যর্থতার স্বীকার করলো আমেরিকা

আপডেট সময় ০৫:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি ব্যর্থ হয়েছে বলে স্বীকার করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। এরপরও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুসৃত নীতি থেকে সরে আসার সুস্পষ্ট কোনো অবস্থান ঘোষণা করেনি আমেরিকার নতুন সরকার।

বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, যে সমস্ত লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তার একটিও অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

প্রাইস বলেন, “আমি মনে করি-আপনি যখন সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টির দিকে নজর দেবেন তখন আপনাকে শুধুমাত্র একটি উপসংহারে আসতে হবে এবং সেটি হচ্ছে এ নীতি ব্যর্থ হয়েছে।”

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র আরো বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ করা হয়েছিল একটি ভালো চুক্তি সই করার লক্ষ্য নিয়ে, ইরান এবং তার মিত্রদের ভয় দেখানোর জন্য এবং আমেরিকার স্বার্থ ভালো অবস্থানে নেয়ার জন্য। কিন্তু এর একটিও অর্জন করা যায়নি বরং বিপরীতটাই সত্য। গত চার বছরে আমরা ভালো একটি চুক্তি করার কাছাকাছি যেতে পারিনি। এজন্য আমেরিকা এখন সুস্পষ্ট কূটনীতির পথ বেছে নিচ্ছে।”