ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পটিয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাই নিহত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ছুরিকাঘাতে এক কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাই নিহত হয়েছেন।

রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকায় একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ সংঘর্ষ হয়।

এতে নিহত হন আবদুল মাবুদ (৪৫)। তিনি ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নানের ছোট ভাই। আবদুল মাবুদের বাবার নাম আবদুস সোবহান।

এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন-আবুল কাসেম ও আনসার আলী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দক্ষিণ গোবিন্দারখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নান ও সারওয়ার কামালের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। তারা দুজনেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন।

কেন্দ্র দখল নিয়ে রোববার সকালে ভোটকেন্দ্রে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গোলাগুলি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় ভোটকেন্দ্রের পাশে একটি দোকানে আগুন দেওয়ার ঘটে। পরে পুলিশ দুই প্রার্থীকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এরপর কেন্দ্রে র‍্যাব, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান নেয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সংঘর্ষের সময় ছুরিকাহত হন- আবদুল মাবুদ, আবুল কাসেম ও আনসার আলী।

পটিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিনহাজ উদ্দিন বলেন, দক্ষিণ গোবিন্দারখীল কেন্দ্রের বাইরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সংঘর্ষের সময় আবদুল মাবুদ ছুরিকাঘাতে আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

আহত কাসেম ও আনসার আলীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার যুগান্তরকে বলেন, পটিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। এখনও লাশ মর্গে আসেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজালাল থেকে ১২ পরিত্যক্ত বিমান নিলামে বিক্রির উদ্যোগ

পটিয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাই নিহত

আপডেট সময় ০৩:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ছুরিকাঘাতে এক কাউন্সিলর প্রার্থীর ভাই নিহত হয়েছেন।

রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকায় একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে এ সংঘর্ষ হয়।

এতে নিহত হন আবদুল মাবুদ (৪৫)। তিনি ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নানের ছোট ভাই। আবদুল মাবুদের বাবার নাম আবদুস সোবহান।

এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন-আবুল কাসেম ও আনসার আলী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দক্ষিণ গোবিন্দারখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নান ও সারওয়ার কামালের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। তারা দুজনেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন।

কেন্দ্র দখল নিয়ে রোববার সকালে ভোটকেন্দ্রে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গোলাগুলি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় ভোটকেন্দ্রের পাশে একটি দোকানে আগুন দেওয়ার ঘটে। পরে পুলিশ দুই প্রার্থীকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এরপর কেন্দ্রে র‍্যাব, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান নেয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সংঘর্ষের সময় ছুরিকাহত হন- আবদুল মাবুদ, আবুল কাসেম ও আনসার আলী।

পটিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিনহাজ উদ্দিন বলেন, দক্ষিণ গোবিন্দারখীল কেন্দ্রের বাইরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সংঘর্ষের সময় আবদুল মাবুদ ছুরিকাঘাতে আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

আহত কাসেম ও আনসার আলীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার যুগান্তরকে বলেন, পটিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। এখনও লাশ মর্গে আসেনি।