ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইয়াবার সঙ্গে মিলল দুই বস্তা টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ব্রিজের কাছাকাছি একটি ফ্রিশিং ট্রলার থেকে সাত বস্তায় ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাদক কারবারির বাড়িতে মিলেছে দুই বস্তা টাকা। তবে টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে এক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় আটক করা হয় মাদক পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও।

সম্প্রতি সময়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবার বৃহৎ চালান আটকের ঘটনা এটি।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ার নজরুলের ছেলে মাদক কারবারি মোহাম্মদ ফারুক ও তার অন্যতম সহযোগী বাবু।

কক্সবাজারেরর পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ইয়াবা ভর্তি সাতটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বস্তায় ২৫ থেকে ৩০ কাট ইয়াবা পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ ১৪ লাখ পিস।

তিনি জানান, পরে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ায় মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে- আটককৃতরা মিয়ানমার থেকে বিশাল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মরণ নেশা ইয়াবা এদেশে নিয়ে আসে। আশা করা যাচ্ছে আটককৃতদের দিয়েই পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সর্বশেষ স্থানে পৌঁছাবে। তাছাড়া এই মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত থেকে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী চক্রটিকে আটকের জন্য অভিযানে নামে পুলিশ। জেলা পুলিশের এসপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী নদীর তীর থেকে এসপির নেতৃত্বে থাকা টিমটি এই বিশাল ইয়াবার চালান আটক করতে সফল হয়। এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্য আটক হলেও বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইয়াবার সঙ্গে মিলল দুই বস্তা টাকা

আপডেট সময় ০৭:৫২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ব্রিজের কাছাকাছি একটি ফ্রিশিং ট্রলার থেকে সাত বস্তায় ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাদক কারবারির বাড়িতে মিলেছে দুই বস্তা টাকা। তবে টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে এক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় আটক করা হয় মাদক পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও।

সম্প্রতি সময়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবার বৃহৎ চালান আটকের ঘটনা এটি।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ার নজরুলের ছেলে মাদক কারবারি মোহাম্মদ ফারুক ও তার অন্যতম সহযোগী বাবু।

কক্সবাজারেরর পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ইয়াবা ভর্তি সাতটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বস্তায় ২৫ থেকে ৩০ কাট ইয়াবা পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ ১৪ লাখ পিস।

তিনি জানান, পরে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ায় মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে- আটককৃতরা মিয়ানমার থেকে বিশাল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মরণ নেশা ইয়াবা এদেশে নিয়ে আসে। আশা করা যাচ্ছে আটককৃতদের দিয়েই পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সর্বশেষ স্থানে পৌঁছাবে। তাছাড়া এই মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত থেকে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী চক্রটিকে আটকের জন্য অভিযানে নামে পুলিশ। জেলা পুলিশের এসপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী নদীর তীর থেকে এসপির নেতৃত্বে থাকা টিমটি এই বিশাল ইয়াবার চালান আটক করতে সফল হয়। এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্য আটক হলেও বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।