ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

ইয়াবার সঙ্গে মিলল দুই বস্তা টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ব্রিজের কাছাকাছি একটি ফ্রিশিং ট্রলার থেকে সাত বস্তায় ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাদক কারবারির বাড়িতে মিলেছে দুই বস্তা টাকা। তবে টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে এক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় আটক করা হয় মাদক পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও।

সম্প্রতি সময়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবার বৃহৎ চালান আটকের ঘটনা এটি।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ার নজরুলের ছেলে মাদক কারবারি মোহাম্মদ ফারুক ও তার অন্যতম সহযোগী বাবু।

কক্সবাজারেরর পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ইয়াবা ভর্তি সাতটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বস্তায় ২৫ থেকে ৩০ কাট ইয়াবা পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ ১৪ লাখ পিস।

তিনি জানান, পরে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ায় মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে- আটককৃতরা মিয়ানমার থেকে বিশাল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মরণ নেশা ইয়াবা এদেশে নিয়ে আসে। আশা করা যাচ্ছে আটককৃতদের দিয়েই পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সর্বশেষ স্থানে পৌঁছাবে। তাছাড়া এই মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত থেকে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী চক্রটিকে আটকের জন্য অভিযানে নামে পুলিশ। জেলা পুলিশের এসপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী নদীর তীর থেকে এসপির নেতৃত্বে থাকা টিমটি এই বিশাল ইয়াবার চালান আটক করতে সফল হয়। এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্য আটক হলেও বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম

ইয়াবার সঙ্গে মিলল দুই বস্তা টাকা

আপডেট সময় ০৭:৫২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ব্রিজের কাছাকাছি একটি ফ্রিশিং ট্রলার থেকে সাত বস্তায় ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাদক কারবারির বাড়িতে মিলেছে দুই বস্তা টাকা। তবে টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে এক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় আটক করা হয় মাদক পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও।

সম্প্রতি সময়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবার বৃহৎ চালান আটকের ঘটনা এটি।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ার নজরুলের ছেলে মাদক কারবারি মোহাম্মদ ফারুক ও তার অন্যতম সহযোগী বাবু।

কক্সবাজারেরর পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ইয়াবা ভর্তি সাতটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বস্তায় ২৫ থেকে ৩০ কাট ইয়াবা পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ ১৪ লাখ পিস।

তিনি জানান, পরে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ায় মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে- আটককৃতরা মিয়ানমার থেকে বিশাল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মরণ নেশা ইয়াবা এদেশে নিয়ে আসে। আশা করা যাচ্ছে আটককৃতদের দিয়েই পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সর্বশেষ স্থানে পৌঁছাবে। তাছাড়া এই মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত থেকে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী চক্রটিকে আটকের জন্য অভিযানে নামে পুলিশ। জেলা পুলিশের এসপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী নদীর তীর থেকে এসপির নেতৃত্বে থাকা টিমটি এই বিশাল ইয়াবার চালান আটক করতে সফল হয়। এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্য আটক হলেও বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।