ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের

ইয়াবার সঙ্গে মিলল দুই বস্তা টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ব্রিজের কাছাকাছি একটি ফ্রিশিং ট্রলার থেকে সাত বস্তায় ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাদক কারবারির বাড়িতে মিলেছে দুই বস্তা টাকা। তবে টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে এক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় আটক করা হয় মাদক পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও।

সম্প্রতি সময়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবার বৃহৎ চালান আটকের ঘটনা এটি।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ার নজরুলের ছেলে মাদক কারবারি মোহাম্মদ ফারুক ও তার অন্যতম সহযোগী বাবু।

কক্সবাজারেরর পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ইয়াবা ভর্তি সাতটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বস্তায় ২৫ থেকে ৩০ কাট ইয়াবা পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ ১৪ লাখ পিস।

তিনি জানান, পরে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ায় মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে- আটককৃতরা মিয়ানমার থেকে বিশাল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মরণ নেশা ইয়াবা এদেশে নিয়ে আসে। আশা করা যাচ্ছে আটককৃতদের দিয়েই পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সর্বশেষ স্থানে পৌঁছাবে। তাছাড়া এই মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত থেকে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী চক্রটিকে আটকের জন্য অভিযানে নামে পুলিশ। জেলা পুলিশের এসপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী নদীর তীর থেকে এসপির নেতৃত্বে থাকা টিমটি এই বিশাল ইয়াবার চালান আটক করতে সফল হয়। এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্য আটক হলেও বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের

ইয়াবার সঙ্গে মিলল দুই বস্তা টাকা

আপডেট সময় ০৭:৫২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ব্রিজের কাছাকাছি একটি ফ্রিশিং ট্রলার থেকে সাত বস্তায় ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাদক কারবারির বাড়িতে মিলেছে দুই বস্তা টাকা। তবে টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে এক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় আটক করা হয় মাদক পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও।

সম্প্রতি সময়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবার বৃহৎ চালান আটকের ঘটনা এটি।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ার নজরুলের ছেলে মাদক কারবারি মোহাম্মদ ফারুক ও তার অন্যতম সহযোগী বাবু।

কক্সবাজারেরর পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ইয়াবা ভর্তি সাতটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বস্তায় ২৫ থেকে ৩০ কাট ইয়াবা পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ ১৪ লাখ পিস।

তিনি জানান, পরে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ায় মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে- আটককৃতরা মিয়ানমার থেকে বিশাল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মরণ নেশা ইয়াবা এদেশে নিয়ে আসে। আশা করা যাচ্ছে আটককৃতদের দিয়েই পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সর্বশেষ স্থানে পৌঁছাবে। তাছাড়া এই মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত থেকে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী চক্রটিকে আটকের জন্য অভিযানে নামে পুলিশ। জেলা পুলিশের এসপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী নদীর তীর থেকে এসপির নেতৃত্বে থাকা টিমটি এই বিশাল ইয়াবার চালান আটক করতে সফল হয়। এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্য আটক হলেও বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।