ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত মধ্যপ্রাচ্যের বিকল্প শ্রমবাজারের সন্ধানে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে সরকারের : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন

প্রতিবন্ধী কিশোরীকে গণধর্ষণ, আটক ৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে শ্রবণপ্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে (১৫) গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সিএনজি অটোরিকশা ও অটোবাইক চালকসহ ৬ জন পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়।

সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ অভিযুক্ত ৪ জনকে আটক করলেও অন্যরা পলাতক রয়েছে। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার বিকালে ফরিদগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি উপজেলার ৪নং সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শ্রবণপ্রতিবন্ধী কিশোরীটি গত ১১ জানুয়ারি বিকালে বুকের ব্যথার ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। এ সময় একই বাড়ির জামাল হোসেনের ছেলে অটোবাইকচালক টিটু (২০) কৌশলে তার অটোবাইকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে পার্শ্ববর্তী একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে।

এরপর তাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রাত হয়ে গেলে অন্য সহযোগীরা পালাক্রমে দ্বিতীয়বার ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এলাকায় এবং সর্বশেষ পার্শ্ববর্তী একটি বাগানে নিয়ে আবারও ধর্ষণ করে। এরপর ওই বাগানের পাশে ফেলে রেখে চলে যায়।

পরে আশপাশের লোকজন টের পেয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়। বাড়ি ফিরে কিশোরী পরিবারের লোকজনকে এ ঘটনা জানায়। এরপর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করে এলাকার কিছু প্রভাবশালী।

গত সোমবার রাতে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ গণধর্ষণের বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যায়। কিশোরী ও তার পরিবারের বক্তব্যের সূত্র ধরে অভিযানে বের হয়।

রাতভর অভিযান চালিয়ে জামাল হোসেনের ছেলে অটোবাইকচালক টিটু (২০), আইটপাড়া গ্রামের আ. মান্নানের ছেলে শিপন (২৫), একই গ্রামের মৃত আবু বকর সিদ্দিক প্রকাশ কালুর ছেলে মিজানুর রহমান রিপন (৪৫) এবং মঙ্গলবার বিকালে কামতা গ্রামের শরাফত আলীর ছেলে চৌকিদার আ. মালেককে (৪৫) আটক করে। আটককৃত প্রথম তিনজন সিএনজি অটোরিকশাচালক।

পরে মঙ্গলবার বিকালে ঘটনার শিকার কিশোরীর মা বাদী হয়ে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে ফরিদগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদ হোসেন জানান, সোমবার রাতে ঘটনাটি শোনার পর রাতেই অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত ৩ জন এবং মঙ্গলবার বিকালে আরও একজনসহ মোট ৪ জনকে আটক করা হয়। বাকিদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত

প্রতিবন্ধী কিশোরীকে গণধর্ষণ, আটক ৪

আপডেট সময় ০৬:৩৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে শ্রবণপ্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে (১৫) গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সিএনজি অটোরিকশা ও অটোবাইক চালকসহ ৬ জন পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়।

সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ অভিযুক্ত ৪ জনকে আটক করলেও অন্যরা পলাতক রয়েছে। এ ব্যাপারে মঙ্গলবার বিকালে ফরিদগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি উপজেলার ৪নং সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শ্রবণপ্রতিবন্ধী কিশোরীটি গত ১১ জানুয়ারি বিকালে বুকের ব্যথার ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। এ সময় একই বাড়ির জামাল হোসেনের ছেলে অটোবাইকচালক টিটু (২০) কৌশলে তার অটোবাইকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে পার্শ্ববর্তী একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে।

এরপর তাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রাত হয়ে গেলে অন্য সহযোগীরা পালাক্রমে দ্বিতীয়বার ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এলাকায় এবং সর্বশেষ পার্শ্ববর্তী একটি বাগানে নিয়ে আবারও ধর্ষণ করে। এরপর ওই বাগানের পাশে ফেলে রেখে চলে যায়।

পরে আশপাশের লোকজন টের পেয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়। বাড়ি ফিরে কিশোরী পরিবারের লোকজনকে এ ঘটনা জানায়। এরপর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করে এলাকার কিছু প্রভাবশালী।

গত সোমবার রাতে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ গণধর্ষণের বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যায়। কিশোরী ও তার পরিবারের বক্তব্যের সূত্র ধরে অভিযানে বের হয়।

রাতভর অভিযান চালিয়ে জামাল হোসেনের ছেলে অটোবাইকচালক টিটু (২০), আইটপাড়া গ্রামের আ. মান্নানের ছেলে শিপন (২৫), একই গ্রামের মৃত আবু বকর সিদ্দিক প্রকাশ কালুর ছেলে মিজানুর রহমান রিপন (৪৫) এবং মঙ্গলবার বিকালে কামতা গ্রামের শরাফত আলীর ছেলে চৌকিদার আ. মালেককে (৪৫) আটক করে। আটককৃত প্রথম তিনজন সিএনজি অটোরিকশাচালক।

পরে মঙ্গলবার বিকালে ঘটনার শিকার কিশোরীর মা বাদী হয়ে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে ফরিদগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদ হোসেন জানান, সোমবার রাতে ঘটনাটি শোনার পর রাতেই অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত ৩ জন এবং মঙ্গলবার বিকালে আরও একজনসহ মোট ৪ জনকে আটক করা হয়। বাকিদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।