ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে: রিয়াজুল হক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন, বাংলাদেশেও আজ শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে। শুধু শিশু নির্যাতন নয়, করা হচ্ছে শিশুদের ধর্ষণ। বুধবার দুপুরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ন্যাশনাল চিলড্রেনস টাস্কফোর্স (এনসিটিএফ) এর যৌথসভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এসব হচ্ছে মূল্যবোধের প্রচন্ড অবক্ষয়ের কারণে। বেড়েছে সামাজিক অস্থিরতা। যার ফলে মানুষগণ আজ পাশবিক দিক দিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছে। আর এর ভয়াবহতার শিকার ছোট ছোট শিশু। শুধু তাই নয়, চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হচ্ছে। এমনকি আড়াই বছরের শিশুকেও ধর্ষণের শিকার হতে হচ্ছে। আমরা মনে করি যারা এই পাশবিক মানষিকতা ধারণ করছে বা লালন করছে এবং শিশুদের প্রতি এই ধরণের লোমহর্ষক নির্যাতন করছে। তাদেরকে বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্ত শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

তিনি আরো বলেন, বিচারের প্রত্যেকটি স্তরে স্তরে যে সমস্ত একটরগুলো (চরিত্র) কাজ করছে। যেমন বিচারের তদন্ত থেকে শুরু করে মেডিকেল রিপোর্ট, কোর্টের আইনজীবী, স্বাক্ষী উপস্থাপন করাসহ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের যে কর্মকর্তা-কর্মচারী যার যেমন দায়িত্ব আছে সে সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। যাতে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এড়িয়ে যেতে পারে।

রিয়াজুল হক বলেন, মিয়ানমারে শিশু নির্যাতন বন্ধে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে এবং মিয়ানমারের উপর আমাদের চাপ সৃষ্টি করতে হবে। শিশু, নারীসহ যেসব নির্যাতন এরা করছে তা বন্ধ করতে হবে। শিশু ও নারীদের উপর নির্যাতনের ভয়াবহ রূপ এখন মায়ানমারে দেখা যাচ্ছে। তবে এর ভিতরে একটি বড় ভিকটিম হলো শিশুরা।

রিয়াজুল হক আরো বলেন, মিয়ানমারের শিশু ও নারীরা বাংলাদেশে এসে রাস্তার পাশে ও পাহাড়ের চুড়ায় যেভাবে আশ্রয় নিয়েছে তা অত্যন্ত মানবিক। আর এই নির্যাতনে সবচেয়ে বেশি শিশুরাই শিকার হচ্ছে। শিশু, নারি, বৃদ্ধরা বেশি হলেও যুবকরা নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে: রিয়াজুল হক

আপডেট সময় ০৬:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন, বাংলাদেশেও আজ শিশু নির্যাতন বেড়ে গেছে। শুধু শিশু নির্যাতন নয়, করা হচ্ছে শিশুদের ধর্ষণ। বুধবার দুপুরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ন্যাশনাল চিলড্রেনস টাস্কফোর্স (এনসিটিএফ) এর যৌথসভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এসব হচ্ছে মূল্যবোধের প্রচন্ড অবক্ষয়ের কারণে। বেড়েছে সামাজিক অস্থিরতা। যার ফলে মানুষগণ আজ পাশবিক দিক দিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছে। আর এর ভয়াবহতার শিকার ছোট ছোট শিশু। শুধু তাই নয়, চার বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হচ্ছে। এমনকি আড়াই বছরের শিশুকেও ধর্ষণের শিকার হতে হচ্ছে। আমরা মনে করি যারা এই পাশবিক মানষিকতা ধারণ করছে বা লালন করছে এবং শিশুদের প্রতি এই ধরণের লোমহর্ষক নির্যাতন করছে। তাদেরকে বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্ত শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

তিনি আরো বলেন, বিচারের প্রত্যেকটি স্তরে স্তরে যে সমস্ত একটরগুলো (চরিত্র) কাজ করছে। যেমন বিচারের তদন্ত থেকে শুরু করে মেডিকেল রিপোর্ট, কোর্টের আইনজীবী, স্বাক্ষী উপস্থাপন করাসহ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের যে কর্মকর্তা-কর্মচারী যার যেমন দায়িত্ব আছে সে সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। যাতে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এড়িয়ে যেতে পারে।

রিয়াজুল হক বলেন, মিয়ানমারে শিশু নির্যাতন বন্ধে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে এবং মিয়ানমারের উপর আমাদের চাপ সৃষ্টি করতে হবে। শিশু, নারীসহ যেসব নির্যাতন এরা করছে তা বন্ধ করতে হবে। শিশু ও নারীদের উপর নির্যাতনের ভয়াবহ রূপ এখন মায়ানমারে দেখা যাচ্ছে। তবে এর ভিতরে একটি বড় ভিকটিম হলো শিশুরা।

রিয়াজুল হক আরো বলেন, মিয়ানমারের শিশু ও নারীরা বাংলাদেশে এসে রাস্তার পাশে ও পাহাড়ের চুড়ায় যেভাবে আশ্রয় নিয়েছে তা অত্যন্ত মানবিক। আর এই নির্যাতনে সবচেয়ে বেশি শিশুরাই শিকার হচ্ছে। শিশু, নারি, বৃদ্ধরা বেশি হলেও যুবকরা নেই।