ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইবার আইনকে সময়োপযোগী করতে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করা হবে : তথ্যমন্ত্রী বৈশ্বিক পরিস্থিতি সমন্বয় করে সরকার এলপিজির দাম তাৎক্ষণিক কমিয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী মারামারি নয়, খেলাটা উপভোগ করুন’; শান্তির বার্তা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার দূতের মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেন, গর্তে পড়লে উদ্ধারের লোক থাকবে না: পানিসম্পদমন্ত্রী দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে কলাবাগানে ফেলে যায় ছেলে উন্নয়নে বৈষম্য করলে প্রয়োজনে বাঘের গর্জন করা হবে: ডা. শফিকুর বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী এক মাসে চার হত্যা, অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা-আগুন শুধু আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না: তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল

বিয়ের ২ মাসে সন্তানের জন্ম, পরদিনই স্ত্রীকে তালাক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চুয়াডাঙ্গায় বিয়ের দুই মাসের মাথায় সন্তানের মা হয়েছেন এক নববধূ। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সদ্যভূমিষ্ঠ পুত্রসন্তানকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মা ও শিশুটি সুস্থ আছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক আশিক গা-ঢাকা দিয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ভিমরুল্লা গ্রামে স্বামীর বাড়িতে শনিবার রাতে পুত্রসন্তান প্রসব করেন সোনালী খাতুন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বামী সোনালীকে রোববার দুপুরে তালাক দিয়েছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ভিমরুল্লা গ্রামের পুরাতন মসজিদপাড়ার আবদুল আলীমের ছেলে মোস্তাকিমের সঙ্গে গত ২ মাস ১০ দিন আগে আলমডাঙ্গা উপজেলার এক মেয়ের বিয়ে হয়। শনিবার রাতে স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করছিল ওই গৃহবধূ। রাত ১১টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে সেখানেই একটি পুত্রসন্তান প্রসব করেন তিনি।

এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। রোববার সকালে মা সোনালী খাতুন ও সদ্যভূমিষ্ঠ নবজাতককে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্বামী মোস্তাকিমের পরিবারের লোকজন বলেন, বিয়ের সময় আমরা কোনোভাবেই বুঝতে পারিনি মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল।

রোববার দুপুরে স্বামী চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল চত্বরে এসে কাজির মাধ্যমে স্ত্রীকে তালাক দেন। স্বামী মোস্তাকিম বলেন, বিয়ের পর আমার স্ত্রী বিভিন্নভাবে আমাকে এড়িয়ে চলত। তাই আমার পক্ষে বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি।

ওই গৃহবধূ বলেন, আমাদের গ্রামের হারুনের ছেলে আশিক (২০) একদিন কিছু একটা দেখানোর জন্য তার ঘরে যেতে বলে। আমি সেখানে গেলে আশিক আমার সঙ্গে মেলামেশা করে। এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে সে। পরে লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি কাউকে আমি জানাইনি। আমার স্বামী রোববার দুপুরে জোরপূর্বক আমার স্বাক্ষর নিয়ে তালাক দিয়েছেন। তালাক দিলেও এখনও দেনমোহরের টাকা পাইনি আমি। তবে আমি আমার পুত্রসন্তানের স্বীকৃতি চাই। আশিকই আমার সন্তানের জন্মদাতা।

স্বামী মোস্তাকিমের পিতা বলেন, বিয়ের পর আমার পুত্রবধূ কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। শনিবার রাতে সে পুত্রসন্তান প্রসব করেছে। এটা আমার ছেলের সন্তান নয়, অবৈধ সন্তান।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত যুবক আশিকের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সাইবার আইনকে সময়োপযোগী করতে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

বিয়ের ২ মাসে সন্তানের জন্ম, পরদিনই স্ত্রীকে তালাক

আপডেট সময় ০৯:৪০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চুয়াডাঙ্গায় বিয়ের দুই মাসের মাথায় সন্তানের মা হয়েছেন এক নববধূ। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সদ্যভূমিষ্ঠ পুত্রসন্তানকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মা ও শিশুটি সুস্থ আছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক আশিক গা-ঢাকা দিয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ভিমরুল্লা গ্রামে স্বামীর বাড়িতে শনিবার রাতে পুত্রসন্তান প্রসব করেন সোনালী খাতুন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বামী সোনালীকে রোববার দুপুরে তালাক দিয়েছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ভিমরুল্লা গ্রামের পুরাতন মসজিদপাড়ার আবদুল আলীমের ছেলে মোস্তাকিমের সঙ্গে গত ২ মাস ১০ দিন আগে আলমডাঙ্গা উপজেলার এক মেয়ের বিয়ে হয়। শনিবার রাতে স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করছিল ওই গৃহবধূ। রাত ১১টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে সেখানেই একটি পুত্রসন্তান প্রসব করেন তিনি।

এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। রোববার সকালে মা সোনালী খাতুন ও সদ্যভূমিষ্ঠ নবজাতককে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্বামী মোস্তাকিমের পরিবারের লোকজন বলেন, বিয়ের সময় আমরা কোনোভাবেই বুঝতে পারিনি মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল।

রোববার দুপুরে স্বামী চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল চত্বরে এসে কাজির মাধ্যমে স্ত্রীকে তালাক দেন। স্বামী মোস্তাকিম বলেন, বিয়ের পর আমার স্ত্রী বিভিন্নভাবে আমাকে এড়িয়ে চলত। তাই আমার পক্ষে বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি।

ওই গৃহবধূ বলেন, আমাদের গ্রামের হারুনের ছেলে আশিক (২০) একদিন কিছু একটা দেখানোর জন্য তার ঘরে যেতে বলে। আমি সেখানে গেলে আশিক আমার সঙ্গে মেলামেশা করে। এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে সে। পরে লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি কাউকে আমি জানাইনি। আমার স্বামী রোববার দুপুরে জোরপূর্বক আমার স্বাক্ষর নিয়ে তালাক দিয়েছেন। তালাক দিলেও এখনও দেনমোহরের টাকা পাইনি আমি। তবে আমি আমার পুত্রসন্তানের স্বীকৃতি চাই। আশিকই আমার সন্তানের জন্মদাতা।

স্বামী মোস্তাকিমের পিতা বলেন, বিয়ের পর আমার পুত্রবধূ কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। শনিবার রাতে সে পুত্রসন্তান প্রসব করেছে। এটা আমার ছেলের সন্তান নয়, অবৈধ সন্তান।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত যুবক আশিকের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।