ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

গিলগিট-বালতিস্তানের জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে ইমরান খান ও বাজওয়া

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মিলে সাম্প্রতিক নির্বাচনে কারচুপি করে আরও একবার গিলগিট-বালতিস্তানের জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

কারচুপি এতটাই নির্লজ্জ ও বড় ধরনের হয়েছে যে, জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিলগিট শহর ও অন্যান্য এলাকার রাস্তায় নেমে এসেছিল।

এমনকি পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন (এইচআরসিপি) নির্বাচনের সময় এ ধরনের অনিয়মের ব্যাপারে হতাশা ও শঙ্কা প্রকাশ করেছে।

নির্বাচনের সময় ওই এলাকায় স্বাধীনভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিল মানবাধিকার কমিশনের একটি দল। ভোটকেন্দ্রে গেলে তারাও বাধা পেয়েছে। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকেও তারা নানা ধরনের অভিযোগ পেয়েছে।

অন্তত দুটি জেলায় নারীদের ভোটকেন্দ্রে একাধিক ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে; সেসব জেলা হল ঘাঞ্চি এবং দিয়ামের। এই দলটি জানতে পেরেছে, কয়েকজন নারী প্রার্থীকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করে ভোটের লড়াইয়ে মাঠে নামতে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রচারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল; যেখানে তিনি পৃথক প্রদেশ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যদিও সে ব্যাপারে কোনও আইনি পদক্ষেপ নেই। ইমরান খানের প্রশাসনের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীও নির্বাচনী বিধি ভেঙেছে।

পাকিস্তানের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো বলছে, নির্বাচনে বড় ধরনের কারচুপি হয়েছে। এ ব্যাপারে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ইসলামাবাদে প্রধান নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে পদযাত্রার হুমকি দিয়েছে।

তাদের দাবি, ইমরান খানের দল পিটিআই মাত্র ২৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি পেয়েছে ২৫ শতাংশ ভোট। ২৩ আসনের মধ্যে মাত্র নয়টি পেয়েছে পিটিআই, সেই সংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।

পিটিআই সরকার ও পাকিস্তান সেনাবাহিনী যৌথভাবে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা চালিয়েছে। পাঞ্জাবে বেশ কয়েকজন পিএমএল-এন এর রাজনীতিবিদের ব্যাপারে দুর্নীতির তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা রয়েছেন নিশানায়। গিলগিট-বালতিস্তানের নির্বাচনের অনিয়ম ঢাকতেই এসব করার অভিযোগ উঠেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গিলগিট-বালতিস্তানের জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে ইমরান খান ও বাজওয়া

আপডেট সময় ০১:৪২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মিলে সাম্প্রতিক নির্বাচনে কারচুপি করে আরও একবার গিলগিট-বালতিস্তানের জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

কারচুপি এতটাই নির্লজ্জ ও বড় ধরনের হয়েছে যে, জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিলগিট শহর ও অন্যান্য এলাকার রাস্তায় নেমে এসেছিল।

এমনকি পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন (এইচআরসিপি) নির্বাচনের সময় এ ধরনের অনিয়মের ব্যাপারে হতাশা ও শঙ্কা প্রকাশ করেছে।

নির্বাচনের সময় ওই এলাকায় স্বাধীনভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিল মানবাধিকার কমিশনের একটি দল। ভোটকেন্দ্রে গেলে তারাও বাধা পেয়েছে। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকেও তারা নানা ধরনের অভিযোগ পেয়েছে।

অন্তত দুটি জেলায় নারীদের ভোটকেন্দ্রে একাধিক ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে; সেসব জেলা হল ঘাঞ্চি এবং দিয়ামের। এই দলটি জানতে পেরেছে, কয়েকজন নারী প্রার্থীকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করে ভোটের লড়াইয়ে মাঠে নামতে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রচারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল; যেখানে তিনি পৃথক প্রদেশ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যদিও সে ব্যাপারে কোনও আইনি পদক্ষেপ নেই। ইমরান খানের প্রশাসনের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীও নির্বাচনী বিধি ভেঙেছে।

পাকিস্তানের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো বলছে, নির্বাচনে বড় ধরনের কারচুপি হয়েছে। এ ব্যাপারে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ইসলামাবাদে প্রধান নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে পদযাত্রার হুমকি দিয়েছে।

তাদের দাবি, ইমরান খানের দল পিটিআই মাত্র ২৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি পেয়েছে ২৫ শতাংশ ভোট। ২৩ আসনের মধ্যে মাত্র নয়টি পেয়েছে পিটিআই, সেই সংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।

পিটিআই সরকার ও পাকিস্তান সেনাবাহিনী যৌথভাবে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা চালিয়েছে। পাঞ্জাবে বেশ কয়েকজন পিএমএল-এন এর রাজনীতিবিদের ব্যাপারে দুর্নীতির তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা রয়েছেন নিশানায়। গিলগিট-বালতিস্তানের নির্বাচনের অনিয়ম ঢাকতেই এসব করার অভিযোগ উঠেছে।