ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

রোহিঙ্গাদের বের করে দিতে মোদি সরকারের চাপ, মমতার না

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিজ দেশের সেনাবাহিনীর বর্বরতা, হত্যা ও ধর্ষণ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। অসহায় এ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

মমতা সরকারের শীর্ষ মহলের সিদ্ধান্ত, উদ্বাস্তু রোহিঙ্গারা থাকতে চাইলে মানবিকতার খাতিরেই তাদের থাকতে দেয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তাব্যক্তি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মুসলিম বলেই কেন্দ্র এমন অবস্থান নিচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্র অমানবিক হলেও আমরা তা হতে পারব না।’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজারের অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়- দেশটিতে ১ লাখ ২০ হাজার তিব্বতি, ৬০ হাজার পাখতুন, ১০ হাজার সিংহলি শরণার্থী রয়েছেন। এর পাশাপাশি, ৩০ লাখ থেকে ২ কোটি বাংলাদেশিও ঢুকে পড়েছে বলে বিভিন্ন সংস্থার দাবি। কেন্দ্র কখনও এদের নিয়ে বিশেষ অবস্থান নেয়নি।

অথচ, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপরে অবর্ণনীয় অত্যাচার ও নির্বিচার হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বহু দেশ তাদের জন্য দরজা খুলে দিলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘সব রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুই অনুপ্রবেশকারী। তাদের সকলকে ফেরত পাঠানো হবে।’ ভারত সরকারের এমন দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ।

মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর বর্বরতার মুখে গত কয়েক বছর ধরে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। গত ২৫ অগস্ট থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় সেই সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের বের করে দিতে মোদি সরকারের চাপ, মমতার না

আপডেট সময় ০১:০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিজ দেশের সেনাবাহিনীর বর্বরতা, হত্যা ও ধর্ষণ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। অসহায় এ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

মমতা সরকারের শীর্ষ মহলের সিদ্ধান্ত, উদ্বাস্তু রোহিঙ্গারা থাকতে চাইলে মানবিকতার খাতিরেই তাদের থাকতে দেয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তাব্যক্তি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মুসলিম বলেই কেন্দ্র এমন অবস্থান নিচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্র অমানবিক হলেও আমরা তা হতে পারব না।’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজারের অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়- দেশটিতে ১ লাখ ২০ হাজার তিব্বতি, ৬০ হাজার পাখতুন, ১০ হাজার সিংহলি শরণার্থী রয়েছেন। এর পাশাপাশি, ৩০ লাখ থেকে ২ কোটি বাংলাদেশিও ঢুকে পড়েছে বলে বিভিন্ন সংস্থার দাবি। কেন্দ্র কখনও এদের নিয়ে বিশেষ অবস্থান নেয়নি।

অথচ, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপরে অবর্ণনীয় অত্যাচার ও নির্বিচার হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বহু দেশ তাদের জন্য দরজা খুলে দিলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘সব রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুই অনুপ্রবেশকারী। তাদের সকলকে ফেরত পাঠানো হবে।’ ভারত সরকারের এমন দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ।

মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর বর্বরতার মুখে গত কয়েক বছর ধরে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। গত ২৫ অগস্ট থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় সেই সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।