ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের আন্দোলনের সফলতাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে জামায়াতের বুদ্ধিজীবীরা: রাশেদ খাঁন ৩ শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল মানুষের আস্থার কেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা হতে হবে রোগীবান্ধব: তথ্যমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের বের করে দিতে মোদি সরকারের চাপ, মমতার না

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিজ দেশের সেনাবাহিনীর বর্বরতা, হত্যা ও ধর্ষণ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। অসহায় এ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

মমতা সরকারের শীর্ষ মহলের সিদ্ধান্ত, উদ্বাস্তু রোহিঙ্গারা থাকতে চাইলে মানবিকতার খাতিরেই তাদের থাকতে দেয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তাব্যক্তি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মুসলিম বলেই কেন্দ্র এমন অবস্থান নিচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্র অমানবিক হলেও আমরা তা হতে পারব না।’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজারের অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়- দেশটিতে ১ লাখ ২০ হাজার তিব্বতি, ৬০ হাজার পাখতুন, ১০ হাজার সিংহলি শরণার্থী রয়েছেন। এর পাশাপাশি, ৩০ লাখ থেকে ২ কোটি বাংলাদেশিও ঢুকে পড়েছে বলে বিভিন্ন সংস্থার দাবি। কেন্দ্র কখনও এদের নিয়ে বিশেষ অবস্থান নেয়নি।

অথচ, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপরে অবর্ণনীয় অত্যাচার ও নির্বিচার হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বহু দেশ তাদের জন্য দরজা খুলে দিলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘সব রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুই অনুপ্রবেশকারী। তাদের সকলকে ফেরত পাঠানো হবে।’ ভারত সরকারের এমন দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ।

মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর বর্বরতার মুখে গত কয়েক বছর ধরে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। গত ২৫ অগস্ট থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় সেই সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের বের করে দিতে মোদি সরকারের চাপ, মমতার না

আপডেট সময় ০১:০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নিজ দেশের সেনাবাহিনীর বর্বরতা, হত্যা ও ধর্ষণ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। অসহায় এ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিয়ে দেশ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তবে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

মমতা সরকারের শীর্ষ মহলের সিদ্ধান্ত, উদ্বাস্তু রোহিঙ্গারা থাকতে চাইলে মানবিকতার খাতিরেই তাদের থাকতে দেয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তাব্যক্তি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মুসলিম বলেই কেন্দ্র এমন অবস্থান নিচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্র অমানবিক হলেও আমরা তা হতে পারব না।’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দৈনিক আনন্দবাজারের অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়- দেশটিতে ১ লাখ ২০ হাজার তিব্বতি, ৬০ হাজার পাখতুন, ১০ হাজার সিংহলি শরণার্থী রয়েছেন। এর পাশাপাশি, ৩০ লাখ থেকে ২ কোটি বাংলাদেশিও ঢুকে পড়েছে বলে বিভিন্ন সংস্থার দাবি। কেন্দ্র কখনও এদের নিয়ে বিশেষ অবস্থান নেয়নি।

অথচ, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপরে অবর্ণনীয় অত্যাচার ও নির্বিচার হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বহু দেশ তাদের জন্য দরজা খুলে দিলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘সব রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুই অনুপ্রবেশকারী। তাদের সকলকে ফেরত পাঠানো হবে।’ ভারত সরকারের এমন দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ।

মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর বর্বরতার মুখে গত কয়েক বছর ধরে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। গত ২৫ অগস্ট থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় সেই সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।