ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

শিশু হাসান-হোসেন হত্যায় শহিদুল্লাহ গ্রেফতার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ায় দুই সহোদর শিশু হাসান-হোসেন হত্যা মামলার অভিযুক্ত শহিদুল্লাহকে (২৮) গ্রেফতার করেছেন র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের সদস্যরা। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার শহরের জেলগেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শহিদুল্লাহ গর্জনিয়া বড়বিল ওয়ার্ডের আবদুল মাবুদের (মধু) ছেলে।

র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ মে. রুহুল আমিন জানান, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি গর্জনিয়া বড়বিল এলাকার চাষি ফোরকান আলীর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মোহাম্মদ হোসেনকে (৮) অপহরণ করে একই এলাকার টুইল্যার নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি চক্র। দুই ভাইকে গভীর বনে নিয়ে রাতে মোবাইল ফোনে ফোরকানের কাছে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী চক্র।

ঘটনাটি জানার পর এলাকাবাসী জড়ো হয়ে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে অবহিত করলে অপহরণকারীরা হাসান ও হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ‘শিয়া পাহাড়’ নামের একটি জঙ্গলে ফেলে চলে যায়।

পুলিশ সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ১৯ জানুয়ারি দুই সহোদরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১৬ জনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়, যার মামলা নং-২০, তারিখ: ১৯/০১/২০১৬।

এ মামলার ৭ নম্বর অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ কক্সবাজার জেলগেট এলাকায় অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলায় পলাতক ছিল। তাকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে হাসান-হোসেন হত্যার পর মামলা হলে পুলিশ পর্যায়ক্রমে ১২ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। কিন্তু সম্প্রতি কারান্তরীণ ওই মামলার ৮ আসামি জামিনে রয়েছেন। রামু থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। বাকি আসামিদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

শিশু হাসান-হোসেন হত্যায় শহিদুল্লাহ গ্রেফতার

আপডেট সময় ০২:৩৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ায় দুই সহোদর শিশু হাসান-হোসেন হত্যা মামলার অভিযুক্ত শহিদুল্লাহকে (২৮) গ্রেফতার করেছেন র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের সদস্যরা। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার শহরের জেলগেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শহিদুল্লাহ গর্জনিয়া বড়বিল ওয়ার্ডের আবদুল মাবুদের (মধু) ছেলে।

র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ মে. রুহুল আমিন জানান, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি গর্জনিয়া বড়বিল এলাকার চাষি ফোরকান আলীর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মোহাম্মদ হোসেনকে (৮) অপহরণ করে একই এলাকার টুইল্যার নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি চক্র। দুই ভাইকে গভীর বনে নিয়ে রাতে মোবাইল ফোনে ফোরকানের কাছে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী চক্র।

ঘটনাটি জানার পর এলাকাবাসী জড়ো হয়ে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে অবহিত করলে অপহরণকারীরা হাসান ও হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ‘শিয়া পাহাড়’ নামের একটি জঙ্গলে ফেলে চলে যায়।

পুলিশ সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ১৯ জানুয়ারি দুই সহোদরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১৬ জনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়, যার মামলা নং-২০, তারিখ: ১৯/০১/২০১৬।

এ মামলার ৭ নম্বর অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ কক্সবাজার জেলগেট এলাকায় অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলায় পলাতক ছিল। তাকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে হাসান-হোসেন হত্যার পর মামলা হলে পুলিশ পর্যায়ক্রমে ১২ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। কিন্তু সম্প্রতি কারান্তরীণ ওই মামলার ৮ আসামি জামিনে রয়েছেন। রামু থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। বাকি আসামিদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।