ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন ইসিকে স্বাধীনভাবে চোখ কান খুলে দায়িত্ব পালন করতে বলেছি: গোলাম পরওয়ার ‘ইরান ভেনেজুয়েলা নয়’, তেহরান-কারাকাস ঐতিহাসিক সম্পর্কে ফাটল সিআইডির নতুন প্রধান ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে ইউক্রেনকে লাইসেন্স দিতে রাজি ট্রাম্প: জেলেনস্কি মেহেরপুরে বাড়ির গেটের সামনে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না করার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর চলন্ত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি বিএনপিকে মাইনাস করার ফর্মুলা ছিল ড. ইউনূসের : রাশেদ খান

বুদ্ধ ফের আবির্ভূত হলে রোহিঙ্গাদের রক্ষা করতেন: দালাই লামা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিব্বতের ধর্মগুরু দালাই লামা। তিনিও ১৯৮৯ সালে তিব্বতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অহিংস ভূমিকা পালন করার জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

ওয়াশিংটন ডিসিতে আমেরিকান পিস ইনস্টিটিউটে বক্তৃতাদানকালে তিনি বলেন, একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে মায়ানমারের নেত্রী অং সান সূচীর নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসন করা। ২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার পরই সূচীর সঙ্গে বৈঠক করেন জানিয়ে দালাই লামা বলেন, আমি সূচীকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরো খোলাখুলিভাবে আলোচনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। যদিও মানবাধিকার সংস্থা সমূহ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সূচীর নীরবতার তীব্র নিন্দা করে আসছে।

দালাই লামা আরো বলেন, ‘মিয়ানমারের মুসলমানদের প্রতি কিছু বৌদ্ধ ভিক্ষুর ঘৃণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। যারা এ ধরণের চিন্তা ভাবনা ধারণ করেন, তাদেরকে তিনি বুদ্ধের চেহারা স্মরণ করতে বলেন।’ তিনি এও বলেছেন, ‘আজ যদি বুদ্ধ আবির্ভূত হতেন, তাহলে তিনি মিয়ানমারের অসহায় ওইসব মুসলিম ভাই-বোনদের রক্ষা করতেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন

বুদ্ধ ফের আবির্ভূত হলে রোহিঙ্গাদের রক্ষা করতেন: দালাই লামা

আপডেট সময় ০২:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিব্বতের ধর্মগুরু দালাই লামা। তিনিও ১৯৮৯ সালে তিব্বতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অহিংস ভূমিকা পালন করার জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

ওয়াশিংটন ডিসিতে আমেরিকান পিস ইনস্টিটিউটে বক্তৃতাদানকালে তিনি বলেন, একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে মায়ানমারের নেত্রী অং সান সূচীর নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসন করা। ২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার পরই সূচীর সঙ্গে বৈঠক করেন জানিয়ে দালাই লামা বলেন, আমি সূচীকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরো খোলাখুলিভাবে আলোচনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। যদিও মানবাধিকার সংস্থা সমূহ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সূচীর নীরবতার তীব্র নিন্দা করে আসছে।

দালাই লামা আরো বলেন, ‘মিয়ানমারের মুসলমানদের প্রতি কিছু বৌদ্ধ ভিক্ষুর ঘৃণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। যারা এ ধরণের চিন্তা ভাবনা ধারণ করেন, তাদেরকে তিনি বুদ্ধের চেহারা স্মরণ করতে বলেন।’ তিনি এও বলেছেন, ‘আজ যদি বুদ্ধ আবির্ভূত হতেন, তাহলে তিনি মিয়ানমারের অসহায় ওইসব মুসলিম ভাই-বোনদের রক্ষা করতেন।’