ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, নির্বাচন কেউ কেউ ঠেকাতে পারবে না: মির্জা ফখরুল চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা, চলছে কর্মবিরতি ইমরান খানকে ‘লন্ডন সোসাইটি লায়ন’ আখ্যা জাতিসংঘ কর্মকর্তার ব্যক্তিতান্ত্রিক শাসনের অবসানের জন্যই জুলাই সনদ: আলী রীয়াজ সংস্কারের মূল তারেক রহমান, ৩ বছর আগেই তিনি সংস্কারের কথা বলেছেন’:এম এ কাইয়ুম মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল ব্যাংক ডাকাত ও ঋণখেলাপিদের জন্য একটি বার্তা: হাসনাত ৫মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইরান প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই : ইসি সানাউল্লাহ আপিলও খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী মুন্সী সিইসি ও ইসি সচিবের কুশপুত্তলিকায় ডিম নিক্ষেপ

কারাবাখে তুরস্কের শান্তিরক্ষীও পর্যবেক্ষণ করবে

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে। এরপরই গত মঙ্গলবার কারাবাখে ১৯৬০ সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া। চুক্তির পর থেকেই বিরোধীয় অঞ্চলে তুর্কি সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন আজেরি প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।

বুধবার রাজধানী আঙ্কারায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান দলীয় সভায় এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, কারাবাখ শান্তি চুক্তিতে তুর্কি-রাশিয়ান সেনা পর্যবেক্ষণ করবে; এমন একটি সমঝোতা স্বারকে দুই দেশ স্বাক্ষর করেছে।

এরদোগান বলেন, কারাবাখে শান্তি বাস্তবায়নে রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের সেনাবাহিনী যৌথভাবে শান্তিরক্ষী হিসেবে পর্যবেক্ষণ করবে।

এদিন সকালে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি আর্মেনিয়ার দখল থেকে মুক্ত হওয়া আজারবাইজানি অঞ্চলগুলোতে প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার সীমান্তে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাপক সংঘর্ষ ও গোলাগুলি চলে আসছিল। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় মাঝে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও কাজের কাজ তেমন কিছু হয়নি। দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী এ লড়াইয়ে বেসামরিক নাগরিকসহ বহু প্রাণহানি ঘটেছে।

দুই দেশের সংঘাতের মূলে ওই নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল। এলাকাটি জাতিগত আর্মেনীয় অধ্যুষিত। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় ভোটাভুটিতে অঞ্চলটি আর্মেনিয়ার সঙ্গে থাকার পক্ষে রায় দেয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। ১৯৯০ সালের ওই যুদ্ধে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সেই যুদ্ধ থামে ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে।

এরপর থেকে এলাকাটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে। তাদের সমর্থনে আর্মেনিয়ার সরকার। আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলোর মধ্যস্থতায় দশকের পর দশক আলোচনা হলেও শান্তিচুক্তি অধরা থেকে গেছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, নির্বাচন কেউ কেউ ঠেকাতে পারবে না: মির্জা ফখরুল

কারাবাখে তুরস্কের শান্তিরক্ষীও পর্যবেক্ষণ করবে

আপডেট সময় ০৬:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে। এরপরই গত মঙ্গলবার কারাবাখে ১৯৬০ সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া। চুক্তির পর থেকেই বিরোধীয় অঞ্চলে তুর্কি সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন আজেরি প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।

বুধবার রাজধানী আঙ্কারায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান দলীয় সভায় এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, কারাবাখ শান্তি চুক্তিতে তুর্কি-রাশিয়ান সেনা পর্যবেক্ষণ করবে; এমন একটি সমঝোতা স্বারকে দুই দেশ স্বাক্ষর করেছে।

এরদোগান বলেন, কারাবাখে শান্তি বাস্তবায়নে রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের সেনাবাহিনী যৌথভাবে শান্তিরক্ষী হিসেবে পর্যবেক্ষণ করবে।

এদিন সকালে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি আর্মেনিয়ার দখল থেকে মুক্ত হওয়া আজারবাইজানি অঞ্চলগুলোতে প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার সীমান্তে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাপক সংঘর্ষ ও গোলাগুলি চলে আসছিল। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় মাঝে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও কাজের কাজ তেমন কিছু হয়নি। দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী এ লড়াইয়ে বেসামরিক নাগরিকসহ বহু প্রাণহানি ঘটেছে।

দুই দেশের সংঘাতের মূলে ওই নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চল। এলাকাটি জাতিগত আর্মেনীয় অধ্যুষিত। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় ভোটাভুটিতে অঞ্চলটি আর্মেনিয়ার সঙ্গে থাকার পক্ষে রায় দেয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। ১৯৯০ সালের ওই যুদ্ধে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সেই যুদ্ধ থামে ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে।

এরপর থেকে এলাকাটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে। তাদের সমর্থনে আর্মেনিয়ার সরকার। আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলোর মধ্যস্থতায় দশকের পর দশক আলোচনা হলেও শান্তিচুক্তি অধরা থেকে গেছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান