ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, নির্বাচন কেউ কেউ ঠেকাতে পারবে না: মির্জা ফখরুল চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা, চলছে কর্মবিরতি ইমরান খানকে ‘লন্ডন সোসাইটি লায়ন’ আখ্যা জাতিসংঘ কর্মকর্তার ব্যক্তিতান্ত্রিক শাসনের অবসানের জন্যই জুলাই সনদ: আলী রীয়াজ সংস্কারের মূল তারেক রহমান, ৩ বছর আগেই তিনি সংস্কারের কথা বলেছেন’:এম এ কাইয়ুম মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিল ব্যাংক ডাকাত ও ঋণখেলাপিদের জন্য একটি বার্তা: হাসনাত ৫মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইরান প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই : ইসি সানাউল্লাহ আপিলও খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী মুন্সী সিইসি ও ইসি সচিবের কুশপুত্তলিকায় ডিম নিক্ষেপ

সীমান্তে স্থিতাবস্থার পক্ষে সম্মতি, আর সংঘর্ষ চায় না ভারত ও চীন

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

অবশেষে ঐক্যমত্য। অষ্টম দফার সামরিক বৈঠক শেষে লাদাখ সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে সম্মত হল ভারত ও চীন। দুই দেশই জানিয়েছে সীমান্তে আর কোনও রকম সংঘর্ষে জড়াবে না দুই দেশের সেনা।

এই বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভারত ও চীনের সেনা পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে। সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে দ্বন্দ্ব মেটানো হবে। সীমান্তের অচলাবস্থা কাটাতে সব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে সম্মত হয়েছে নয়াদিল্লি ও বেইজিং।

অষ্টম দফার বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে দুই দেশের সেনা জানিয়েছে বৈঠক ফলপ্রসূ। সীমান্তে যাতে আর কোনও রকম অশান্তি বা সংঘর্ষ না ছড়ায় সেদিকে নজর রাখা হবে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সেনা মোতায়েন রাখার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।

এই বৈঠকের পরেও আর একটি সামরিক স্তরের বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে। অষ্টম দফার বৈঠকে ভারতের তরফে বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেন কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পিজিকে মেনন। উপস্থিত ছিলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নবীন শ্রীবাস্তব।

এদিকে, পূর্ব লাদাখের প্যাংগং লেকের ধারে দুই দেশের সেনা অবস্থান নিয়েই সমস্যা। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। চীনের সেনা সংখ্যাও প্রায় একই। শেষ ভারত-চীন বৈঠক হয় ১২ই অক্টোবর।

এরপরেই ভারতে আসেন মার্কিন প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র সচিব। তবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয় ভারত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপে যে ভারত চীনের সঙ্গে বৈঠকে বসছে না, তা জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লি। এদিন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা প্রত্যাখান করে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানান, সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে চীনের সঙ্গে আলোচনা চলবে। কোনও তৃতীয় ব্যক্তি সেখানে হস্তক্ষেপ করবে না। সীমান্ত সমস্যা মেটানোর জন্য ভারত আলোচনা ও বৈঠকে বিশ্বাসী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, নির্বাচন কেউ কেউ ঠেকাতে পারবে না: মির্জা ফখরুল

সীমান্তে স্থিতাবস্থার পক্ষে সম্মতি, আর সংঘর্ষ চায় না ভারত ও চীন

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

অবশেষে ঐক্যমত্য। অষ্টম দফার সামরিক বৈঠক শেষে লাদাখ সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে সম্মত হল ভারত ও চীন। দুই দেশই জানিয়েছে সীমান্তে আর কোনও রকম সংঘর্ষে জড়াবে না দুই দেশের সেনা।

এই বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভারত ও চীনের সেনা পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে। সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মাধ্যমে দ্বন্দ্ব মেটানো হবে। সীমান্তের অচলাবস্থা কাটাতে সব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে সম্মত হয়েছে নয়াদিল্লি ও বেইজিং।

অষ্টম দফার বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে দুই দেশের সেনা জানিয়েছে বৈঠক ফলপ্রসূ। সীমান্তে যাতে আর কোনও রকম অশান্তি বা সংঘর্ষ না ছড়ায় সেদিকে নজর রাখা হবে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সেনা মোতায়েন রাখার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।

এই বৈঠকের পরেও আর একটি সামরিক স্তরের বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে। অষ্টম দফার বৈঠকে ভারতের তরফে বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেন কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পিজিকে মেনন। উপস্থিত ছিলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নবীন শ্রীবাস্তব।

এদিকে, পূর্ব লাদাখের প্যাংগং লেকের ধারে দুই দেশের সেনা অবস্থান নিয়েই সমস্যা। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। চীনের সেনা সংখ্যাও প্রায় একই। শেষ ভারত-চীন বৈঠক হয় ১২ই অক্টোবর।

এরপরেই ভারতে আসেন মার্কিন প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র সচিব। তবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয় ভারত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপে যে ভারত চীনের সঙ্গে বৈঠকে বসছে না, তা জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লি। এদিন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা প্রত্যাখান করে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানান, সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে চীনের সঙ্গে আলোচনা চলবে। কোনও তৃতীয় ব্যক্তি সেখানে হস্তক্ষেপ করবে না। সীমান্ত সমস্যা মেটানোর জন্য ভারত আলোচনা ও বৈঠকে বিশ্বাসী।