ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না করার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর চলন্ত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি বিএনপিকে মাইনাস করার ফর্মুলা ছিল ড. ইউনূসের : রাশেদ খান জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি এমপি​ হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই:আপিল বিভাগ রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

খনিজ সম্পদে ভরা দুর্লভ গ্রহের সন্ধান

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

মহাকাশে দুর্লভ গ্রহের সন্ধান পেলো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সম্প্রতি প্ল্যানেটারি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে, এই বিশেষ গ্রহাণুর নাম দেওয়া হয়েছে ’16 Psyche’। এটি পৃথিবী থেকে ৩৭০ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে রয়েছে। এটির আকার ২২৬ কিলোমিটারের মতো। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার এলাকা যতটা, ততটা বড় এই গ্রহাণুটি। কিন্তু এই গ্রহাণুর বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি এর আকার নয়, বরং এটি যা দিয়ে তৈরি, সেই ধাতব উপাদানগুলো। বেশিরভাগ গ্রহাণু যেমন পাথর কিম্বা বরফের দ্বারা তৈরি হয়, এটি তেমনভাবে তৈরি নয়। এটি তৈরি হয়েছে বিশেষ কয়েকটি ধাতব পদার্থ দিয়ে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সাধারণত দেখা যায়, কোনও একটি গ্রহাণুতে অন্য অনেক পদার্থের মধ্যে বহুমূল্য ধাতব বস্তু লুকিয়ে থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে ঘটনাটি একেবারে আলাদা। এই গ্রহাণুর ক্ষেত্রে পুরোটাই তৈরি ধাতব বস্তু দিয়ে। এতে রয়েছে নিকেল ও লোহা। আর সেই কারণেই এখানে জমা ধাতব বস্তুর দাম হতে পারে প্রায় ১০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ মার্কিন ডলার।

সারা পৃথিবীর অর্থনৈতির থেকে যা ১০ হাজার গুণ বেশি। হাবল টেলিস্কোপের স্পেস টেলিস্কোপ ইমেজিং স্পেক্টোগ্রাফ–এর সাহায্যে ২০১৭ সালে আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি ব্যবহার করে এই গ্রহাণুর উপাদান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। আশ্চর্যভাবে দেখা যায়, এই গ্রহাণুর পৃষ্ঠটি পুরোটাই লোহার তৈরি। মনে করা হচ্ছে, কোনও মত গ্রহের একেবারে ভিতরের অংশ এটি। একাধিক মহাজাগতিক সংঘর্ষের ফলে এটির চেহারা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকগুলো মহাজাগতিক সংঘর্ষ একে আকারে ছোট করে দিয়েছে।

ইতিমধ্যে নাসা এই রহস্য ভেদ করার কাজ শুরু করে দিয়েছে। ২০২২ সালে নাসার যান পাড়ি দিচ্ছে মহাকাশে। সেটি আসলে সাইকি গ্রহাণুর তত্ত্ব তালাশ করবে। স্পেস এক্স ফ্যালকম হেভি রকেটের মাধ্যমে এটিকে মহাকাশে পৌঁছে দেওয়া হবে মহাকাশে। আশা করা যায় ২০২৬ সালের মধ্যে এই গ্রহাণুতে পৌঁছে যাবে নাসার মহাকাশ যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেফতার না করার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

খনিজ সম্পদে ভরা দুর্লভ গ্রহের সন্ধান

আপডেট সময় ০৯:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

মহাকাশে দুর্লভ গ্রহের সন্ধান পেলো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সম্প্রতি প্ল্যানেটারি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে, এই বিশেষ গ্রহাণুর নাম দেওয়া হয়েছে ’16 Psyche’। এটি পৃথিবী থেকে ৩৭০ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে রয়েছে। এটির আকার ২২৬ কিলোমিটারের মতো। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার এলাকা যতটা, ততটা বড় এই গ্রহাণুটি। কিন্তু এই গ্রহাণুর বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি এর আকার নয়, বরং এটি যা দিয়ে তৈরি, সেই ধাতব উপাদানগুলো। বেশিরভাগ গ্রহাণু যেমন পাথর কিম্বা বরফের দ্বারা তৈরি হয়, এটি তেমনভাবে তৈরি নয়। এটি তৈরি হয়েছে বিশেষ কয়েকটি ধাতব পদার্থ দিয়ে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সাধারণত দেখা যায়, কোনও একটি গ্রহাণুতে অন্য অনেক পদার্থের মধ্যে বহুমূল্য ধাতব বস্তু লুকিয়ে থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে ঘটনাটি একেবারে আলাদা। এই গ্রহাণুর ক্ষেত্রে পুরোটাই তৈরি ধাতব বস্তু দিয়ে। এতে রয়েছে নিকেল ও লোহা। আর সেই কারণেই এখানে জমা ধাতব বস্তুর দাম হতে পারে প্রায় ১০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ মার্কিন ডলার।

সারা পৃথিবীর অর্থনৈতির থেকে যা ১০ হাজার গুণ বেশি। হাবল টেলিস্কোপের স্পেস টেলিস্কোপ ইমেজিং স্পেক্টোগ্রাফ–এর সাহায্যে ২০১৭ সালে আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি ব্যবহার করে এই গ্রহাণুর উপাদান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। আশ্চর্যভাবে দেখা যায়, এই গ্রহাণুর পৃষ্ঠটি পুরোটাই লোহার তৈরি। মনে করা হচ্ছে, কোনও মত গ্রহের একেবারে ভিতরের অংশ এটি। একাধিক মহাজাগতিক সংঘর্ষের ফলে এটির চেহারা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকগুলো মহাজাগতিক সংঘর্ষ একে আকারে ছোট করে দিয়েছে।

ইতিমধ্যে নাসা এই রহস্য ভেদ করার কাজ শুরু করে দিয়েছে। ২০২২ সালে নাসার যান পাড়ি দিচ্ছে মহাকাশে। সেটি আসলে সাইকি গ্রহাণুর তত্ত্ব তালাশ করবে। স্পেস এক্স ফ্যালকম হেভি রকেটের মাধ্যমে এটিকে মহাকাশে পৌঁছে দেওয়া হবে মহাকাশে। আশা করা যায় ২০২৬ সালের মধ্যে এই গ্রহাণুতে পৌঁছে যাবে নাসার মহাকাশ যান।