ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বকাপে খেলতে হলে ভারতেই যেতে হবে, সিদ্ধান্ত আইসিসির এবারের নির্বাচন যেন ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে: প্রধান উপদেষ্টা এবার ভোট গণনায় দেরি হতে পারে: প্রেস সচিব বিএনপিতে যোগ দিলেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ মব সৃষ্টি করে জনমত প্রভাবিত করার দিন এখন আর নেই: জামায়াত আমির সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন হচ্ছে সর্বনিম্ন ২০,০০০ টাকা, সর্বোচ্চ ১,৬০,০০০ টাকা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে সব সাইজ হয়ে যাবে, ঢাকায় কোনো সিট দেব না বলে জামায়াত প্রার্থী হুঙ্কার দিয়েছেন খালিদুজ্জামান ‘গুণ্ডামির কাছে আমরা মাথা নত করি না’: ইমানুয়েল মাক্রোঁ রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা দেওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচারী হতো না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

বৈধ কাগজ ছাড়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া হবে না: মিয়ানমার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাখাইনের সহিংসতায় পালিয়ে আসা লোকজনকে নাগরিকত্বের প্রমাণ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে ফেরত নেয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) ইউ থং তুন এ মন্তব্য করেন।

বুধবার রাখাইন ইস্যুতে স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে মিয়ানমারের এই রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা বলেন, ‘নাগরিকরা কত দিন ধরে মিয়ানমারে বসবাস করেছে; সে বিষয়ে অবশ্যই প্রমাণ থাকতে হবে। যদি সঠিক প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তারা ফেরত আসতে পারবেন।’

রাজধানী নেইপিদো, ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও মল্যামিয়াংসহ দেশটির প্রধান প্রধান কিছু শহরে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি থাকলেও তিনি বলেন, জনগণের চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। তবে সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে বলা হয় যে, মধ্যপ্রাচ্যে দুর্বল হয়ে পড়া জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে পারে।

ইউ থং তুন বলেন, রাখাইন প্রদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এনএসএ ছাড়াও প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র এবং সীমান্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রতিদিন আলোচনা করছেন প্রেসিডেন্ট। তবে তিনি দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভা আহ্বানে সরকারের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেননি।

দেশটির জাতীয় এ নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, রাষ্ট্র, জনগণের সুরক্ষা ও রাখাইন রাজ্যে পুলিশের শক্তি বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রাখাইন ইস্যুতে কফি আনান অ্যাডভাইজরি কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করছে সরকার। রাখাইন সঙ্কটে জাতিসংঘের সাবেক এই মহাসচিব গত ২৪ আগস্ট একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

কফি আনান কমিশনের এই প্রতিবেদনে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়া রাখাইনে মানবিক ত্রাণসহায়তা বিতরণ ও গণমাধ্যম কর্মীদের প্রবেশের অনুমতি দেয়ার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া ১৯৮২ সালের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনে সংশোধন এনে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়ার সুপারিশ করে অানান কমিশন।

ইউ থং তুন বলেন, দাতা দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে মিয়ানমার সরকার। ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র রাখাইনে ত্রাণসহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। মিয়ানমার রেড ক্রস সোসাইটি এসব ত্রাণ গ্রহণ করেছে। কোনো দেশ সহায়তা করতে চাইলে প্রথমে সরকারকে অবগত করতে হবে।

তিনি বলেন, তারা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা এসব ত্রাণ গ্রহণ করছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ বাংলাদেশি

বৈধ কাগজ ছাড়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া হবে না: মিয়ানমার

আপডেট সময় ০৪:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাখাইনের সহিংসতায় পালিয়ে আসা লোকজনকে নাগরিকত্বের প্রমাণ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে ফেরত নেয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) ইউ থং তুন এ মন্তব্য করেন।

বুধবার রাখাইন ইস্যুতে স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে মিয়ানমারের এই রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা বলেন, ‘নাগরিকরা কত দিন ধরে মিয়ানমারে বসবাস করেছে; সে বিষয়ে অবশ্যই প্রমাণ থাকতে হবে। যদি সঠিক প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তারা ফেরত আসতে পারবেন।’

রাজধানী নেইপিদো, ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও মল্যামিয়াংসহ দেশটির প্রধান প্রধান কিছু শহরে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি থাকলেও তিনি বলেন, জনগণের চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। তবে সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে বলা হয় যে, মধ্যপ্রাচ্যে দুর্বল হয়ে পড়া জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে পারে।

ইউ থং তুন বলেন, রাখাইন প্রদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এনএসএ ছাড়াও প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র এবং সীমান্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে প্রতিদিন আলোচনা করছেন প্রেসিডেন্ট। তবে তিনি দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভা আহ্বানে সরকারের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেননি।

দেশটির জাতীয় এ নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, রাষ্ট্র, জনগণের সুরক্ষা ও রাখাইন রাজ্যে পুলিশের শক্তি বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রাখাইন ইস্যুতে কফি আনান অ্যাডভাইজরি কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করছে সরকার। রাখাইন সঙ্কটে জাতিসংঘের সাবেক এই মহাসচিব গত ২৪ আগস্ট একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

কফি আনান কমিশনের এই প্রতিবেদনে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়া রাখাইনে মানবিক ত্রাণসহায়তা বিতরণ ও গণমাধ্যম কর্মীদের প্রবেশের অনুমতি দেয়ার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া ১৯৮২ সালের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনে সংশোধন এনে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেয়ার সুপারিশ করে অানান কমিশন।

ইউ থং তুন বলেন, দাতা দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে মিয়ানমার সরকার। ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র রাখাইনে ত্রাণসহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। মিয়ানমার রেড ক্রস সোসাইটি এসব ত্রাণ গ্রহণ করেছে। কোনো দেশ সহায়তা করতে চাইলে প্রথমে সরকারকে অবগত করতে হবে।

তিনি বলেন, তারা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা এসব ত্রাণ গ্রহণ করছি।