ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাইয়ের ২৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬২ কোটি ডলার আরও দুই মামলায় জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন ওয়ানডেতে নেতৃত্ব হারালেন মিরাজ, নতুন অধিনায়ক লিটন সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার মিয়ানমার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে: আনোয়ার ইব্রাহিম একজনের সাথে সম্পর্ক নষ্ট করে অন্যের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী সব দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি এনসিপির ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে দুই সিটিকে গতি বাড়ানোর নির্দেশ

নূরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা, প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে গত ২১ সেপ্টেম্বর মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ করা হয়।

এর প্রেক্ষিতে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। আজ সেই তদন্ত কমিটি তাদের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে বলেছে, হাসান আল মামুন ওই ছাত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক’ করেছে- এমন কোনো তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে তদন্ত কমিটির এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন ধর্ষকদের গ্রেফতারের দাবি অনশনরত ওই ছাত্রী।

তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ‘অভিযোগকারী এজাহারে হাসান আল মামুনের সাথে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করলেও হাসান আল মামুন সেটি অস্বীকার করেছেন। একই বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবেই তাদের সাথে পরস্পরের পরিচয় হয়, সাংগঠনিক কাজের সূত্রে নয়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের মতো কোনো ঘটনা ঘটছে কিনা সে বিষয়ে তদন্ত কমিটি কোনো তথ্য প্রমাণ পায়নি।

এমনকি অভিযোগকারীও এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির কাছে কোনো তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি। প্রতিবেদনে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের সাথে অভিযোগকারী ছাত্রীর কখনোই সাক্ষাৎ হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়।’

এছাড়াও মামলার বিবাদীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে’ বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ অপর চারজনের বিরুদ্ধে গত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর পৃথক দুটি মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। এরই প্রেক্ষিতে ২৩ সেপ্টেম্বর সংগঠনের ঢাবি শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লার নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলো সংগঠনটি।

এদিকে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ‘নিরপেক্ষ নয়’ মন্তব্য করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্রী। তিনি বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের তদন্ত কমিটির প্রধান যাকে করা হয়েছে, ইয়ামিন বিন মোল্লা, তিনি একে মিথ্যা, ষড়যন্ত্র ও সরকারের ষড়যন্ত্র বলে বিক্ষোভ মিছিল করেছিলেন। তিনি যখন একে মিথ্যা মামলা বলে একটা অবস্থান নিয়েই নিয়েছিলেন, পরে যখন তাকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়, তখন তার নিরপেক্ষ অবস্থান থাকে না। সেই জায়গা থেকে আমি মনে করি, এটা নিরপেক্ষ তদন্ত না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইয়ের ২৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬২ কোটি ডলার

নূরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা, প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি

আপডেট সময় ০৭:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে গত ২১ সেপ্টেম্বর মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ করা হয়।

এর প্রেক্ষিতে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। আজ সেই তদন্ত কমিটি তাদের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে বলেছে, হাসান আল মামুন ওই ছাত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক’ করেছে- এমন কোনো তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে তদন্ত কমিটির এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন ধর্ষকদের গ্রেফতারের দাবি অনশনরত ওই ছাত্রী।

তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ‘অভিযোগকারী এজাহারে হাসান আল মামুনের সাথে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করলেও হাসান আল মামুন সেটি অস্বীকার করেছেন। একই বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবেই তাদের সাথে পরস্পরের পরিচয় হয়, সাংগঠনিক কাজের সূত্রে নয়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের মতো কোনো ঘটনা ঘটছে কিনা সে বিষয়ে তদন্ত কমিটি কোনো তথ্য প্রমাণ পায়নি।

এমনকি অভিযোগকারীও এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির কাছে কোনো তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি। প্রতিবেদনে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের সাথে অভিযোগকারী ছাত্রীর কখনোই সাক্ষাৎ হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়।’

এছাড়াও মামলার বিবাদীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে’ বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ অপর চারজনের বিরুদ্ধে গত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর পৃথক দুটি মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। এরই প্রেক্ষিতে ২৩ সেপ্টেম্বর সংগঠনের ঢাবি শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লার নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলো সংগঠনটি।

এদিকে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ‘নিরপেক্ষ নয়’ মন্তব্য করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্রী। তিনি বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের তদন্ত কমিটির প্রধান যাকে করা হয়েছে, ইয়ামিন বিন মোল্লা, তিনি একে মিথ্যা, ষড়যন্ত্র ও সরকারের ষড়যন্ত্র বলে বিক্ষোভ মিছিল করেছিলেন। তিনি যখন একে মিথ্যা মামলা বলে একটা অবস্থান নিয়েই নিয়েছিলেন, পরে যখন তাকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়, তখন তার নিরপেক্ষ অবস্থান থাকে না। সেই জায়গা থেকে আমি মনে করি, এটা নিরপেক্ষ তদন্ত না।