ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬

নূরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা, প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে গত ২১ সেপ্টেম্বর মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ করা হয়।

এর প্রেক্ষিতে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। আজ সেই তদন্ত কমিটি তাদের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে বলেছে, হাসান আল মামুন ওই ছাত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক’ করেছে- এমন কোনো তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে তদন্ত কমিটির এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন ধর্ষকদের গ্রেফতারের দাবি অনশনরত ওই ছাত্রী।

তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ‘অভিযোগকারী এজাহারে হাসান আল মামুনের সাথে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করলেও হাসান আল মামুন সেটি অস্বীকার করেছেন। একই বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবেই তাদের সাথে পরস্পরের পরিচয় হয়, সাংগঠনিক কাজের সূত্রে নয়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের মতো কোনো ঘটনা ঘটছে কিনা সে বিষয়ে তদন্ত কমিটি কোনো তথ্য প্রমাণ পায়নি।

এমনকি অভিযোগকারীও এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির কাছে কোনো তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি। প্রতিবেদনে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের সাথে অভিযোগকারী ছাত্রীর কখনোই সাক্ষাৎ হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়।’

এছাড়াও মামলার বিবাদীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে’ বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ অপর চারজনের বিরুদ্ধে গত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর পৃথক দুটি মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। এরই প্রেক্ষিতে ২৩ সেপ্টেম্বর সংগঠনের ঢাবি শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লার নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলো সংগঠনটি।

এদিকে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ‘নিরপেক্ষ নয়’ মন্তব্য করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্রী। তিনি বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের তদন্ত কমিটির প্রধান যাকে করা হয়েছে, ইয়ামিন বিন মোল্লা, তিনি একে মিথ্যা, ষড়যন্ত্র ও সরকারের ষড়যন্ত্র বলে বিক্ষোভ মিছিল করেছিলেন। তিনি যখন একে মিথ্যা মামলা বলে একটা অবস্থান নিয়েই নিয়েছিলেন, পরে যখন তাকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়, তখন তার নিরপেক্ষ অবস্থান থাকে না। সেই জায়গা থেকে আমি মনে করি, এটা নিরপেক্ষ তদন্ত না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বটিয়াঘাটায় গুলির ঘটনার পর বিতর্কের মুখে ওসি প্রত্যাহার

নূরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা, প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি

আপডেট সময় ০৭:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে গত ২১ সেপ্টেম্বর মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ করা হয়।

এর প্রেক্ষিতে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। আজ সেই তদন্ত কমিটি তাদের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে বলেছে, হাসান আল মামুন ওই ছাত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক’ করেছে- এমন কোনো তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে তদন্ত কমিটির এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন ধর্ষকদের গ্রেফতারের দাবি অনশনরত ওই ছাত্রী।

তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ‘অভিযোগকারী এজাহারে হাসান আল মামুনের সাথে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করলেও হাসান আল মামুন সেটি অস্বীকার করেছেন। একই বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবেই তাদের সাথে পরস্পরের পরিচয় হয়, সাংগঠনিক কাজের সূত্রে নয়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের মতো কোনো ঘটনা ঘটছে কিনা সে বিষয়ে তদন্ত কমিটি কোনো তথ্য প্রমাণ পায়নি।

এমনকি অভিযোগকারীও এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির কাছে কোনো তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি। প্রতিবেদনে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের সাথে অভিযোগকারী ছাত্রীর কখনোই সাক্ষাৎ হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়।’

এছাড়াও মামলার বিবাদীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে’ বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ অপর চারজনের বিরুদ্ধে গত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর পৃথক দুটি মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। এরই প্রেক্ষিতে ২৩ সেপ্টেম্বর সংগঠনের ঢাবি শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লার নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলো সংগঠনটি।

এদিকে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ‘নিরপেক্ষ নয়’ মন্তব্য করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্রী। তিনি বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের তদন্ত কমিটির প্রধান যাকে করা হয়েছে, ইয়ামিন বিন মোল্লা, তিনি একে মিথ্যা, ষড়যন্ত্র ও সরকারের ষড়যন্ত্র বলে বিক্ষোভ মিছিল করেছিলেন। তিনি যখন একে মিথ্যা মামলা বলে একটা অবস্থান নিয়েই নিয়েছিলেন, পরে যখন তাকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়, তখন তার নিরপেক্ষ অবস্থান থাকে না। সেই জায়গা থেকে আমি মনে করি, এটা নিরপেক্ষ তদন্ত না।