ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাগজপত্র থাকলে সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ পরীক্ষা ভীতি দূর করে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জাপানি প্রধানমন্ত্রীর পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: তারেক রহমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না অভিনেত্রী চমক ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান, সুনামি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইরান গুমের বিরুদ্ধে শক্ত আইন চায় জনগণ : রিজভী শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে হামের টিকার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২৮২ পণ্য এখন বহুমুখী পাটজাতপণ্য

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা বিবেচনায় এবং বিশ্বব্যাপী পাটশিল্পের সম্প্রসারণে ২৮ টি দৃষ্টিনন্দন পাটপণ্যকে বহুমুখী পাটজাত পণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার।

রোববার (১১ অক্টোবর) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

সম্প্রতি, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় বহুমুখী পাটজাত পণ্যের নামসহ একটি তালিকা প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শ্রমঘন পাটখাত দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পাটখাতের উন্নয়নে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। পাটশিল্পের পুনরুজ্জীবন ও আধুনিকায়নের ধারা বেগবান করার লক্ষ্যে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০, ‘পাট আইন, ২০১৭’, ‘জাতীয় পাটনীতি, ২০১৮’ প্রণয়ন করেছে। এসব আইন ও নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ, আন্তর্জাতিক বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে।

জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) মাধ্যমে পাটপণ্যের বহুমুখীকরণ ও ব্যবহারের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বহুমুখী পাটজাত পণ্যের প্রায় ৭শ উদ্যোক্তা বিভিন্ন ধরনের দৃষ্টিনন্দন পাটপণ্য উৎপাদন করেছেন যার অধিকাংশই বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। বহুমুখী পাটজাত পণ্যকে দেশে জনপ্রিয় করতে প্রচার-প্রচারণাসহ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

এছাড়া পাট আইন, ২০১৭ অনুযায়ী, ‘বহুমুখী পাটজাত পণ্য’ অর্থ প্রচলিত পাটজাত পণ্য যথা:‒ হেসিয়ান, সেকিং, সিবিসি এবং ৬ (ছয়) কাউন্ট ও তদূর্ধ্ব পাটসুতা ছাড়া এরূপ কোনো পণ্য, যে পণ্য প্রস্তুতে পাট বা পাটজাত দ্রব্য ব্যবহারের আধিক্য ন্যূনতম পঞ্চাশ শতাংশ।

পাটখাত উন্নয়ন এবং সম্প্রসারণে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে এখাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমান সরকারের এসব কর্মপরিকল্পনা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে পাটখাত চামড়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কাগজপত্র থাকলে সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ

২৮২ পণ্য এখন বহুমুখী পাটজাতপণ্য

আপডেট সময় ০৫:২০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা বিবেচনায় এবং বিশ্বব্যাপী পাটশিল্পের সম্প্রসারণে ২৮ টি দৃষ্টিনন্দন পাটপণ্যকে বহুমুখী পাটজাত পণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার।

রোববার (১১ অক্টোবর) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

সম্প্রতি, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় বহুমুখী পাটজাত পণ্যের নামসহ একটি তালিকা প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শ্রমঘন পাটখাত দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পাটখাতের উন্নয়নে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। পাটশিল্পের পুনরুজ্জীবন ও আধুনিকায়নের ধারা বেগবান করার লক্ষ্যে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০, ‘পাট আইন, ২০১৭’, ‘জাতীয় পাটনীতি, ২০১৮’ প্রণয়ন করেছে। এসব আইন ও নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ, আন্তর্জাতিক বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে।

জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) মাধ্যমে পাটপণ্যের বহুমুখীকরণ ও ব্যবহারের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বহুমুখী পাটজাত পণ্যের প্রায় ৭শ উদ্যোক্তা বিভিন্ন ধরনের দৃষ্টিনন্দন পাটপণ্য উৎপাদন করেছেন যার অধিকাংশই বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। বহুমুখী পাটজাত পণ্যকে দেশে জনপ্রিয় করতে প্রচার-প্রচারণাসহ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

এছাড়া পাট আইন, ২০১৭ অনুযায়ী, ‘বহুমুখী পাটজাত পণ্য’ অর্থ প্রচলিত পাটজাত পণ্য যথা:‒ হেসিয়ান, সেকিং, সিবিসি এবং ৬ (ছয়) কাউন্ট ও তদূর্ধ্ব পাটসুতা ছাড়া এরূপ কোনো পণ্য, যে পণ্য প্রস্তুতে পাট বা পাটজাত দ্রব্য ব্যবহারের আধিক্য ন্যূনতম পঞ্চাশ শতাংশ।

পাটখাত উন্নয়ন এবং সম্প্রসারণে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে এখাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমান সরকারের এসব কর্মপরিকল্পনা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে পাটখাত চামড়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।