ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর বিবস্ত্র করে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া তাকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করা হয়েছে।

নির্যাতনের সময় ধারণ করা সেই ভিডিও চিত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ফেসবুকে।

জানা গেছে, ৩২ দিন আগে ঘটে যাওয়া ওই ঘটনার ভিডিও রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে ফেসবুকে ছড়ানো হয়। এর ফলে তা স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসে।

ঘটনার পর থেকে গত ৩২ দিন অভিযুক্ত স্থানীয় দেলোয়ার, বাদল, কালাম ও তাদের সহযোগীরা নির্যাতিতার পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। ফলে পুরো ঘটনা থেকে যায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ প্রশাসনের অগোচরে। বর্তমানে নির্যাতিতা ওই পরিবারের বসতঘরে তালা ঝুলছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিখোঁজ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ রোববার বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্ত এক যুবককে আটক করে। আটক আবদুর রহিম (২৭) একলাশপুর ইউনিয়নের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের হাড়িধন বাড়ির বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানায়, গত ২ সেপ্টেম্বর উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার নূর ইসলাম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

তাদের অভিযোগ, ওই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ভয়ে তিনি এবং তার পরিবার এ নিয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তাই ঘটনার ৩২ দিন অতিবাহিত হলেও ভুক্তভোগী পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশীদ চৌধুরী জানান, পুলিশ বতর্মানে ঘটনাস্থলে রয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিমের ঘরে তালা ঝুলছে। ওই গৃহবধূকে তার বসতঘরে পাওয়া যায়নি। ভিকটিমকে পাওয়া গেলে জানা যাবে এটি গণধর্ষণ না নির্যাতনের ঘটনা।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে এবং নির্যাতিতা পরিবারকে উদ্ধারে জেলা পুলিশের ৫টি ইউনিট মাঠে কাজ করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর বিবস্ত্র করে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় ১০:১৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া তাকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করা হয়েছে।

নির্যাতনের সময় ধারণ করা সেই ভিডিও চিত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ফেসবুকে।

জানা গেছে, ৩২ দিন আগে ঘটে যাওয়া ওই ঘটনার ভিডিও রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে ফেসবুকে ছড়ানো হয়। এর ফলে তা স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসে।

ঘটনার পর থেকে গত ৩২ দিন অভিযুক্ত স্থানীয় দেলোয়ার, বাদল, কালাম ও তাদের সহযোগীরা নির্যাতিতার পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। ফলে পুরো ঘটনা থেকে যায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ প্রশাসনের অগোচরে। বর্তমানে নির্যাতিতা ওই পরিবারের বসতঘরে তালা ঝুলছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিখোঁজ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ রোববার বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্ত এক যুবককে আটক করে। আটক আবদুর রহিম (২৭) একলাশপুর ইউনিয়নের পূর্ব একলাশপুর গ্রামের হাড়িধন বাড়ির বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানায়, গত ২ সেপ্টেম্বর উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকার নূর ইসলাম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

তাদের অভিযোগ, ওই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ভয়ে তিনি এবং তার পরিবার এ নিয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তাই ঘটনার ৩২ দিন অতিবাহিত হলেও ভুক্তভোগী পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশীদ চৌধুরী জানান, পুলিশ বতর্মানে ঘটনাস্থলে রয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিমের ঘরে তালা ঝুলছে। ওই গৃহবধূকে তার বসতঘরে পাওয়া যায়নি। ভিকটিমকে পাওয়া গেলে জানা যাবে এটি গণধর্ষণ না নির্যাতনের ঘটনা।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে এবং নির্যাতিতা পরিবারকে উদ্ধারে জেলা পুলিশের ৫টি ইউনিট মাঠে কাজ করছে।