ঢাকা ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় টাউন হল সভা চালু থাকবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকার দেশে ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে: প্রতিমন্ত্রী ‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ডে কাল থেকে ৪ সিটিতে হামের টিকা শুরু, যাদের না দেয়ার পরামর্শ জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির ‘নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়’ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটে মিলবে ফ্রি ইন্টারনেট: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তেল আছে শুধু সংসদে: জামায়াত আমির

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ হবে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ।’

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) গণভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী দেশকে মধ্যম আয় থেকে উন্নত বিশ্বের দেশে রূপান্তর করতে দেশবাসীর দোয়া কামনা করে বলেন, ‘বন্যা হয়েছে, আমরা তা মোকাবিলা করেছি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা চাই দেশের একটা মানুষও গৃহহারা থাকবে না। দেশ যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, ইনশাআল্লাহ, একদিন বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের কাতারে যুক্ত হবে।’

সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে সরকারপ্রধান দেশের যুবসমাজ যেন জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস আর মাদকাসক্তিতে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মসজিদের ইমামসহ অন্য সব ধর্মগুরু যারা আছেন, তাদের সবাইকে অনুরোধ করব, আপনারা সবাই লক্ষ রাখবেন যেন আমাদের যুবসমাজ বিপথে না যায়, মাদকাসক্তি বা জঙ্গিবাদে জড়িত না হয়।’

এর আগে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মী, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীসহ সর্বস্তরের জনগণ ও পেশাজীবীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। এরপর তিনি বিচারক ও বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে ছোটবোন শেখ রেহানাসহ পরিবারের সদস্য ও দলের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৪০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ হবে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ।’

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) গণভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী দেশকে মধ্যম আয় থেকে উন্নত বিশ্বের দেশে রূপান্তর করতে দেশবাসীর দোয়া কামনা করে বলেন, ‘বন্যা হয়েছে, আমরা তা মোকাবিলা করেছি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা চাই দেশের একটা মানুষও গৃহহারা থাকবে না। দেশ যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, ইনশাআল্লাহ, একদিন বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের কাতারে যুক্ত হবে।’

সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে সরকারপ্রধান দেশের যুবসমাজ যেন জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস আর মাদকাসক্তিতে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মসজিদের ইমামসহ অন্য সব ধর্মগুরু যারা আছেন, তাদের সবাইকে অনুরোধ করব, আপনারা সবাই লক্ষ রাখবেন যেন আমাদের যুবসমাজ বিপথে না যায়, মাদকাসক্তি বা জঙ্গিবাদে জড়িত না হয়।’

এর আগে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মী, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীসহ সর্বস্তরের জনগণ ও পেশাজীবীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। এরপর তিনি বিচারক ও বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এসময় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে ছোটবোন শেখ রেহানাসহ পরিবারের সদস্য ও দলের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।