ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত পরিকল্পিতভাবে উত্তরাঞ্চলে বড় উন্নয়ন বাজেট কমানো হয়েছে: নাহিদ ইসলাম আবু সাঈদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, আসলেই গ্রেফতার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার দলীয় এমপিরা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন আদেশ লঙ্ঘন করেছেন: আইনজীবী শিশির জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

ধরা পড়ছে চুনোপুটি, ধরাছোয়ার বাইরে রাঘববোয়ালরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং লুটপাট সরকারের অর্জন নষ্ট করে দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, চুনোপুটি ধরে লাভ নেই। ধরতে হবে রাঘববোয়ালদের। মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরগুলোতে জেকে বসা দুর্নীতি বন্ধে আরো কঠোর হতে হবে। এসব যায়গায় গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটগুলো ভাঙতে হবে। মনে রাখতে হবে, মানুষ না বাঁচলে, সরকার থাকে না।

সম্প্রতি টেলিফোন দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। ডাকসুর সাবেক ভিপি, ষাটের দশকের তুখোর ছাত্র নেতা রাশেদ খান মেনন এদেশে বাম পন্থী শীর্ষ রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধী ১৪ দলীয় জোটের শরীক হিসেবে একাধিকবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। মন্ত্রীও ছিলেন। এখন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থানীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

করোনাভাইরাস, বন্যা, স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে তিনি সঙ্গে কথা বলেন।

রাশেদ খান মেনন বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেশের স্বাস্থ্যখাতে সমন্বয়হীনতা, অব্যবস্থাপনা, মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতরের মতানৈক্যসহ সামগ্রিক ভঙ্গুর চিত্র ফুটে উঠেছে। এর সঙ্গে দুর্নীতি ও লুটপাটের ভয়াবহ ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। এসব দেখে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য খাতের ওপর আস্থা আরও কমে গেছে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবেলায় নিজে নিজের মন্ত্রণালয়কে সফলতার নাম্বার দিয়ে যাচ্ছেন। বাস্তবে দেশে করোনাভাইরাস দেখা দেবার পর থেকে কেবল তার মন্ত্রণালয়েই একের পর এক দুর্নীতি আর লুটপাটের ভয়াবহ চিত্রই প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতর একজন আরেকজনকে দোষারোপ করেছে। একজন আরেকজনকে দায়ি করেছে। এটি জনগণকে হতাশ করেছে। যদিও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রথম থেকেই করোনা মোকাবেলায় চেষ্টা করে গেছেন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বন্যা। এক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় হাতে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন। কিন্তু তাকে সহায়তা করার মতো তেমনভাবে অন্যরা এগিয়ে আসেননি। যেকারণে একদিকে যেমন মৃত্যুহার বেড়েছে। অন্যদিকে ঝুঁকিও বেড়েছে। একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, মানুষের জীবনই যদি না থাকে, তাহলে সরকার থাকে না।

রাশেদ খান মেনন বলেন, করোনা আমাদের স্বাস্থ্যখাতের দুর্বলতাকে প্রকাশ করে দিয়েছে। এখন অযথা বিতর্ক না করে দ্রুত এই খাতকে পুনর্গঠন করা উচিত। এই খাতে যারা লুটেরা ও বড় বড় দুর্নীতিবাজ তাদের চিহ্নিত করা উচিত। স্বাস্থ্যখাতে যে শক্তিশালী সিডিকেন্ডের কথা বলা হচ্ছে। তা ভেঙে দেয়া উচিত। একজন সাহেদ কিংবা একজন ডা. সাবরিনাকে কেবল গ্রেফতার করলে বা আইনের আওতায় নিলে চলবে না। মনে রাখতে হবে, তারা চুনোপুটি। রাঘববোয়ালরা এখনও ধরাছোয়ার বাইরে রয়ে গেছে। তাদেরকেও আইনের আওতায় নিতে হবে। তা না হলে স্বাস্থ্য খাতে লুটপাট অব্যাহত থাকবে। মানুষের আস্থা ফিরে আসবে না।

প্রবীন এই রাজনীতিক বলেন, করোনা ভাইরাসের সময় স্বাস্থ্যখাতে উপসর্গগুলো প্রকাশিত হয়েছে। এবার প্রয়োজন এই উপসর্গগুলো দুর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া। তিনি বলেন, অন্যান্য খাতেও যেভাবে একের পর এক দুর্নীতি ও লুটপাটের চিত্র প্রকাশিত হচ্ছে, তা বন্ধে সরকারকে কঠোর হতে হবে। সিন্ডিকেট প্রথা ভাঙ্গতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা প্রথম থেকেই আমরা ‘করোনা নাশে মানুষের পাশে’ শীর্ষক শ্লোগানকে সামনে রেখে করোনা মোকাবেলায় দলীয় উদ্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়াই। আমাদের এই উদ্যোগ এখনও অব্যাহত রয়েছে। যদিও করোনা ভাইরাস দেখা দেবার পর থেকেই রাজনীতিবিদ এবং রাজনৈতিকদলগুলোকে দুরে রেখে করোনা মোকাবেলা করার চেষ্টা হয়েছে। যা ছিলো আত্মঘাতী। এদেশে সবকিছু মোকাবেলায় এখন আমলা নির্ভর হয়ে গেছে। এটি ভালো লক্ষণ না।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, রাজনীতিকে এবং রাজনৈতিক দল এবং নেতাদের বাদ দিয়ে সঙ্কট মোকাবেলা করা যায় না। অতীতেও যায়নি। বঙ্গবন্ধুর আমল থেকেই রাজনৈতিক দল এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সঙ্কট মোকাবেলার চেষ্টা হয়েছে। এখন দৃশ্যপট বদলে গেছে। সবকিছু আমলা নির্ভর। যা আত্মঘাতী ফল বয়ে আনবে।

রাশেদ খান মেনন বলেন, করোনায় অর্থনীতির চাকা অচল ছিল। এই সময়ে বেকারত্ব বেড়েছে। কলকারখানা বন্ধ হয়েছে। উৎপাদন থেমে গেছে। পরিস্থিতি ইতিমধ্যে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এর মধ্যেই আবার আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। মানুষই অর্থনীতির হাল ধরবে। মানুষই অর্থনীতি বাঁচাবে। এর সঙ্গে যোগ করতে হবে রাজনৈতিকদল এবং রাজনীতিবিদদের। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে বাদ দিয়ে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। করোনা যে শিক্ষা দিয়ে গেছে, তা থেকে শিখতে হবে। নতুন করে বাঁচতে চাইলে হিংসা বিদ্বেষ ভুলে যেতে হবে। সমাজের যেসব অসঙ্গতি প্রকাশিত হয়েছে এই সময়ে তা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা স্থগিত

ধরা পড়ছে চুনোপুটি, ধরাছোয়ার বাইরে রাঘববোয়ালরা

আপডেট সময় ০৪:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং লুটপাট সরকারের অর্জন নষ্ট করে দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, চুনোপুটি ধরে লাভ নেই। ধরতে হবে রাঘববোয়ালদের। মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরগুলোতে জেকে বসা দুর্নীতি বন্ধে আরো কঠোর হতে হবে। এসব যায়গায় গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটগুলো ভাঙতে হবে। মনে রাখতে হবে, মানুষ না বাঁচলে, সরকার থাকে না।

সম্প্রতি টেলিফোন দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। ডাকসুর সাবেক ভিপি, ষাটের দশকের তুখোর ছাত্র নেতা রাশেদ খান মেনন এদেশে বাম পন্থী শীর্ষ রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধী ১৪ দলীয় জোটের শরীক হিসেবে একাধিকবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। মন্ত্রীও ছিলেন। এখন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থানীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

করোনাভাইরাস, বন্যা, স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে তিনি সঙ্গে কথা বলেন।

রাশেদ খান মেনন বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেশের স্বাস্থ্যখাতে সমন্বয়হীনতা, অব্যবস্থাপনা, মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতরের মতানৈক্যসহ সামগ্রিক ভঙ্গুর চিত্র ফুটে উঠেছে। এর সঙ্গে দুর্নীতি ও লুটপাটের ভয়াবহ ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। এসব দেখে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য খাতের ওপর আস্থা আরও কমে গেছে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবেলায় নিজে নিজের মন্ত্রণালয়কে সফলতার নাম্বার দিয়ে যাচ্ছেন। বাস্তবে দেশে করোনাভাইরাস দেখা দেবার পর থেকে কেবল তার মন্ত্রণালয়েই একের পর এক দুর্নীতি আর লুটপাটের ভয়াবহ চিত্রই প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতর একজন আরেকজনকে দোষারোপ করেছে। একজন আরেকজনকে দায়ি করেছে। এটি জনগণকে হতাশ করেছে। যদিও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রথম থেকেই করোনা মোকাবেলায় চেষ্টা করে গেছেন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বন্যা। এক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় হাতে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন। কিন্তু তাকে সহায়তা করার মতো তেমনভাবে অন্যরা এগিয়ে আসেননি। যেকারণে একদিকে যেমন মৃত্যুহার বেড়েছে। অন্যদিকে ঝুঁকিও বেড়েছে। একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, মানুষের জীবনই যদি না থাকে, তাহলে সরকার থাকে না।

রাশেদ খান মেনন বলেন, করোনা আমাদের স্বাস্থ্যখাতের দুর্বলতাকে প্রকাশ করে দিয়েছে। এখন অযথা বিতর্ক না করে দ্রুত এই খাতকে পুনর্গঠন করা উচিত। এই খাতে যারা লুটেরা ও বড় বড় দুর্নীতিবাজ তাদের চিহ্নিত করা উচিত। স্বাস্থ্যখাতে যে শক্তিশালী সিডিকেন্ডের কথা বলা হচ্ছে। তা ভেঙে দেয়া উচিত। একজন সাহেদ কিংবা একজন ডা. সাবরিনাকে কেবল গ্রেফতার করলে বা আইনের আওতায় নিলে চলবে না। মনে রাখতে হবে, তারা চুনোপুটি। রাঘববোয়ালরা এখনও ধরাছোয়ার বাইরে রয়ে গেছে। তাদেরকেও আইনের আওতায় নিতে হবে। তা না হলে স্বাস্থ্য খাতে লুটপাট অব্যাহত থাকবে। মানুষের আস্থা ফিরে আসবে না।

প্রবীন এই রাজনীতিক বলেন, করোনা ভাইরাসের সময় স্বাস্থ্যখাতে উপসর্গগুলো প্রকাশিত হয়েছে। এবার প্রয়োজন এই উপসর্গগুলো দুর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া। তিনি বলেন, অন্যান্য খাতেও যেভাবে একের পর এক দুর্নীতি ও লুটপাটের চিত্র প্রকাশিত হচ্ছে, তা বন্ধে সরকারকে কঠোর হতে হবে। সিন্ডিকেট প্রথা ভাঙ্গতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা প্রথম থেকেই আমরা ‘করোনা নাশে মানুষের পাশে’ শীর্ষক শ্লোগানকে সামনে রেখে করোনা মোকাবেলায় দলীয় উদ্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়াই। আমাদের এই উদ্যোগ এখনও অব্যাহত রয়েছে। যদিও করোনা ভাইরাস দেখা দেবার পর থেকেই রাজনীতিবিদ এবং রাজনৈতিকদলগুলোকে দুরে রেখে করোনা মোকাবেলা করার চেষ্টা হয়েছে। যা ছিলো আত্মঘাতী। এদেশে সবকিছু মোকাবেলায় এখন আমলা নির্ভর হয়ে গেছে। এটি ভালো লক্ষণ না।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, রাজনীতিকে এবং রাজনৈতিক দল এবং নেতাদের বাদ দিয়ে সঙ্কট মোকাবেলা করা যায় না। অতীতেও যায়নি। বঙ্গবন্ধুর আমল থেকেই রাজনৈতিক দল এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সঙ্কট মোকাবেলার চেষ্টা হয়েছে। এখন দৃশ্যপট বদলে গেছে। সবকিছু আমলা নির্ভর। যা আত্মঘাতী ফল বয়ে আনবে।

রাশেদ খান মেনন বলেন, করোনায় অর্থনীতির চাকা অচল ছিল। এই সময়ে বেকারত্ব বেড়েছে। কলকারখানা বন্ধ হয়েছে। উৎপাদন থেমে গেছে। পরিস্থিতি ইতিমধ্যে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এর মধ্যেই আবার আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। মানুষই অর্থনীতির হাল ধরবে। মানুষই অর্থনীতি বাঁচাবে। এর সঙ্গে যোগ করতে হবে রাজনৈতিকদল এবং রাজনীতিবিদদের। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে বাদ দিয়ে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। করোনা যে শিক্ষা দিয়ে গেছে, তা থেকে শিখতে হবে। নতুন করে বাঁচতে চাইলে হিংসা বিদ্বেষ ভুলে যেতে হবে। সমাজের যেসব অসঙ্গতি প্রকাশিত হয়েছে এই সময়ে তা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।