ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই সনদকে অস্বীকার করে বিএনপি জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করছে:নাহিদ ইসলাম দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মিরপুরে সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট ধ্বংসস্তূপের নিচে ৩২ ঘণ্টার বিভীষিকা, যেভাবে বেঁচে ফিরল ১২ বছরের কিশোরী ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ প্রতিটি ক্লাশরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, শ্রেণিকক্ষেই স্কুলছাত্রের বিষপান খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম জুলাইয়ের ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে: রুমিন ফারহানা

রংপুরে ৭০ শতাংশ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টেক সেন্টার অনুমোদনহীন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রংপুরে ৭০ শতাংশ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টেক সেন্টার অনুমোদনহীন। স্বাস্থ্য সেবার অনিয়ম ও প্রতারণার বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছেন স্থানীয় প্রশাসন। গত এক সপ্তাহে একাধিক ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতারসহ কমপক্ষে ১০ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার ৪ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে রংপুর নগরীর ধাপ এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহানের নেতৃত্ব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা ও সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিরা ছিলেন। অভিযানে আপডেট ক্লিনিক, ল্যাব এইড ডায়েগনস্টিক সেন্টার, রোজ হাসপাতাল ও ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মৌখিকভাবে সর্তক করা হয়।

শনিবার নগরীর ধাপে অনুমোদনহীন ২টি ক্লিনিককে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় মা-বাবা হাসপাতালের মালিক খলিলুর রহমানকে গ্রেফতারসহ ৩টি ক্লিনিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সিভিল সার্জন অফিসের কোন অনুমোদন না থাকা, মৃত চিকিৎসকদের নামে চিকিৎসাপত্র দেয়াসহ চিকিৎসক না থাকায় প্রতিষ্ঠানে মালিক মো. খলিলুর রহমান সোহেলকে ২০ হাজার টাকা জরিমান ও ১ মাসের জেল দেয়া হয়। সেই সাথে ক্লিনিকটি সিলগালা করে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এরপর অনুমোদনহীন পপুলার জেনারেল হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ডিউটি চিকিৎসক না থাকা, বিকল্প বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা না থাকায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ হাসপাতালটি সিলগালা করা হয়। এদিকে অনুমোদন অপেক্ষামান থাকা স্বত্বেও চিকিৎসা প্রদানের দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতালকে।

এর অগে মাধ্যমিক পাশ না করেই রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং সোবা হাসপাতাল নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি প্রতিদিনই নিয়মিত রোগী দেখতেন এবং ব্যবস্থাপত্র দিতেন। এভাবেই দীর্ঘদিন থেকে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহান জানান, জেলা প্রশাসনের আওতায় নিবন্ধনহীন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর থেকে শোনা যাচ্ছে ৭০ শতাংশ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধন নেই। তারা রোগীদের সাথে প্রতারণা ও হয়রানি করে আসছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদকে অস্বীকার করে বিএনপি জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করছে:নাহিদ ইসলাম

রংপুরে ৭০ শতাংশ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টেক সেন্টার অনুমোদনহীন

আপডেট সময় ০৮:৪০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রংপুরে ৭০ শতাংশ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টেক সেন্টার অনুমোদনহীন। স্বাস্থ্য সেবার অনিয়ম ও প্রতারণার বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছেন স্থানীয় প্রশাসন। গত এক সপ্তাহে একাধিক ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতারসহ কমপক্ষে ১০ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার ৪ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে রংপুর নগরীর ধাপ এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহানের নেতৃত্ব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা ও সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিরা ছিলেন। অভিযানে আপডেট ক্লিনিক, ল্যাব এইড ডায়েগনস্টিক সেন্টার, রোজ হাসপাতাল ও ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মৌখিকভাবে সর্তক করা হয়।

শনিবার নগরীর ধাপে অনুমোদনহীন ২টি ক্লিনিককে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় মা-বাবা হাসপাতালের মালিক খলিলুর রহমানকে গ্রেফতারসহ ৩টি ক্লিনিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সিভিল সার্জন অফিসের কোন অনুমোদন না থাকা, মৃত চিকিৎসকদের নামে চিকিৎসাপত্র দেয়াসহ চিকিৎসক না থাকায় প্রতিষ্ঠানে মালিক মো. খলিলুর রহমান সোহেলকে ২০ হাজার টাকা জরিমান ও ১ মাসের জেল দেয়া হয়। সেই সাথে ক্লিনিকটি সিলগালা করে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এরপর অনুমোদনহীন পপুলার জেনারেল হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ডিউটি চিকিৎসক না থাকা, বিকল্প বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা না থাকায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ হাসপাতালটি সিলগালা করা হয়। এদিকে অনুমোদন অপেক্ষামান থাকা স্বত্বেও চিকিৎসা প্রদানের দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতালকে।

এর অগে মাধ্যমিক পাশ না করেই রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং সোবা হাসপাতাল নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি প্রতিদিনই নিয়মিত রোগী দেখতেন এবং ব্যবস্থাপত্র দিতেন। এভাবেই দীর্ঘদিন থেকে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহান জানান, জেলা প্রশাসনের আওতায় নিবন্ধনহীন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর থেকে শোনা যাচ্ছে ৭০ শতাংশ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধন নেই। তারা রোগীদের সাথে প্রতারণা ও হয়রানি করে আসছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।