ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণের গ্যারান্টি ২ হাজার কোটি টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্যাকেজের ঋণ দিতে ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম বা ঋণ নিশ্চয়তা স্কিম নামে একটি নীতিমালা তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এর আকার হবে ২ হাজার কোটি টাকা। তবে এর আওতায় ব্যাংকগুলোকে ৮ হাজার ৩২০ কোটি টাকা ঋণ গ্যারান্টি দিতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই নীতিমালা অনুমোদন হয়। প্রতিবেশী ভারতেও ক্ষুদ্র ঋণে নিশ্চয়তা দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর ফলে প্রণোদনার ১ লাখ ২০ হাজার কোটি রুপির প্রায় অর্ধেক বিতরণ করে ফেলেছে ভারতের ব্যাংকগুলো। তবে বাংলাদেশে এসএমই খাতের ২০ হাজার কোটি টাকা তহবিলের ৫০০ কোটি টাকাও বিতরণ হয়নি।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম রাতে  বলেন, কুটির ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে ব্যাংকগুলো যাতে অনীহা না দেখায়, এ জন্যই এই উদ্যোগ। এর ফলে গ্যারান্টি থাকা ঋণ খারাপ হয়ে গেলেও ব্যাংকগুলো ক্ষতিপূরণ পাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন হওয়া নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের বেশি, তারা এই সুবিধা পাবে না। ফলে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের পাশাপাশি বেসরকারি অনেক ব্যাংকও এ সুবিধার বাইরে থাকবে।

ব্যাংকগুলো কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নতুন করে যেসব ঋণ দেবে, তার বিপরীতে নিশ্চয়তা নিতে পারবে। এ জন্য প্রথম বছরে ১ শতাংশ হারে গ্যারান্টি মাশুল দিতে হবে। পরের বছরগুলোয় ৫ শতাংশের নিচে খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকগুলো দশমিক ৫ শতাংশ হারে মাশুল দেবে। এর বেশি খেলাপি থাকা ব্যাংক মাশুল দেবে দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে।

নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব ঋণে নিশ্চয়তা দেয়া হবে, ওই ঋণের ওপর নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে হবে না। শুধু নতুন ঋণেই এই নিশ্চয়তা দেয়া হবে। নিশ্চয়তা থাকা কোনো ঋণ আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে এলে পুরো টাকা ফেরত দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সরকার কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) খাতের জন্য যে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল, এই খাতের প্রণোদনার ঋণে নিশ্চয়তার মেয়াদ হবে ৩ বছর। প্রণোদনার বাইরে ঋণে নিশ্চয়তার মেয়াদ হবে ৫ বছর।

সিএমএসএমই খাতের প্রতিষ্ঠানকে চলতি মূলধন জোগান দিতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। এতে উদ্যোক্তাদের সুদ সাড়ে ৪ শতাংশ। তবে ব্যাংকগুলো সিএমএসএমই খাতে ঋণ দিতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তবে ঋণে নিশ্চয়তা দেয়ার উদ্যোগ এই খাতে ঋণ বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণের গ্যারান্টি ২ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৩:১৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্যাকেজের ঋণ দিতে ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম বা ঋণ নিশ্চয়তা স্কিম নামে একটি নীতিমালা তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এর আকার হবে ২ হাজার কোটি টাকা। তবে এর আওতায় ব্যাংকগুলোকে ৮ হাজার ৩২০ কোটি টাকা ঋণ গ্যারান্টি দিতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই নীতিমালা অনুমোদন হয়। প্রতিবেশী ভারতেও ক্ষুদ্র ঋণে নিশ্চয়তা দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর ফলে প্রণোদনার ১ লাখ ২০ হাজার কোটি রুপির প্রায় অর্ধেক বিতরণ করে ফেলেছে ভারতের ব্যাংকগুলো। তবে বাংলাদেশে এসএমই খাতের ২০ হাজার কোটি টাকা তহবিলের ৫০০ কোটি টাকাও বিতরণ হয়নি।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম রাতে  বলেন, কুটির ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে ব্যাংকগুলো যাতে অনীহা না দেখায়, এ জন্যই এই উদ্যোগ। এর ফলে গ্যারান্টি থাকা ঋণ খারাপ হয়ে গেলেও ব্যাংকগুলো ক্ষতিপূরণ পাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন হওয়া নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের বেশি, তারা এই সুবিধা পাবে না। ফলে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের পাশাপাশি বেসরকারি অনেক ব্যাংকও এ সুবিধার বাইরে থাকবে।

ব্যাংকগুলো কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নতুন করে যেসব ঋণ দেবে, তার বিপরীতে নিশ্চয়তা নিতে পারবে। এ জন্য প্রথম বছরে ১ শতাংশ হারে গ্যারান্টি মাশুল দিতে হবে। পরের বছরগুলোয় ৫ শতাংশের নিচে খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকগুলো দশমিক ৫ শতাংশ হারে মাশুল দেবে। এর বেশি খেলাপি থাকা ব্যাংক মাশুল দেবে দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে।

নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব ঋণে নিশ্চয়তা দেয়া হবে, ওই ঋণের ওপর নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে হবে না। শুধু নতুন ঋণেই এই নিশ্চয়তা দেয়া হবে। নিশ্চয়তা থাকা কোনো ঋণ আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে এলে পুরো টাকা ফেরত দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সরকার কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) খাতের জন্য যে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল, এই খাতের প্রণোদনার ঋণে নিশ্চয়তার মেয়াদ হবে ৩ বছর। প্রণোদনার বাইরে ঋণে নিশ্চয়তার মেয়াদ হবে ৫ বছর।

সিএমএসএমই খাতের প্রতিষ্ঠানকে চলতি মূলধন জোগান দিতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। এতে উদ্যোক্তাদের সুদ সাড়ে ৪ শতাংশ। তবে ব্যাংকগুলো সিএমএসএমই খাতে ঋণ দিতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তবে ঋণে নিশ্চয়তা দেয়ার উদ্যোগ এই খাতে ঋণ বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।