ঢাকা ১১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মিশর-সুদানের বিরোধিতা সত্ত্বেও নীল নদের পানিতে ইথিওপিয়ার নিয়ন্ত্রণ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

কোনো চুক্তি ছাড়াই নীল নদের ওপর স্থাপিত বিতর্কিত জল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পানি নেয়া শুরু করেছে ইথিওপিয়া। এ নিয়ে মিশর ও সুদানের সঙ্গে বিরোধ আরও চরম আকার ধারণ করতে যাচ্ছে দেশটির।

বুধবার নীল নদ থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পানি প্রত্যাহার করা শুরু করেছে ইথিওপিয়া। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বিশাল জলাধারটিতে ভরা হচ্ছে এই পানি। ইথিওপিয়ার পানি মন্ত্রী সেলেশি বেকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্যাটেলাইট চিত্রেও দেখা যাচ্ছে, জলাধারের পানির স্তর বাড়তে শুরু করেছে।

নীল নদের ওপরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের শুরু থেকেই বিরোধিতা করে আসছে মিশর ও সুদান। এদিকে কোনো ধরনের চুক্তি ছাড়া নীল নদের ওপর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও চালু করার ব্যাপারে সতর্ক করেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ শোউকরি।
১৯২৯ সালের একটি চুক্তি এবং পরবর্তীতে ১৯৫৯ সালের আরেকটি চুক্তিতে মিসর এবং সুদানকে নীল নদের পানির প্রায় সমস্ত অধিকার দেয়া হয়। যদিও পুরোনো এসব আইন মানতে ইচ্ছুক নয় ইথিওপিয়া, কারণ তাদের ব্লু নীলের পানি নীল নদে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে।

এদিকে মিসরের দুশ্চিন্তা হলো, নীল নদে যদি পানি প্রবাহ কমে যায়, তাহলে সেটি লেক নাসেরকে প্রভাবিত করবে। যার ফলে মিশরের আসওয়ান বাঁধে পানির প্রবাহ কমে যাবে, যেখান থেকে মিশরের বেশিরভাগ বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

এ ছাড়া এই বাঁধের কারণে নীল নদের পানির প্রবাহ যদি অনেক কমে যায়, তাহলে সেটি মিসরের নদীপথে পরিবহন ব্যবস্থাকেও হুমকির মুখে ফেলবে এবং কৃষকদের কৃষি ও পশুপালনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মিশর-সুদানের বিরোধিতা সত্ত্বেও নীল নদের পানিতে ইথিওপিয়ার নিয়ন্ত্রণ

আপডেট সময় ০১:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

কোনো চুক্তি ছাড়াই নীল নদের ওপর স্থাপিত বিতর্কিত জল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পানি নেয়া শুরু করেছে ইথিওপিয়া। এ নিয়ে মিশর ও সুদানের সঙ্গে বিরোধ আরও চরম আকার ধারণ করতে যাচ্ছে দেশটির।

বুধবার নীল নদ থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পানি প্রত্যাহার করা শুরু করেছে ইথিওপিয়া। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বিশাল জলাধারটিতে ভরা হচ্ছে এই পানি। ইথিওপিয়ার পানি মন্ত্রী সেলেশি বেকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্যাটেলাইট চিত্রেও দেখা যাচ্ছে, জলাধারের পানির স্তর বাড়তে শুরু করেছে।

নীল নদের ওপরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের শুরু থেকেই বিরোধিতা করে আসছে মিশর ও সুদান। এদিকে কোনো ধরনের চুক্তি ছাড়া নীল নদের ওপর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও চালু করার ব্যাপারে সতর্ক করেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ শোউকরি।
১৯২৯ সালের একটি চুক্তি এবং পরবর্তীতে ১৯৫৯ সালের আরেকটি চুক্তিতে মিসর এবং সুদানকে নীল নদের পানির প্রায় সমস্ত অধিকার দেয়া হয়। যদিও পুরোনো এসব আইন মানতে ইচ্ছুক নয় ইথিওপিয়া, কারণ তাদের ব্লু নীলের পানি নীল নদে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে।

এদিকে মিসরের দুশ্চিন্তা হলো, নীল নদে যদি পানি প্রবাহ কমে যায়, তাহলে সেটি লেক নাসেরকে প্রভাবিত করবে। যার ফলে মিশরের আসওয়ান বাঁধে পানির প্রবাহ কমে যাবে, যেখান থেকে মিশরের বেশিরভাগ বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

এ ছাড়া এই বাঁধের কারণে নীল নদের পানির প্রবাহ যদি অনেক কমে যায়, তাহলে সেটি মিসরের নদীপথে পরিবহন ব্যবস্থাকেও হুমকির মুখে ফেলবে এবং কৃষকদের কৃষি ও পশুপালনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।