ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

ফাহিমের ছিন্নভিন্ন দেহের পাশেই ছিল বৈদ্যুতিক করাত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাংলাদেশি রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম পাঠাওয়ের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে খুন হয়েছেন।

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, ফাহিমের মরদেহ তার বাসা থেকে গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে উদ্ধার করা হয়।

ফাহিমের হাত-পা ও মাথা তার শরীর থেকে আলাদা ছিলো। আর তার মরদেহের পাশেই পাওয়া গেছে একটি বৈদ্যুতিক করাত।

পুলিশ জানিয়েছে, যে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ফাহিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, গত বছর দুই দশমিক ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে তা কিনেছিলেন ৩৩ বছর বয়সী ওয়েব ডেভেলপার।

যুক্তরাষ্ট্রের বেন্টলি ইউনিভার্সিটিতে ইনফরমেশন সিস্টেমে পড়াশোনা করেছেন ফাহিম। পরে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে বসবাস শুরু করেন। পাঠাওয়ের এই সহ-প্রতিষ্ঠাতা নাইজেরিয়া ও কলম্বিয়াতেও এমন আরও দুটি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ কোম্পানির মালিক।

নিউইয়র্ক পুলিশের মুখপাত্র কার্লোস নিয়েভাস বলেছেন, শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাওয়া গেছে। তবে কিভাবে সেগুলো উদ্ধার হয়েছে, সে ব্যাপারে এখনই কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

তবে তিনি বলেছেন, আমরা দেহ উদ্ধার করেছি। মাথা, হাত ও পা আলাদা করা ছিলো। ঘটনাস্থলেই সব অঙ্গ পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত হত্যার রহস্য জানা যায়নি।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন গোয়েন্দারা।

পুলিশ জানিয়েছে, ফাহিমের বোন ৯১১ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। একদিন পার হয়ে গেলেও ভাইয়ের দেখা না পেয়ে তিনি ৯১১ নম্বরে ফোন করেন।

পুলিশ ধারণা করছে, সিসিটিভি ক্যামেরার সূত্র ধরে অপরাধীকে শনাক্ত করা যাবে।

ভিডিওতে দেখা যায়, সোমবার (১৩ জুলাই) এক ব্যক্তি স্যুট, হাতে মোজা, মাথায় হ্যাট ও মুখে মাস্ক পরে ফাহিমের অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করছেন।

পুলিশ বলছে, শিকার হাতের নাগালে আসতেই ওই লোক কাবু করে ফেলেছে। তার সঙ্গে স্যুটকেস ছিল। তিনি একেবারেই পেশাদার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

ফাহিমের ছিন্নভিন্ন দেহের পাশেই ছিল বৈদ্যুতিক করাত

আপডেট সময় ০১:৫২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাংলাদেশি রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম পাঠাওয়ের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনে খুন হয়েছেন।

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, ফাহিমের মরদেহ তার বাসা থেকে গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে উদ্ধার করা হয়।

ফাহিমের হাত-পা ও মাথা তার শরীর থেকে আলাদা ছিলো। আর তার মরদেহের পাশেই পাওয়া গেছে একটি বৈদ্যুতিক করাত।

পুলিশ জানিয়েছে, যে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ফাহিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, গত বছর দুই দশমিক ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে তা কিনেছিলেন ৩৩ বছর বয়সী ওয়েব ডেভেলপার।

যুক্তরাষ্ট্রের বেন্টলি ইউনিভার্সিটিতে ইনফরমেশন সিস্টেমে পড়াশোনা করেছেন ফাহিম। পরে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে বসবাস শুরু করেন। পাঠাওয়ের এই সহ-প্রতিষ্ঠাতা নাইজেরিয়া ও কলম্বিয়াতেও এমন আরও দুটি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ কোম্পানির মালিক।

নিউইয়র্ক পুলিশের মুখপাত্র কার্লোস নিয়েভাস বলেছেন, শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাওয়া গেছে। তবে কিভাবে সেগুলো উদ্ধার হয়েছে, সে ব্যাপারে এখনই কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

তবে তিনি বলেছেন, আমরা দেহ উদ্ধার করেছি। মাথা, হাত ও পা আলাদা করা ছিলো। ঘটনাস্থলেই সব অঙ্গ পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত হত্যার রহস্য জানা যায়নি।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন গোয়েন্দারা।

পুলিশ জানিয়েছে, ফাহিমের বোন ৯১১ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। একদিন পার হয়ে গেলেও ভাইয়ের দেখা না পেয়ে তিনি ৯১১ নম্বরে ফোন করেন।

পুলিশ ধারণা করছে, সিসিটিভি ক্যামেরার সূত্র ধরে অপরাধীকে শনাক্ত করা যাবে।

ভিডিওতে দেখা যায়, সোমবার (১৩ জুলাই) এক ব্যক্তি স্যুট, হাতে মোজা, মাথায় হ্যাট ও মুখে মাস্ক পরে ফাহিমের অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করছেন।

পুলিশ বলছে, শিকার হাতের নাগালে আসতেই ওই লোক কাবু করে ফেলেছে। তার সঙ্গে স্যুটকেস ছিল। তিনি একেবারেই পেশাদার।