ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ অনিবন্ধিত সাংবাদিকরাই সোস্যাল মিডিয়ায় মিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী রক্তের শর্করা কমাবে ডায়াবেটিসের নতুন ইনজেকশন লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর আরও ‘নিখুঁত’ হামলার আহ্বান ট্রাম্পের উচ্চশিক্ষাকে দক্ষতানির্ভর ও কর্মমুখী করতে নতুন শিক্ষাকাঠামোর উদ্যোগ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে: ড. হামিদুর দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণে নতুন উদ্যোগ, ফ্ল্যাট কেনা সহজ হবে মধ্যবিত্তদের পরমাণু অস্ত্র কখনোই ছাড়বে না উত্তর কোরিয়া, কিমের বোনের ঘোষণা গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা সরকারে আসার ঝুঁকি এতটা ভয়াবহ হবে ভাবিনি: ফারুকী

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে ১৪ হাজার কর্মসংস্থান হবে: পলক

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

সরকার প্রায় ১৪ হাজার কর্মসংস্থার সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক নির্মাণ করছে। সরকার দেশব্যাপী মোট ২৮টি হাইটেক ও সফটওয়ার প্রযুক্তি পার্ক নির্মাণ করতে যাচ্ছে। ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে রাজশাহীতে এক সমাবেশে এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এই হাই- টেক পার্ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ২৮১ দশমিক ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক, রাজশাহী’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করবে। ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনীতি পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন করে।’

এখন আমরা তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছি এবং এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে আমরা প্রায় ১৪ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারব বলে আশা করছি। এই পার্কে আইটি ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মধ্যদিয়ে রাজশাহী একটি ডিজিটাল অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই পার্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্প পরিচালক একেএএম ফজলুল হক বলেন, ‘রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই- টেক পার্কের কাজ পুর্ণদ্যমে চলছে। প্রথম পর্যায়ে প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩১ দশমিক ৬৩ একর জায়গার চারপাশে সীমানা প্রাচীরের পাশাপাশি পাঁচতলা বিশিষ্ট মূল কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাসে দশতলা মাল্টি টেন্যান্ট বিল্ডিং (এমটিবি)সহ বিভিন্ন কাজ ও পুরো প্রকল্প এলাকার জমি ভরাটসহ বিভিন্ন কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করব।’

ফজলুল হক বলেন, ‘২০১৬ সালের জুলাই মাসে আমরা প্রকল্পটি শুরু করি। ২০১৯ সালের জুন মাসে এটি সম্পন্ন হবে। মাননীয় প্রধামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমরা প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে পার্কটির কার্যক্রম শুরু করতে সমর্থ হব বলে আমরা আশা করছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে ১৪ হাজার কর্মসংস্থান হবে: পলক

আপডেট সময় ০১:০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

সরকার প্রায় ১৪ হাজার কর্মসংস্থার সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক নির্মাণ করছে। সরকার দেশব্যাপী মোট ২৮টি হাইটেক ও সফটওয়ার প্রযুক্তি পার্ক নির্মাণ করতে যাচ্ছে। ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে রাজশাহীতে এক সমাবেশে এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এই হাই- টেক পার্ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ২৮১ দশমিক ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক, রাজশাহী’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করবে। ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনীতি পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন করে।’

এখন আমরা তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছি এবং এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে আমরা প্রায় ১৪ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারব বলে আশা করছি। এই পার্কে আইটি ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মধ্যদিয়ে রাজশাহী একটি ডিজিটাল অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই পার্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্প পরিচালক একেএএম ফজলুল হক বলেন, ‘রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই- টেক পার্কের কাজ পুর্ণদ্যমে চলছে। প্রথম পর্যায়ে প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩১ দশমিক ৬৩ একর জায়গার চারপাশে সীমানা প্রাচীরের পাশাপাশি পাঁচতলা বিশিষ্ট মূল কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাসে দশতলা মাল্টি টেন্যান্ট বিল্ডিং (এমটিবি)সহ বিভিন্ন কাজ ও পুরো প্রকল্প এলাকার জমি ভরাটসহ বিভিন্ন কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করব।’

ফজলুল হক বলেন, ‘২০১৬ সালের জুলাই মাসে আমরা প্রকল্পটি শুরু করি। ২০১৯ সালের জুন মাসে এটি সম্পন্ন হবে। মাননীয় প্রধামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমরা প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে পার্কটির কার্যক্রম শুরু করতে সমর্থ হব বলে আমরা আশা করছি।’