ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প উপজেলা পরিষদে কক্ষ বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা, সংসদে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মা হারা কন্যার বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি, আবেগাপ্লুত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে ১৪ হাজার কর্মসংস্থান হবে: পলক

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

সরকার প্রায় ১৪ হাজার কর্মসংস্থার সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক নির্মাণ করছে। সরকার দেশব্যাপী মোট ২৮টি হাইটেক ও সফটওয়ার প্রযুক্তি পার্ক নির্মাণ করতে যাচ্ছে। ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে রাজশাহীতে এক সমাবেশে এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এই হাই- টেক পার্ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ২৮১ দশমিক ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক, রাজশাহী’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করবে। ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনীতি পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন করে।’

এখন আমরা তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছি এবং এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে আমরা প্রায় ১৪ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারব বলে আশা করছি। এই পার্কে আইটি ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মধ্যদিয়ে রাজশাহী একটি ডিজিটাল অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই পার্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্প পরিচালক একেএএম ফজলুল হক বলেন, ‘রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই- টেক পার্কের কাজ পুর্ণদ্যমে চলছে। প্রথম পর্যায়ে প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩১ দশমিক ৬৩ একর জায়গার চারপাশে সীমানা প্রাচীরের পাশাপাশি পাঁচতলা বিশিষ্ট মূল কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাসে দশতলা মাল্টি টেন্যান্ট বিল্ডিং (এমটিবি)সহ বিভিন্ন কাজ ও পুরো প্রকল্প এলাকার জমি ভরাটসহ বিভিন্ন কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করব।’

ফজলুল হক বলেন, ‘২০১৬ সালের জুলাই মাসে আমরা প্রকল্পটি শুরু করি। ২০১৯ সালের জুন মাসে এটি সম্পন্ন হবে। মাননীয় প্রধামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমরা প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে পার্কটির কার্যক্রম শুরু করতে সমর্থ হব বলে আমরা আশা করছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে ১৪ হাজার কর্মসংস্থান হবে: পলক

আপডেট সময় ০১:০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

সরকার প্রায় ১৪ হাজার কর্মসংস্থার সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক নির্মাণ করছে। সরকার দেশব্যাপী মোট ২৮টি হাইটেক ও সফটওয়ার প্রযুক্তি পার্ক নির্মাণ করতে যাচ্ছে। ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে রাজশাহীতে এক সমাবেশে এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এই হাই- টেক পার্ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ২৮১ দশমিক ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক, রাজশাহী’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করবে। ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর জাতীয় অর্থনীতি পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন করে।’

এখন আমরা তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছি এবং এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে আমরা প্রায় ১৪ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারব বলে আশা করছি। এই পার্কে আইটি ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মধ্যদিয়ে রাজশাহী একটি ডিজিটাল অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠবে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই পার্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্প পরিচালক একেএএম ফজলুল হক বলেন, ‘রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই- টেক পার্কের কাজ পুর্ণদ্যমে চলছে। প্রথম পর্যায়ে প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩১ দশমিক ৬৩ একর জায়গার চারপাশে সীমানা প্রাচীরের পাশাপাশি পাঁচতলা বিশিষ্ট মূল কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাসে দশতলা মাল্টি টেন্যান্ট বিল্ডিং (এমটিবি)সহ বিভিন্ন কাজ ও পুরো প্রকল্প এলাকার জমি ভরাটসহ বিভিন্ন কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করব।’

ফজলুল হক বলেন, ‘২০১৬ সালের জুলাই মাসে আমরা প্রকল্পটি শুরু করি। ২০১৯ সালের জুন মাসে এটি সম্পন্ন হবে। মাননীয় প্রধামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমরা প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে পার্কটির কার্যক্রম শুরু করতে সমর্থ হব বলে আমরা আশা করছি।’