ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

করোনার মধ্যে ভর্তি, সাউথ পয়েন্ট স্কুলকে শোকজ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনার মহামারির মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা নেয়ায় ঢাকার সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজকে শোকজ নোটিশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। আগামীকাল সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে স্কুল পরিদর্শকের কাছে শোকজের সুস্পষ্ট জবাব জমা দিতে বলা হয়েছে।

রবিবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও সভাপতিকে এ শোকজ নোটিশ দেয়া হয়।

বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক আবুল মনসুর ভূঞা স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশের বলা হয়, গত ১৮ মার্চ থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের এ দুর্যোগকালে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া সরকারের আদেশ অমান্য করার শামিল। তাই কেন আপনার ও আপনার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না- তার ব্যাখ্যা তলব করা হলো।

নোটিশে ২৯ জুন দুপুর ১২টার মধ্যে স্কুল পরিদর্শকের কাছে শোকজের সুস্পষ্ট জবাব জমা দিতে বলা হয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এবং সভাপতিকে।

প্রসঙ্গত, করোনা মহামারির মধ্যেই ইংরেজি মাধ্যমে শিশুদের ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের মালিবাগ শাখা। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ১৮৯ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। অভিভাবকদের ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে এনে ছোট ছেলেমেয়েদের ভর্তি পরীক্ষায় বসানো হয়।

তবে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি জানতেন না বলে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হামিদা আলী। ঢাকার উত্তরা, বনানী, মিরপুর, মালিবাগ ও বারিধারায় সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সব শাখা মিলিয়ে সাড়ে ১২ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক হাজার ৩০০ শিক্ষক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

করোনার মধ্যে ভর্তি, সাউথ পয়েন্ট স্কুলকে শোকজ

আপডেট সময় ১০:৪১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনার মহামারির মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা নেয়ায় ঢাকার সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজকে শোকজ নোটিশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। আগামীকাল সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে স্কুল পরিদর্শকের কাছে শোকজের সুস্পষ্ট জবাব জমা দিতে বলা হয়েছে।

রবিবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও সভাপতিকে এ শোকজ নোটিশ দেয়া হয়।

বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক আবুল মনসুর ভূঞা স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশের বলা হয়, গত ১৮ মার্চ থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের এ দুর্যোগকালে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া সরকারের আদেশ অমান্য করার শামিল। তাই কেন আপনার ও আপনার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না- তার ব্যাখ্যা তলব করা হলো।

নোটিশে ২৯ জুন দুপুর ১২টার মধ্যে স্কুল পরিদর্শকের কাছে শোকজের সুস্পষ্ট জবাব জমা দিতে বলা হয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এবং সভাপতিকে।

প্রসঙ্গত, করোনা মহামারির মধ্যেই ইংরেজি মাধ্যমে শিশুদের ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের মালিবাগ শাখা। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ১৮৯ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। অভিভাবকদের ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে এনে ছোট ছেলেমেয়েদের ভর্তি পরীক্ষায় বসানো হয়।

তবে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি জানতেন না বলে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হামিদা আলী। ঢাকার উত্তরা, বনানী, মিরপুর, মালিবাগ ও বারিধারায় সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সব শাখা মিলিয়ে সাড়ে ১২ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক হাজার ৩০০ শিক্ষক।