ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনা নিয়ে চালকদের আলাপকালে বিধ্বস্ত হয় পাকিস্তানি প্লেনটি!

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

গত মাসের ২২ তারিখে পাকিস্তানের একটি যাত্রীবাহী প্লেন বিধ্বস্ত হয়ে ৯৭ জন প্রাণ হারান। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নয়, কো-পাইলটের সঙ্গে করোনা নিয়ে আলাপকালে পাইলটের ভুলে ওই প্লেনটি বিধ্বস্ত হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

বুধবার (২৪ জুন) এ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর থেকে এ তথ্য জানা যায়।

খবরে বলা হয়, মে মাসের ২২ তারিখে করাচি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের প্লেনটি বিধ্বস্ত হয়। দুইজন বাদে প্লেনটির বাকি সব আরোহী তাতে প্রাণ হারান।

পার্লামেন্টে ওই দুর্ঘটনা বিষয়ক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে জানাতে গিয়ে পাকিস্তানের বিমানমন্ত্রী গুলাম সারওয়ার খান বলেন, প্লেনটির পাইলট ও নিয়ন্ত্রক উড্ডয়নকালীন বিধিনিষেধ যথাযথভাবে পালন করেননি।

পাইলটেরা দুর্ঘটনার সময় করোনা মহামারি প্রসঙ্গে কথা বলছিলেন বলে জানান গুলাম সারওয়ার। তিনি বলেন, করোনা নিয়ে আলাপ আলোচনার মধ্যে থাকায় পাইলট ও কো পাইলট প্লেনটির অবতরণকালে যথাযথভাবে মনোযোগী ছিলেন না। তাদের পুরো আলাপের বিষয়বস্তুই ছিল করোনা মহামারি।

প্লেন দুর্ঘটনা তদন্তে গঠিত দলে ফরাসী সরকারের প্রতিনিধিও ছিলেন। তারা বিধ্বস্ত প্লেনের নানা তথ্যউপাত্ত ও ভয়েস রেকর্ডার বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক এ প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

পাকিস্তানের বিমানমন্ত্রী বলেন, প্লেনটি উড্ডয়নের জন্য শতভাগ উপযুক্ত ছিল। এর কোনো রকম যান্ত্রিক ত্রুটি পাওয়া যায়নি।

করোনা পরিস্থিতিতে পাকিস্তানে দুই মাসের দীর্ঘ লকডাউন শেষে পুনরায় বিমান চলাচল শুরু করার পর দ্বিতীয় দিনেই ওই দুর্ঘটনা ঘটে। বিগত ৮ বছরের মধ্যে এটিই পাকিস্তানে সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্লেন দুর্ঘটনা।

প্লেনটির অনেক যাত্রীই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপনের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, দুর্ঘটনার ফলে পথেই তারা প্রাণ হারান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

করোনা নিয়ে চালকদের আলাপকালে বিধ্বস্ত হয় পাকিস্তানি প্লেনটি!

আপডেট সময় ০৬:২৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

গত মাসের ২২ তারিখে পাকিস্তানের একটি যাত্রীবাহী প্লেন বিধ্বস্ত হয়ে ৯৭ জন প্রাণ হারান। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নয়, কো-পাইলটের সঙ্গে করোনা নিয়ে আলাপকালে পাইলটের ভুলে ওই প্লেনটি বিধ্বস্ত হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

বুধবার (২৪ জুন) এ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবর থেকে এ তথ্য জানা যায়।

খবরে বলা হয়, মে মাসের ২২ তারিখে করাচি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের প্লেনটি বিধ্বস্ত হয়। দুইজন বাদে প্লেনটির বাকি সব আরোহী তাতে প্রাণ হারান।

পার্লামেন্টে ওই দুর্ঘটনা বিষয়ক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে জানাতে গিয়ে পাকিস্তানের বিমানমন্ত্রী গুলাম সারওয়ার খান বলেন, প্লেনটির পাইলট ও নিয়ন্ত্রক উড্ডয়নকালীন বিধিনিষেধ যথাযথভাবে পালন করেননি।

পাইলটেরা দুর্ঘটনার সময় করোনা মহামারি প্রসঙ্গে কথা বলছিলেন বলে জানান গুলাম সারওয়ার। তিনি বলেন, করোনা নিয়ে আলাপ আলোচনার মধ্যে থাকায় পাইলট ও কো পাইলট প্লেনটির অবতরণকালে যথাযথভাবে মনোযোগী ছিলেন না। তাদের পুরো আলাপের বিষয়বস্তুই ছিল করোনা মহামারি।

প্লেন দুর্ঘটনা তদন্তে গঠিত দলে ফরাসী সরকারের প্রতিনিধিও ছিলেন। তারা বিধ্বস্ত প্লেনের নানা তথ্যউপাত্ত ও ভয়েস রেকর্ডার বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক এ প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

পাকিস্তানের বিমানমন্ত্রী বলেন, প্লেনটি উড্ডয়নের জন্য শতভাগ উপযুক্ত ছিল। এর কোনো রকম যান্ত্রিক ত্রুটি পাওয়া যায়নি।

করোনা পরিস্থিতিতে পাকিস্তানে দুই মাসের দীর্ঘ লকডাউন শেষে পুনরায় বিমান চলাচল শুরু করার পর দ্বিতীয় দিনেই ওই দুর্ঘটনা ঘটে। বিগত ৮ বছরের মধ্যে এটিই পাকিস্তানে সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্লেন দুর্ঘটনা।

প্লেনটির অনেক যাত্রীই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপনের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, দুর্ঘটনার ফলে পথেই তারা প্রাণ হারান।