ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত থেকে বের হয়ে এনসিপি স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে নতুন বন্দোবস্তের আশা পুরোপুরি শেষ: রাশেদ ২৫ হজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী জয়পুরহাট সীমান্তে তিনজনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় পণ্ড মেয়েকে হত্যা করে বস্তাবন্দি করলেন বাবা-মা, নেপথ্যে ‘একাধিক ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক’ বালুর ব্যবসা বন্ধ করেছি, এবার পাহাড় কাটাও বন্ধ করব: হুমাম খুলনার তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, মেয়েকে হত্যার বর্ণনা দিলেন মা ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা যুক্তরাজ্যের হবু প্রধানমন্ত্রীর জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ইরানের দিকে ১ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র তাক করা আছে: ট্রাম্প

এমপি হারুনের প্রশ্নের জবাব দেয়ার জন্য আমি একাই যথেষ্ট: ডেপুটি স্পিকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিএনপির হারুন অর রশিদকে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার জন্য ১২ মিনিট সময় দেয়া হয়। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে হারুন অর রশিদ চলমান করোনা পরিস্থিতিতে দেশের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে মানুষ বাঁচানোর স্বার্থে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার প্রস্তাব করেন। এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান। সংসদে তারেক রহমানের প্রসঙ্গ ওঠায় সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা সবাই তার প্রতিবাদ করেন। সংসদে হইচই করেন।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া সভাপতিত্ত্ব করছিলেন। তিনিও তর্কবিতর্কে যোগ দেন। পরে হারুন কথা বলার সুযোগ না দেয়ার অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন।

এরই মধ্যে হারুন অর রশিদের নির্ধারিত ১২ মিনিট শেষ হয়ে যায়। তবে তিনি না বসে বক্তব্য অব্যাহত রাখেন এবং সময় বাড়িয়ে দেয়ার জন্য ডেপুটি স্পিকারের কাছে আবেদন করেন। ডেপুটি স্পিকার তাকে সময় বাড়িয়ে দেননি। এর প্রতিবাদ করে হারুন অর রশিদ সংসদ কক্ষ ত্যাগ করতে উদ্যত হলে ডেপুটি স্পিকার তাকে অনুরোধ করে বসতে বলেন।

এ পর্যায়ে হারুন তার চেয়ারে বসলে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, আপনি জাতীয় ঐক্যের কথা বলেছেন– এটি সুন্দর প্রস্তাব। কিন্তু আপনি এমন দুজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন, যাদের কথা আমি সংসদের এই চেয়ারে বসে উচ্চারণ করতে চাই না। একটি নির্বাচিত সরকার কোনো কনভিক্টেড (দণ্ডিত) ব্যক্তির সঙ্গে ঐক্য করতে পারে না।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার বিএনপির এই এমপি কিছু অসংসদীয় কথা তার বক্তব্যে বলেছেন উল্লেখ করে সংসদে প্রতিদিনের কার্যবিবরণী থেকে তা বাদ দেয়ার ঘোষণা দেন। স্পিকারের বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে এমপি হারুনকে বাজেটের ওপর আর ১ মিনিট বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। এ সময় হারুন ফ্লোর নিয়ে বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

ডেপুটি স্পিকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আপনি সময় বাড়িয়ে দেননি। সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলার পর আপনি ১ মিনিট সময় বাড়িয়েছেন। আমি আর বক্তব্য দেব না। আপনি আমার বক্তব্যে ইন্টারাপ্ট (বিঘ্ন ঘটানো) করেছেন। এর প্রতিবাদে আমি সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি। এর সঙ্গে সঙ্গেই হারুন কক্ষ ত্যাগ করেন।

বিএনপির সংসদ সদস্য ওয়াকআউট করে চলে যাওয়ার পর পরই ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া সংসদকে উদ্দেশ করে বলেন, উনার (হারুনের) প্রশ্নের জবাব দেয়ার জন্য আমি একাই যথেষ্ট। সংসদে কোনো সদস্য অসংসদীয় বক্তব্য দিলে আমি অবশ্যই তা ইন্টারাপ্ট করব। এটি সরকারি দলের কেউ দিলেও করব, বিরোধী দলের কেউ দিলেও করব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত থেকে বের হয়ে এনসিপি স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে নতুন বন্দোবস্তের আশা পুরোপুরি শেষ: রাশেদ

এমপি হারুনের প্রশ্নের জবাব দেয়ার জন্য আমি একাই যথেষ্ট: ডেপুটি স্পিকার

আপডেট সময় ১২:০৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিএনপির হারুন অর রশিদকে ২০২০-২১ অর্থবছরে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার জন্য ১২ মিনিট সময় দেয়া হয়। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে হারুন অর রশিদ চলমান করোনা পরিস্থিতিতে দেশের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে মানুষ বাঁচানোর স্বার্থে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার প্রস্তাব করেন। এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ তুলে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান। সংসদে তারেক রহমানের প্রসঙ্গ ওঠায় সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা সবাই তার প্রতিবাদ করেন। সংসদে হইচই করেন।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া সভাপতিত্ত্ব করছিলেন। তিনিও তর্কবিতর্কে যোগ দেন। পরে হারুন কথা বলার সুযোগ না দেয়ার অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন।

এরই মধ্যে হারুন অর রশিদের নির্ধারিত ১২ মিনিট শেষ হয়ে যায়। তবে তিনি না বসে বক্তব্য অব্যাহত রাখেন এবং সময় বাড়িয়ে দেয়ার জন্য ডেপুটি স্পিকারের কাছে আবেদন করেন। ডেপুটি স্পিকার তাকে সময় বাড়িয়ে দেননি। এর প্রতিবাদ করে হারুন অর রশিদ সংসদ কক্ষ ত্যাগ করতে উদ্যত হলে ডেপুটি স্পিকার তাকে অনুরোধ করে বসতে বলেন।

এ পর্যায়ে হারুন তার চেয়ারে বসলে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, আপনি জাতীয় ঐক্যের কথা বলেছেন– এটি সুন্দর প্রস্তাব। কিন্তু আপনি এমন দুজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন, যাদের কথা আমি সংসদের এই চেয়ারে বসে উচ্চারণ করতে চাই না। একটি নির্বাচিত সরকার কোনো কনভিক্টেড (দণ্ডিত) ব্যক্তির সঙ্গে ঐক্য করতে পারে না।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার বিএনপির এই এমপি কিছু অসংসদীয় কথা তার বক্তব্যে বলেছেন উল্লেখ করে সংসদে প্রতিদিনের কার্যবিবরণী থেকে তা বাদ দেয়ার ঘোষণা দেন। স্পিকারের বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে এমপি হারুনকে বাজেটের ওপর আর ১ মিনিট বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। এ সময় হারুন ফ্লোর নিয়ে বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

ডেপুটি স্পিকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, আপনি সময় বাড়িয়ে দেননি। সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলার পর আপনি ১ মিনিট সময় বাড়িয়েছেন। আমি আর বক্তব্য দেব না। আপনি আমার বক্তব্যে ইন্টারাপ্ট (বিঘ্ন ঘটানো) করেছেন। এর প্রতিবাদে আমি সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি। এর সঙ্গে সঙ্গেই হারুন কক্ষ ত্যাগ করেন।

বিএনপির সংসদ সদস্য ওয়াকআউট করে চলে যাওয়ার পর পরই ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া সংসদকে উদ্দেশ করে বলেন, উনার (হারুনের) প্রশ্নের জবাব দেয়ার জন্য আমি একাই যথেষ্ট। সংসদে কোনো সদস্য অসংসদীয় বক্তব্য দিলে আমি অবশ্যই তা ইন্টারাপ্ট করব। এটি সরকারি দলের কেউ দিলেও করব, বিরোধী দলের কেউ দিলেও করব।