ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের দিকে ঠেলছে: জাতিসংঘে চীনের দূত বৃহস্পতিবার ফটিকছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা ‘গণকবর ও নদীতে ভাসানো শহীদেরা শনাক্ত হলে সংখ্যা ১৪০০ ছাড়াতে পারে’:চিফ প্রসিকিউটর উত্তরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ঢাকা পরিচ্ছন্ন করতে দল-মতহীন ঐক্য চান মির্জা ফখরুল ফারাক্কার চেয়ে বড় মরণফাঁদ হচ্ছে নেতৃত্ব সংস্কারের গুরুত্ব অনুধাবনে ব্যর্থতা মার্কিন হামলায় ইরানের ৭ সেনা নিহত তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, গ্রেফতার ২ পাচার ও চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

মোবাইলের শুল্ক বৃদ্ধিতে সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানার বিস্ময়!

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

নতুন অর্থবছরের (২০২০-২১) প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাবে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। সেই সঙ্গে, তিনি বিষয়টি বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছেন।

শুক্রবার তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন।

তারানা হালিম বলেন, ‘করোনার সময় মোবাইলে কথা বলা, ভিডিও কল, অনলাইনে কাজ করা- এখন যেমন সামাজিক দূরত্ব পরোক্ষভাবে অত্যন্ত কার্যকর। তেমনি মানসিক সুস্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্ন দেশ ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজের সাথে, স্বজনদের সাথে সংযুক্ত থাকতে উৎসাহিত করছে জনগণকে।’

তার দায়িত্বপালনের সময়ের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘উল্লেখ্য যে, আমি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন কলরেট বৃদ্ধিসহ গ্রাহকদের ওপর চাপ পরে এমন কোনো কিছুর সাথে একমত হইনি। কারণ মোবাইল ও ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য ভয়েস ও ডাটা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে মানুষকে আরো উৎসাহিত করার পূর্বশর্ত সাশ্রয়ী মূল্য। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য।’

করোনার এই সংকটের মধ্যে মোবাইল সেবা ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে তারানা হালিম বলেন, ‘বুঝলাম না টেলিকম সার্ভিসকে করোনাকালীন সময়ে অপরিহার্য সেবা বলা হলো, আবার ১০০ টাকা রিচার্জ করলে বাজেটে আগের ২১ টাকার বদলে এখন কেন ২৫ টাকা করা হলো (হিসাব তাই বলে)। বর্তমান মন্ত্রী জনাব মোস্তফা জব্বারের এর প্রতি বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়কে অনুরোধ করার অনুরোধ রইল।’

প্রসঙ্গত, ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত মোবাইল সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অপরদিকে সিম ও রিম কার্ডের ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এতে করে নতুন সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রেও গ্রাহকদের খরচ বাড়বে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের দিকে ঠেলছে: জাতিসংঘে চীনের দূত

মোবাইলের শুল্ক বৃদ্ধিতে সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানার বিস্ময়!

আপডেট সময় ০৯:২২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক : 

নতুন অর্থবছরের (২০২০-২১) প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাবে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। সেই সঙ্গে, তিনি বিষয়টি বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছেন।

শুক্রবার তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন।

তারানা হালিম বলেন, ‘করোনার সময় মোবাইলে কথা বলা, ভিডিও কল, অনলাইনে কাজ করা- এখন যেমন সামাজিক দূরত্ব পরোক্ষভাবে অত্যন্ত কার্যকর। তেমনি মানসিক সুস্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্ন দেশ ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজের সাথে, স্বজনদের সাথে সংযুক্ত থাকতে উৎসাহিত করছে জনগণকে।’

তার দায়িত্বপালনের সময়ের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘উল্লেখ্য যে, আমি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন কলরেট বৃদ্ধিসহ গ্রাহকদের ওপর চাপ পরে এমন কোনো কিছুর সাথে একমত হইনি। কারণ মোবাইল ও ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য ভয়েস ও ডাটা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে মানুষকে আরো উৎসাহিত করার পূর্বশর্ত সাশ্রয়ী মূল্য। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য।’

করোনার এই সংকটের মধ্যে মোবাইল সেবা ওপর সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে তারানা হালিম বলেন, ‘বুঝলাম না টেলিকম সার্ভিসকে করোনাকালীন সময়ে অপরিহার্য সেবা বলা হলো, আবার ১০০ টাকা রিচার্জ করলে বাজেটে আগের ২১ টাকার বদলে এখন কেন ২৫ টাকা করা হলো (হিসাব তাই বলে)। বর্তমান মন্ত্রী জনাব মোস্তফা জব্বারের এর প্রতি বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়কে অনুরোধ করার অনুরোধ রইল।’

প্রসঙ্গত, ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত মোবাইল সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অপরদিকে সিম ও রিম কার্ডের ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এতে করে নতুন সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রেও গ্রাহকদের খরচ বাড়বে।