ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর জুলাই অভ্যুত্থানে পেশাজীবীদের সক্রিয় ভুমিকা ছিল: দুদু ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো: গাজী আতাউর রহমান পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সিদ্ধান্ত বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে: রিজভী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২ সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়াই কেন অনশন ভাঙলেন, জানালেন সোনম ওয়াংচুক সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী গুলশানের ‘গ্রিন ভিলা’য় উঠবেন সাহাবুদ্দিন

ভারতে রেলস্টেশনে মৃত মা’কে জাগাতে শিশুর ব্যর্থ চেষ্টা (ভিডিও)

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

ভারতের একটি রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে মৃত মা’কে ঘুমন্ত মনে করে, তাকে জাগানোর চেষ্টা করছে অবুঝ এক শিশু- এরকম মর্মস্পর্শী একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সোমবার বিহারের মুজাফফরপুর রেলওয়ে স্টেশনে মৃত মা’কে জাগাতে তার চাদর ধরে শিশুটির টানাটানির ওই ভিডিওটি নেটিজেনদের নাড়া দিয়েছে।

কারণ ভিডিওটি দেশটিতে লকডাউনের মধ্যে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করা পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুঃখ দুর্দশার সকরুণ চিত্র তুলে ধরেছে।

রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী যাদবের উপদেষ্টা সঞ্জয় যাদব বুধবার টুইটারে এই ভিডিওটি শেয়ার করে কেন্দ্র ও রাজ্যে ক্ষমতাসীনদের কড়া সমালোচনা করেছেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

ভিডিওতে শিশুটিকে মায়ের শরীরের আশপাশে হাঁটতে ও মাকে ঢেকে রাখা চাদর নিয়ে খেলতে এবং ওই চাদর দিয়ে নিজের মাথা ঢাকার চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

ব্যাকগ্রাউন্ডে শোনা যাচ্ছিল স্টেশনে ট্রেন আসা-যাওয়ার ঘোষণা। এসব ট্রেনে করেই বড় বড় শহর থেকে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছে কাজ হারানো লাখ লাখ শ্রমিক।

ভিডিও শেয়ার করে টুইটটিতে সঞ্জয় বলেছে, ‘ছোট এ শিশুটি জানে না, যে চাদর নিয়ে সে খেলছে তা আসলে তার চিরঘুমে ঢলে পড়া মাকে ঢেকে রাখার কাপড়। চারদিন ট্রেনে থাকা এ মা ক্ষুধা আর তৃষ্ণায় মারা গেছেন। ট্রেনে এসব মৃত্যুর দায়ভার কার? বিরোধীদের এসব নিয়ে কথা বলা কি উচিত নয়?’

তবে পুলিশ বলছে, ভিডিওতে থাকা ৩৫ বছর বয়সী নারীটি খাবার বা পানির অভাবে মারা পড়েননি।

মুজাফফরপুর রেলওয়ে পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট রমাকান্ত উপাধ্যায় জানান, বোন এবং বোনজামাইয়ের সঙ্গে ওই নারী আহমেদাবাদ থেকে মুজাফফরপুর আসার পথে হঠাৎ করেই ট্রেনে মারা যান। তাদের খাবার বা পানির সংকটে পড়তে হয়নি বলে বোনজামাই জানিয়েছেন। আহমেদাবাদে গত এক বছর ধরে ৩৫ বছর বয়সী এ নারীর ‘কিছু অসুখের’ চিকিৎসা চলছিল। তার মানসিক অবস্থাও খানিকটা অস্থিতিশীল ছিল।

মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ময়নাতদন্ত চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

ভারতে রেলস্টেশনে মৃত মা’কে জাগাতে শিশুর ব্যর্থ চেষ্টা (ভিডিও)

আপডেট সময় ০১:২৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

ভারতের একটি রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে মৃত মা’কে ঘুমন্ত মনে করে, তাকে জাগানোর চেষ্টা করছে অবুঝ এক শিশু- এরকম মর্মস্পর্শী একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সোমবার বিহারের মুজাফফরপুর রেলওয়ে স্টেশনে মৃত মা’কে জাগাতে তার চাদর ধরে শিশুটির টানাটানির ওই ভিডিওটি নেটিজেনদের নাড়া দিয়েছে।

কারণ ভিডিওটি দেশটিতে লকডাউনের মধ্যে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করা পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুঃখ দুর্দশার সকরুণ চিত্র তুলে ধরেছে।

রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী যাদবের উপদেষ্টা সঞ্জয় যাদব বুধবার টুইটারে এই ভিডিওটি শেয়ার করে কেন্দ্র ও রাজ্যে ক্ষমতাসীনদের কড়া সমালোচনা করেছেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

ভিডিওতে শিশুটিকে মায়ের শরীরের আশপাশে হাঁটতে ও মাকে ঢেকে রাখা চাদর নিয়ে খেলতে এবং ওই চাদর দিয়ে নিজের মাথা ঢাকার চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

ব্যাকগ্রাউন্ডে শোনা যাচ্ছিল স্টেশনে ট্রেন আসা-যাওয়ার ঘোষণা। এসব ট্রেনে করেই বড় বড় শহর থেকে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছে কাজ হারানো লাখ লাখ শ্রমিক।

ভিডিও শেয়ার করে টুইটটিতে সঞ্জয় বলেছে, ‘ছোট এ শিশুটি জানে না, যে চাদর নিয়ে সে খেলছে তা আসলে তার চিরঘুমে ঢলে পড়া মাকে ঢেকে রাখার কাপড়। চারদিন ট্রেনে থাকা এ মা ক্ষুধা আর তৃষ্ণায় মারা গেছেন। ট্রেনে এসব মৃত্যুর দায়ভার কার? বিরোধীদের এসব নিয়ে কথা বলা কি উচিত নয়?’

তবে পুলিশ বলছে, ভিডিওতে থাকা ৩৫ বছর বয়সী নারীটি খাবার বা পানির অভাবে মারা পড়েননি।

মুজাফফরপুর রেলওয়ে পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট রমাকান্ত উপাধ্যায় জানান, বোন এবং বোনজামাইয়ের সঙ্গে ওই নারী আহমেদাবাদ থেকে মুজাফফরপুর আসার পথে হঠাৎ করেই ট্রেনে মারা যান। তাদের খাবার বা পানির সংকটে পড়তে হয়নি বলে বোনজামাই জানিয়েছেন। আহমেদাবাদে গত এক বছর ধরে ৩৫ বছর বয়সী এ নারীর ‘কিছু অসুখের’ চিকিৎসা চলছিল। তার মানসিক অবস্থাও খানিকটা অস্থিতিশীল ছিল।

মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ময়নাতদন্ত চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।