ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

পরকীয়ায় ধরা পড়ে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে যুবলীগ নেত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীন। পরকীয়ায় ধরা পড়ে ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ২টার দিকে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের উপস্থিতিতে এ বিয়ে পড়ানো হয়।

তার নতুন বর মেহেরপুর সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের আনসারুল হকের ছেলে গোলাম সরোয়ার ওরফে সবুজ। তিনি এক সন্তানের জনক। সবুজের প্রথম স্ত্রী স্কুলশিক্ষক।

জানা গেছে, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের স্বামী শাহাবুদ্দীন আহমেদ প্রায় তিন মাস আগে স্ট্রোক করে মারা যান। এক সন্তানের জননী ফারহানা ইয়াসমীন গাংনী উপজেলা আওয়ামী মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

বিয়েতে ওকালতির দায়িত্বপালন করেন গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) সানোয়ার হোসেন ও ছেলের বাবা আনসারুল হক।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের গাংনী পৌরসভার চৌগাছা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম, গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমানসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।

পরকীয়া প্রেমের কথা অস্বীকার করে প্রথমে ধর্মভাই পরিচয় দিলেও পরে ছেলের মোবাইল রেকর্ডে দুইজনের বিভিন্ন কথোপকথন এবং অসামাজিক ছবি পাওয়া যায়। এরপর ছেলে সব কথা স্বীকার করাই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়।

গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক বলেন, দুইজনের মধ্যে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক থাকায় হাতেনাতে তাদের আটক করে স্থানীয়রা। তাদের কথা শুনে এবং সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিয়ের আয়োজন করেছি আমরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরকীয়ায় ধরা পড়ে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে যুবলীগ নেত্রী

আপডেট সময় ০৫:৩৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীন। পরকীয়ায় ধরা পড়ে ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ২টার দিকে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের উপস্থিতিতে এ বিয়ে পড়ানো হয়।

তার নতুন বর মেহেরপুর সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের আনসারুল হকের ছেলে গোলাম সরোয়ার ওরফে সবুজ। তিনি এক সন্তানের জনক। সবুজের প্রথম স্ত্রী স্কুলশিক্ষক।

জানা গেছে, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের স্বামী শাহাবুদ্দীন আহমেদ প্রায় তিন মাস আগে স্ট্রোক করে মারা যান। এক সন্তানের জননী ফারহানা ইয়াসমীন গাংনী উপজেলা আওয়ামী মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

বিয়েতে ওকালতির দায়িত্বপালন করেন গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) সানোয়ার হোসেন ও ছেলের বাবা আনসারুল হক।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের গাংনী পৌরসভার চৌগাছা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম, গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমানসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।

পরকীয়া প্রেমের কথা অস্বীকার করে প্রথমে ধর্মভাই পরিচয় দিলেও পরে ছেলের মোবাইল রেকর্ডে দুইজনের বিভিন্ন কথোপকথন এবং অসামাজিক ছবি পাওয়া যায়। এরপর ছেলে সব কথা স্বীকার করাই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়।

গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক বলেন, দুইজনের মধ্যে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক থাকায় হাতেনাতে তাদের আটক করে স্থানীয়রা। তাদের কথা শুনে এবং সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিয়ের আয়োজন করেছি আমরা।