ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে কলাবাগানে ফেলে যায় ছেলে উন্নয়নে বৈষম্য করলে প্রয়োজনে বাঘের গর্জন করা হবে: ডা. শফিকুর বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী এক মাসে চার হত্যা, অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা-আগুন শুধু আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না: তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল আলোচনার মধ্যেই গালিবাফ-আরাঘচিকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে ইসরাইল, যেভাবে তাদের রক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে শেড-চেয়ার রাখার নির্দেশ শুরু হয়েছে খামেনির দাফন প্রক্রিয়া, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

খসরুর হোটেলে দুদকের অভিযান, কাগজপত্র জব্দ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মালিকানাধীন হোটেল সারিনার বেশ কিছু কাগজপত্র খতিয়ে দেখতে জব্দ করেছে দুদক। সংস্থাটির তলবকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে খসরুর রিট খারিজের পরদিন মঙ্গলবার এই অভিযান চালানো হয়।

দুদক সূত্র জানায়, রাজধানীর বনানীর এই হোটেলটি থেকে বেশ কিছু কাগজপত্র জব্দ করা হয়। আরও কিছু চাওয়া হয়েছিল। তবে তা দিতে পারেনি হোটেল কর্তৃপক্ষ। পরবর্তী সময়ে সেগুলো দুদক কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এর আগে দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলমের নেতৃত্বে একটি টিম মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে হোটেল সারিনায় অভিযান চালায়। অভিযান চলে বিকাল ৩টা ২০ মিনিট পর্যন্ত।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য ঢাকাটাইমসকে জানান, জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সেখানে লেনদেন, ক্রয়-সংক্রান্ত ও হোটেলটি পরিচালনা কীভাবে হচ্ছে সে সংক্রান্ত বেশ কিছু কাগজপত্র নিয়ে আসা হয়। আরও কিছু তথ্যের বিষয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ সময় চাইলে তাদের সময় দেয়া হয়।

গত ১৩ আগস্ট সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকে হাজির হতে চিঠি দেয়া হয়।

চিঠি সূত্রে জানা যায়, বেনামে পাঁচতারকা হোটেল ব্যবসা, ব্যাংকে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনসহ মানিলন্ডারিং করে বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে আমীর খসরুর বিরুদ্ধে। এছাড়া স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ নিজ নামে শেয়ার কেনাসহ জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগও অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

পরে আমীর খসরুর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ১০ সেপ্টেম্বর হাজির হওয়ার সময় দেয়া হয়। তবে সাবেক এই মন্ত্রীকে দুই দফা তলব করা হলেও দুদকে হাজির হননি। বরং তিনি দুদকের তলবকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। তবে গত রবিবার ওই রিট সরাসরি খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। গতকাল সোমবার চেম্বার বিচারপতি ইমান আলী হাইকোর্টের ওই রায় স্থগিত করেননি। এর ফলে আমীর খসরু মাহমুদকে দুদকে হাজির হতেই হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল

খসরুর হোটেলে দুদকের অভিযান, কাগজপত্র জব্দ

আপডেট সময় ০৯:১৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মালিকানাধীন হোটেল সারিনার বেশ কিছু কাগজপত্র খতিয়ে দেখতে জব্দ করেছে দুদক। সংস্থাটির তলবকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে খসরুর রিট খারিজের পরদিন মঙ্গলবার এই অভিযান চালানো হয়।

দুদক সূত্র জানায়, রাজধানীর বনানীর এই হোটেলটি থেকে বেশ কিছু কাগজপত্র জব্দ করা হয়। আরও কিছু চাওয়া হয়েছিল। তবে তা দিতে পারেনি হোটেল কর্তৃপক্ষ। পরবর্তী সময়ে সেগুলো দুদক কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এর আগে দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলমের নেতৃত্বে একটি টিম মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে হোটেল সারিনায় অভিযান চালায়। অভিযান চলে বিকাল ৩টা ২০ মিনিট পর্যন্ত।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য ঢাকাটাইমসকে জানান, জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সেখানে লেনদেন, ক্রয়-সংক্রান্ত ও হোটেলটি পরিচালনা কীভাবে হচ্ছে সে সংক্রান্ত বেশ কিছু কাগজপত্র নিয়ে আসা হয়। আরও কিছু তথ্যের বিষয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ সময় চাইলে তাদের সময় দেয়া হয়।

গত ১৩ আগস্ট সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকে হাজির হতে চিঠি দেয়া হয়।

চিঠি সূত্রে জানা যায়, বেনামে পাঁচতারকা হোটেল ব্যবসা, ব্যাংকে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনসহ মানিলন্ডারিং করে বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে আমীর খসরুর বিরুদ্ধে। এছাড়া স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ নিজ নামে শেয়ার কেনাসহ জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগও অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

পরে আমীর খসরুর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ১০ সেপ্টেম্বর হাজির হওয়ার সময় দেয়া হয়। তবে সাবেক এই মন্ত্রীকে দুই দফা তলব করা হলেও দুদকে হাজির হননি। বরং তিনি দুদকের তলবকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। তবে গত রবিবার ওই রিট সরাসরি খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। গতকাল সোমবার চেম্বার বিচারপতি ইমান আলী হাইকোর্টের ওই রায় স্থগিত করেননি। এর ফলে আমীর খসরু মাহমুদকে দুদকে হাজির হতেই হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।