ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

শেযারবাজার কেলেঙ্কারি: আইসিবির ৫ কর্মকর্তার নামে ১২ মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

শেয়ারবাজারে কারসাজি করে সাড়ে ৬৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পাঁচ কর্মকর্তাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে ১২টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলাগুলো করেন বলে সোমবার গণমাধ্যমকে জানান দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।

জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি মামলাতেই আইসিবির পাঁচ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন আইসিবির সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) টিপু সুলতান ফারাজি, তিন সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. এহিয়া মণ্ডল, মো. সামছুল আলম আকন্দ ও শরিফুল আনাম এবং সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ধনঞ্জয় কুমার মজুমদার।

অন্য আসামিরা হলেন- আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সামাদ ও তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার, তেজগাঁও স্টাফ কোয়ার্টারের এ কে এম রেজাউল হক ও তার স্ত্রী পাপিয়া সুলতানা, মোহাম্মদপুর খিলজী রোডের লাইলা নুর, গ্রিন রোডের কাজী মাহমুদুল হাসান, মনিপুরিপাড়ার এ কে এম আতিকুজ্জামান, গুলশানের শেখ মেজবাহ উদ্দিন ও তার মেয়ে শিমা আক্তার এবং শ্যামলীবাগের বুলবুল আক্তার।

এসব মামলার এজাহারে বলা হয়, আইসিবির সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের (আইএসটিসিএল) কিছু কর্মকর্তা গ্রাহককে অনিয়মের মাধ্যমে লেনদেনের সুযোগ করে দিয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ করেন। ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে পুঁজিবাজারে এসব কারসাজি ঘটে।

প্রণব কুমার জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের শেষ দিকে এ ব্যাপারে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানে আইসিবির বেশ কিছু কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়। ৬৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলে অনুসন্ধানে।

এর আগে গত ৩০ আগস্ট ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালের পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির ঘটনায় ৩ কোটি ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯০৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আইসিবির সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) টিপু সুলতান ফারাজি, সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. এহিয়া মণ্ডল, মোহাম্মদ সামছুল আলম, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ধনঞ্জয় কুমার মজুমদার, আইএফআইসি ব্যাংকের পল্লবী শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবদুস সামাদ ও ব্যবসায়ী মো. শরিকুল আনামসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। তাদের মধ্যে টিপু সুলতান, এহিয়া মণ্ডল ও সামাদ এখন কারাগারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

শেযারবাজার কেলেঙ্কারি: আইসিবির ৫ কর্মকর্তার নামে ১২ মামলা

আপডেট সময় ১০:১০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

শেয়ারবাজারে কারসাজি করে সাড়ে ৬৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পাঁচ কর্মকর্তাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে ১২টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)

দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলাগুলো করেন বলে সোমবার গণমাধ্যমকে জানান দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।

জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি মামলাতেই আইসিবির পাঁচ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন আইসিবির সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) টিপু সুলতান ফারাজি, তিন সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. এহিয়া মণ্ডল, মো. সামছুল আলম আকন্দ ও শরিফুল আনাম এবং সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ধনঞ্জয় কুমার মজুমদার।

অন্য আসামিরা হলেন- আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সামাদ ও তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার, তেজগাঁও স্টাফ কোয়ার্টারের এ কে এম রেজাউল হক ও তার স্ত্রী পাপিয়া সুলতানা, মোহাম্মদপুর খিলজী রোডের লাইলা নুর, গ্রিন রোডের কাজী মাহমুদুল হাসান, মনিপুরিপাড়ার এ কে এম আতিকুজ্জামান, গুলশানের শেখ মেজবাহ উদ্দিন ও তার মেয়ে শিমা আক্তার এবং শ্যামলীবাগের বুলবুল আক্তার।

এসব মামলার এজাহারে বলা হয়, আইসিবির সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের (আইএসটিসিএল) কিছু কর্মকর্তা গ্রাহককে অনিয়মের মাধ্যমে লেনদেনের সুযোগ করে দিয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ করেন। ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে পুঁজিবাজারে এসব কারসাজি ঘটে।

প্রণব কুমার জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের শেষ দিকে এ ব্যাপারে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানে আইসিবির বেশ কিছু কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়। ৬৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলে অনুসন্ধানে।

এর আগে গত ৩০ আগস্ট ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালের পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির ঘটনায় ৩ কোটি ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৯০৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আইসিবির সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) টিপু সুলতান ফারাজি, সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. এহিয়া মণ্ডল, মোহাম্মদ সামছুল আলম, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ধনঞ্জয় কুমার মজুমদার, আইএফআইসি ব্যাংকের পল্লবী শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবদুস সামাদ ও ব্যবসায়ী মো. শরিকুল আনামসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। তাদের মধ্যে টিপু সুলতান, এহিয়া মণ্ডল ও সামাদ এখন কারাগারে।