ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’ হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ একটি ‘ভুল’: ব্রিটিশ চ্যান্সেলর নবীর অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন দাবি এমপি হানজালার টিপাইমুখ বাঁধ আমাদের নিজেদের তৈরি দুর্যোগ: স্পিকার বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ’ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এলাকার সড়কের জন্য ‘ভিক্ষা’ চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ আত্মীয়ের কুলখানি শেষে ফিরছিলেন বাড়ি, পথে কাভার্ড ভ্যান কেড়ে নিল মা-ছেলের প্রাণ বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

পোশাক রপ্তানি থেকে আয় ছাড়াল ৩০ বিলিয়ন ডলার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রথমবারের মতো পোশাক রপ্তানি থেকে আয় ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল। সদ্য সমাপ্ত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সব মিলিয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৩৬.৬৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর মধ্যে শুধুমাত্র পোশাক, পাট এবং চামড়া এই তিনটি ক্ষেত্রেই রপ্তানি আয় এসেছে ৩২.৭১ বিলিয়ন ডলার। তবে রেকর্ড পরিমাণ রপ্তানি আয় হলেও গত বছরে ধার্যকৃত রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২.২২ শতাংশ কম হয়েছে।

রাষ্ট্র পরিচালিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পণ্যদ্রব্য চালানের মাধ্যমে ৩৪.৬৫ বিলিয়ন ডলার আয় করে বাংলাদেশ।

তবে সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে রেডিমেড গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি আয় ৮.৭৬ শতাংশ বেড়ে ৩০.৬১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। নিটওয়্যার পণ্যে রপ্তানি আয় ১০.৪০ শতাংশ বেড়ে ১৫.১৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। যা ১৬-১৭ অর্থবছরে ছিল ১৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার।

অন্যদিকে, গত অর্থবছরের জুন পর্যন্ত বোনা পোশাক রপ্তানি ৭.১৮ শতাংশ বেড়ে ১৫.৪২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। যা আগের অর্থবছরে ১৪.৩৯ বিলিয়ন ডলার ছিল।

১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯.৯৫ শতাংশ বেড়ে গত অর্থবছরের জুন পর্যন্ত হোম টেক্সটাইল পণ্যের রপ্তানি আয় ৮৭৮.৬৮ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘প্রথমবারের মত পোশাক রপ্তানিতে ৩০ বিলিয়ন ডলার অর্জন করতে পেরে আমরা খুব খুশি।’

ঢাকা বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করা গেলে রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ধারা বজায় থাকবে বলেও আশাবাদী সিদ্দিকুর। অন্যান্য পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় ১.০২ বিলিয়ন ডলার। যা গত বছরের তুলনায় ৬.৫৬ শতাংশ বেশি।

পাট সুতা ও সুগন্ধি পণ্য রপ্তানি আয় ৬.৫৫ শতাংশ বেড়ে ৬৪৭.৭২ মিলিয়ন ডলার হয়েছে। তবে কাঁচা পাট রপ্তানিতে ৭.২৪ শতাংশ কমে ১৫৫.৬৮ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

পাট বস্তা ও ব্যাগের রপ্তানি আয় ৩.৬৯ শতাংশ কমে ১২২.৮২ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয় ১২.০৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১.০৮ বিলিয়ন ডলারে। এ খাতে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় কমেছে ২১.৩৪ শতাংশ।

শুধুমাত্র চামড়ার তৈরি জুতা রপ্তানি আয় ৫.৩৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫৬৫.৬০ মিলিয়ন ডলার। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের চালান থেকে দেশ পায় ১.২৩ বিলিয়ন ডলার।

হিমায়িত এবং জীবিত মাছ থেকে রপ্তানি আয় ৫০৮.৪৩ মিলিয়ন ডলার। এবং কৃষি পণ্যে আয় ৬৭৩.৭০ মিলিয়ন ডলার। যা ১৬-১৭ অর্থবছরে যথাক্রমে ছিল ৫২৬.৪৫ মিলিয়ন এবং ৫৫৩.১৭ মিলিয়ন ডলার।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৭.৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল সরকার। আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ৪০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পোশাক রপ্তানি থেকে আয় ছাড়াল ৩০ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় ০৭:০৯:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রথমবারের মতো পোশাক রপ্তানি থেকে আয় ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল। সদ্য সমাপ্ত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সব মিলিয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৩৬.৬৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর মধ্যে শুধুমাত্র পোশাক, পাট এবং চামড়া এই তিনটি ক্ষেত্রেই রপ্তানি আয় এসেছে ৩২.৭১ বিলিয়ন ডলার। তবে রেকর্ড পরিমাণ রপ্তানি আয় হলেও গত বছরে ধার্যকৃত রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২.২২ শতাংশ কম হয়েছে।

রাষ্ট্র পরিচালিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পণ্যদ্রব্য চালানের মাধ্যমে ৩৪.৬৫ বিলিয়ন ডলার আয় করে বাংলাদেশ।

তবে সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে রেডিমেড গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি আয় ৮.৭৬ শতাংশ বেড়ে ৩০.৬১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। নিটওয়্যার পণ্যে রপ্তানি আয় ১০.৪০ শতাংশ বেড়ে ১৫.১৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। যা ১৬-১৭ অর্থবছরে ছিল ১৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার।

অন্যদিকে, গত অর্থবছরের জুন পর্যন্ত বোনা পোশাক রপ্তানি ৭.১৮ শতাংশ বেড়ে ১৫.৪২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। যা আগের অর্থবছরে ১৪.৩৯ বিলিয়ন ডলার ছিল।

১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯.৯৫ শতাংশ বেড়ে গত অর্থবছরের জুন পর্যন্ত হোম টেক্সটাইল পণ্যের রপ্তানি আয় ৮৭৮.৬৮ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘প্রথমবারের মত পোশাক রপ্তানিতে ৩০ বিলিয়ন ডলার অর্জন করতে পেরে আমরা খুব খুশি।’

ঢাকা বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করা গেলে রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ধারা বজায় থাকবে বলেও আশাবাদী সিদ্দিকুর। অন্যান্য পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় ১.০২ বিলিয়ন ডলার। যা গত বছরের তুলনায় ৬.৫৬ শতাংশ বেশি।

পাট সুতা ও সুগন্ধি পণ্য রপ্তানি আয় ৬.৫৫ শতাংশ বেড়ে ৬৪৭.৭২ মিলিয়ন ডলার হয়েছে। তবে কাঁচা পাট রপ্তানিতে ৭.২৪ শতাংশ কমে ১৫৫.৬৮ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

পাট বস্তা ও ব্যাগের রপ্তানি আয় ৩.৬৯ শতাংশ কমে ১২২.৮২ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি আয় ১২.০৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১.০৮ বিলিয়ন ডলারে। এ খাতে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় কমেছে ২১.৩৪ শতাংশ।

শুধুমাত্র চামড়ার তৈরি জুতা রপ্তানি আয় ৫.৩৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫৬৫.৬০ মিলিয়ন ডলার। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের চালান থেকে দেশ পায় ১.২৩ বিলিয়ন ডলার।

হিমায়িত এবং জীবিত মাছ থেকে রপ্তানি আয় ৫০৮.৪৩ মিলিয়ন ডলার। এবং কৃষি পণ্যে আয় ৬৭৩.৭০ মিলিয়ন ডলার। যা ১৬-১৭ অর্থবছরে যথাক্রমে ছিল ৫২৬.৪৫ মিলিয়ন এবং ৫৫৩.১৭ মিলিয়ন ডলার।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৭.৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল সরকার। আর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ৪০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে।