ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না ইরান : লারিজানি

লালমোহনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে ১ বছর ধরে তালা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভোলার লালমোহনে জনবল সংকটে তালা ঝুলছে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রটিতে কোনো উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার না থাকায় ওই ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

জানা যায়, এ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রটিতে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন মো. ফখরুল ইসলাম। তবে হঠাৎ করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো কথা না বলেই স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রটি বন্ধ করে চলে যান। দীর্ঘ ১ বছর ধরে তার অনুপস্থিতির কারণে এখানে সেবা নিতে এসে রোগীরা ফিরে যাচ্ছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রশীদও লালমোহন যোগদান করার পর থেকে গত ৩ মাস ধরে ওই উপসহকারী মেডিকেল অফিসারকে পাচ্ছেন না বলে দৈনিক আকাশকে জানিয়েছেন। ওই স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে সেবা নিতে আসা রোগী আফরুজা, হাসিনা ও আব্দুল বারেক জানান, ‘আমরা টাকা দিয়ে কোনো ওষুধ কিনতে পারি না। তাই ফ্রি সেবা নিতে এখানে কয়েক দিন আসছি, তবে এখানের ডাক্তার না থাকায় আমাদের ফিরে যেতে হচ্ছে।’

সালামত আলী, রফিক, ছালেকা খাতুন নামের আরও কয়েকজন রোগী জানান, ‘সরকার গরিব মানুষের জন্য এই হাসপাতাল দিয়েছেন, তবে এখানে কোনো ডাক্তার না থাকায় আমাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। আমাদের দাবি এখানে যেন দ্রুত একজন উপসহকারী মেডিকেল অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. ফখরুল ইসলামের বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়। লালমোহনে কর্মস্থলে না এসে তিনি সেখানে ক্লিনিকে সময় দেন। একটানা ৫-৬ মাস কর্মস্থলে না এসে গত ৬ মাস আগে এসে মাস দুয়েক দায়িত্বপালন করেন বলে জানান হাসপাতালের একটি সূত্র।

কিন্তু পেছনের অনুপস্থিতিতের যৌক্তিক কারণ দেখাতে না পারায় তার বেতন বন্ধ রাখা হয়। পরে বিভিন্ন চেষ্টা চালিয়েও বেতন না পাওয়ায় সে পুনরায় কর্মস্থলে আসা বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে কোনো ধরনের যোগাযোগ রাখছে না ফখরুল ইসলাম। তাকে মোবাইলেও পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রশীদ বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রটিতে যে উপসহকারী মেডিকেল অফিসার ছিল, সে কাউকে না জানিয়ে চলে যায়। সেখানে সপ্তাহে ৩ দিন করে একজন স্বাস্থ্য সহকারী বসার কথা ছিল, খবর পাওয়া যাচ্ছে সেখানে কেউ বসছে না। তবে আমি এখানে জনবল নিয়োগের জন্য স্ব-স্ব দফতরে আবেদন করেছি। আশা করি, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

লালমোহনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে ১ বছর ধরে তালা

আপডেট সময় ০৯:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভোলার লালমোহনে জনবল সংকটে তালা ঝুলছে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রটিতে কোনো উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার না থাকায় ওই ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

জানা যায়, এ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রটিতে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন মো. ফখরুল ইসলাম। তবে হঠাৎ করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো কথা না বলেই স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রটি বন্ধ করে চলে যান। দীর্ঘ ১ বছর ধরে তার অনুপস্থিতির কারণে এখানে সেবা নিতে এসে রোগীরা ফিরে যাচ্ছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রশীদও লালমোহন যোগদান করার পর থেকে গত ৩ মাস ধরে ওই উপসহকারী মেডিকেল অফিসারকে পাচ্ছেন না বলে দৈনিক আকাশকে জানিয়েছেন। ওই স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে সেবা নিতে আসা রোগী আফরুজা, হাসিনা ও আব্দুল বারেক জানান, ‘আমরা টাকা দিয়ে কোনো ওষুধ কিনতে পারি না। তাই ফ্রি সেবা নিতে এখানে কয়েক দিন আসছি, তবে এখানের ডাক্তার না থাকায় আমাদের ফিরে যেতে হচ্ছে।’

সালামত আলী, রফিক, ছালেকা খাতুন নামের আরও কয়েকজন রোগী জানান, ‘সরকার গরিব মানুষের জন্য এই হাসপাতাল দিয়েছেন, তবে এখানে কোনো ডাক্তার না থাকায় আমাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। আমাদের দাবি এখানে যেন দ্রুত একজন উপসহকারী মেডিকেল অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. ফখরুল ইসলামের বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায়। লালমোহনে কর্মস্থলে না এসে তিনি সেখানে ক্লিনিকে সময় দেন। একটানা ৫-৬ মাস কর্মস্থলে না এসে গত ৬ মাস আগে এসে মাস দুয়েক দায়িত্বপালন করেন বলে জানান হাসপাতালের একটি সূত্র।

কিন্তু পেছনের অনুপস্থিতিতের যৌক্তিক কারণ দেখাতে না পারায় তার বেতন বন্ধ রাখা হয়। পরে বিভিন্ন চেষ্টা চালিয়েও বেতন না পাওয়ায় সে পুনরায় কর্মস্থলে আসা বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে কোনো ধরনের যোগাযোগ রাখছে না ফখরুল ইসলাম। তাকে মোবাইলেও পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রশীদ বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রটিতে যে উপসহকারী মেডিকেল অফিসার ছিল, সে কাউকে না জানিয়ে চলে যায়। সেখানে সপ্তাহে ৩ দিন করে একজন স্বাস্থ্য সহকারী বসার কথা ছিল, খবর পাওয়া যাচ্ছে সেখানে কেউ বসছে না। তবে আমি এখানে জনবল নিয়োগের জন্য স্ব-স্ব দফতরে আবেদন করেছি। আশা করি, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।