ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই খুলনায় তাঁতীদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়: প্রধানমন্ত্রী প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযান শেষ হয়নি: নেতানিয়াহু বেশ কয়েকটি বিষয়ে সমঝোতা, তবে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্য রয়েছে: ইরান বায়তুল মোকাররমে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে হকারদের সংঘর্ষ ২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন আইনমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের নয়দিন পর এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হচ্ছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী কথা বলবেন বলে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে পাস হয়, যা ষোড়শ সংশোধনী হিসেবে পরিচিত। সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবীর এক রিট আবেদনে হাই কোর্ট ২০১৬ সালে সংবিধানের ওই সংশোধনী ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে। গত ৩ জুলাই আপিল বিভাগেও ওই রায় বহাল থাকে, যার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি গত ১ অগাস্ট প্রকাশ হয়।

সর্বোচ্চ আদালতের ওই রায়ের ফলে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা আবারও জাতীয় সংসদ থেকে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে যাচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর বিএনপি, বিরোধী দল জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন পক্ষ থেকে বক্তব্য এলেও ক্ষমতাসীন দলের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

গত রোববার এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে তারা ‘ঠাণ্ডা মাথায় ভাবছেন’। তিনি বলেন, “আমরা বিষয়টি নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করছি। এখানে মাথা গরম করে কিছু করার কোনো সুযোগ নেই। ঠাণ্ডা মাথায় ভাবছি, যথা সময়ে আমাদের রিঅ্যাকশন জানাব।”

আইন মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ার দিন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে মন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছিল।”

সেই পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের সামনে আসবেন বলে এতে বলা হয়।

বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতেই রাখা হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু আমলে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনের পর বিচারক অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হয়।

পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় গিয়ে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধন এনে বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দিতে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করেন।

সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আদালত অবৈধ ঘোষণার পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আনলেও তাতে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের বিধানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেল, আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে রুনা লায়লা

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:১১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের নয়দিন পর এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হচ্ছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী কথা বলবেন বলে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে পাস হয়, যা ষোড়শ সংশোধনী হিসেবে পরিচিত। সুপ্রিম কোর্টের নয়জন আইনজীবীর এক রিট আবেদনে হাই কোর্ট ২০১৬ সালে সংবিধানের ওই সংশোধনী ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে। গত ৩ জুলাই আপিল বিভাগেও ওই রায় বহাল থাকে, যার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি গত ১ অগাস্ট প্রকাশ হয়।

সর্বোচ্চ আদালতের ওই রায়ের ফলে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা আবারও জাতীয় সংসদ থেকে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে যাচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর বিএনপি, বিরোধী দল জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন পক্ষ থেকে বক্তব্য এলেও ক্ষমতাসীন দলের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

গত রোববার এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে তারা ‘ঠাণ্ডা মাথায় ভাবছেন’। তিনি বলেন, “আমরা বিষয়টি নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করছি। এখানে মাথা গরম করে কিছু করার কোনো সুযোগ নেই। ঠাণ্ডা মাথায় ভাবছি, যথা সময়ে আমাদের রিঅ্যাকশন জানাব।”

আইন মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ার দিন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে মন্ত্রী আনিসুল হকের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছিল।”

সেই পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের সামনে আসবেন বলে এতে বলা হয়।

বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতেই রাখা হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু আমলে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনের পর বিচারক অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হয়।

পঁচাত্তরের পট পরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় গিয়ে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধন এনে বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দিতে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করেন।

সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আদালত অবৈধ ঘোষণার পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আনলেও তাতে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের বিধানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।