ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের হুমকি সহ্য করব না: রাশিয়া

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ব্রিটেনে বসবাসরত রুশ দ্বৈত-গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপালকে হত্যা প্রচেষ্টায় রাশিয়ার জড়িত থাকার প্রমাণ দেয়ার জন্য জাতিসংঘে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া ব্রিটেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, “আমরা কাউকে আল্টিমেটাম দেই না; কেউ এমন ভাষায় কথা বলুক তাও আমরা সহ্য করব না।”

নেবেনজিয়া বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বলেন, “তোলপাড় সৃষ্টি করা এই অভিযোগের আমরা বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ চাই। প্রমাণ ছাড়া আমরা এ ঘটনাকে বিবেচনায় নিতে পারি না।” খবর পার্সটুডের।

গত ৭ মার্চ ব্রিটিশ সরকার অভিযোগ করেছে যে, রাশিয়ার সাবেক দ্বৈত-গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল ও তার মেয়ে ইউলিয়াকে সলসবারির একটি শপিং সেন্টারের বাইরে বেঞ্চের ওপর থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের নার্ভ গ্যাস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করে ব্রিটেন। এ ঘটনায় ব্রিটিশ ও মার্কিন সরকার রাশিয়াকে দায়ী করছে। এ নিয়ে ব্রিটেন জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে লেখা এক চিঠিতে রাশিয়াকে দোষ স্বীকারের জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য রাখছেন ব্রিটিশ উপরাষ্ট্রদূত জোনাথন অ্যালেন

জাতিসংঘে নিয়োজিত রুশ রাষ্ট্রদূত নেবেনজিয়া এ প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। আমরা কারো সঙ্গে এ ভাষায় কথা বলি না এবং কেউ এ ভাষায় আমাদের সঙ্গে কথা বলুক তা-ও সহ্য করি না। তবে আমরা এসব নিয়ে বিনয়ী এবং এ বিষয়ে আমরা ১৩ মার্চ একটি নোট দিয়েছি যে, এ ঘটনায় আমাদের কিছুই করার নেই।”

২০০৬ সালে রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই-৬’র কাছে পাচারের জন্য রুশ গুপ্তচর স্ক্রিপাল দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়। পরে ২০১০ সালে গুপ্তচর বিনিময় চুক্তির আওতায় স্ক্রিপালকে মুক্ত করে দেশে নিয়ে যায় ব্রিটিশ সরকার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের হুমকি সহ্য করব না: রাশিয়া

আপডেট সময় ০৮:৪৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ব্রিটেনে বসবাসরত রুশ দ্বৈত-গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপালকে হত্যা প্রচেষ্টায় রাশিয়ার জড়িত থাকার প্রমাণ দেয়ার জন্য জাতিসংঘে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া ব্রিটেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, “আমরা কাউকে আল্টিমেটাম দেই না; কেউ এমন ভাষায় কথা বলুক তাও আমরা সহ্য করব না।”

নেবেনজিয়া বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বলেন, “তোলপাড় সৃষ্টি করা এই অভিযোগের আমরা বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ চাই। প্রমাণ ছাড়া আমরা এ ঘটনাকে বিবেচনায় নিতে পারি না।” খবর পার্সটুডের।

গত ৭ মার্চ ব্রিটিশ সরকার অভিযোগ করেছে যে, রাশিয়ার সাবেক দ্বৈত-গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল ও তার মেয়ে ইউলিয়াকে সলসবারির একটি শপিং সেন্টারের বাইরে বেঞ্চের ওপর থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের নার্ভ গ্যাস দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করে ব্রিটেন। এ ঘটনায় ব্রিটিশ ও মার্কিন সরকার রাশিয়াকে দায়ী করছে। এ নিয়ে ব্রিটেন জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে লেখা এক চিঠিতে রাশিয়াকে দোষ স্বীকারের জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বক্তব্য রাখছেন ব্রিটিশ উপরাষ্ট্রদূত জোনাথন অ্যালেন

জাতিসংঘে নিয়োজিত রুশ রাষ্ট্রদূত নেবেনজিয়া এ প্রসঙ্গে বলেন, “আমাদের ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। আমরা কারো সঙ্গে এ ভাষায় কথা বলি না এবং কেউ এ ভাষায় আমাদের সঙ্গে কথা বলুক তা-ও সহ্য করি না। তবে আমরা এসব নিয়ে বিনয়ী এবং এ বিষয়ে আমরা ১৩ মার্চ একটি নোট দিয়েছি যে, এ ঘটনায় আমাদের কিছুই করার নেই।”

২০০৬ সালে রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই-৬’র কাছে পাচারের জন্য রুশ গুপ্তচর স্ক্রিপাল দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়। পরে ২০১০ সালে গুপ্তচর বিনিময় চুক্তির আওতায় স্ক্রিপালকে মুক্ত করে দেশে নিয়ে যায় ব্রিটিশ সরকার।