ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

আমি চাই না বিএনপি ভাঙুক: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমি চাই না বিএনপি ভাঙুক। বিএনপি একটা বড় দল। আমরা চাই না সেটা ভাঙুক। এই চেষ্টাও আমরা করব না।’

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর রেডিসন হোটেলের সামনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি ভাঙার জন্য বিএনপি নিজেরাই দায়ী এবং বিএনপির সংকট আমরা ঘনীভূত করব না, আমরা এখানে ফ্যাক্ট না। বিএনপির সাংগঠনিক অভ্যন্তরীণ সংকট ঘনীভূত করার জন্য তারেক জিয়াই যথেষ্ট।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্ত হওয়ার বিষয়টি এখন সম্পূর্ণরূপে আদালতের ব্যাপার। আদালতের আদেশে তিনি দণ্ডিত হয়েছেন এবং জেলে গিয়েছেন। খালেদা জিয়া যখন আপিল করবেন, আপিলের বিচারে তাঁকে মুক্তি দেওয়া যায় কি না, সেটা আদালত বিবেচনা করতে পারেন। এখানে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করেনি, এমনকি ভবিষ্যতেও করবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আদালত যদি খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন, সেখানে আমাদের তো কোনো অসুবিধা নেই। এই রকম কথার কোনো উপসংহার নেই। তারা একবার বলছে, যেকোনো পরিস্থিতিতে নির্বাচনে যাবে। আবার বলে খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। তাদের জিজ্ঞাসা করুন, কোনটা ঠিক।’

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে বিএনপির মতো একটি বড় দলকে প্রতিবন্ধিতার জন্য চাই। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মজা না থাকলে ইলেকশনে মজা নাই। আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে আসুক এবং ইলেকশনটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হোক।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ইলেকশন থেকে সরে গেলে আমরা খুব খুশি হব, আমাদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক কিছু হবে—এটা ঠিক না। আমরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন চাই। তাই সে জন্য বিএনপি থাকা দরকার।’

বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি থেকে গণ-আন্দোলনের ডাক দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণ বিএনপির সঙ্গে নেই। আন্দোলন সফল হবে না। তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের হাঁকডাক তাঁরা যেভাবে দেন, সেটা জনগণ সাড়া না দিলে তো গণ-আন্দোলন হবে না। নয় বছর তারা বারবার ডাক দিয়েছে, জনগণ সাড়া দেয়নি। যে আন্দোলনে তারা নিজেরাই অংশ নেয় না, সেখানে জনগণ কেমন করে আসবে?

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ভেবেছিল, খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে লাখ লাখ লোক রাস্তায় নেমে আসবে, সারা দেশের মানুষ নেমে আসবে। ওই আগের সিপাহি জনতা জেগে ওঠো—তারা মনে করছে দেশে এখনো সেই অবস্থা আছে। তিনি আরও বলেন, জনগণ কি রাস্তায় নেমেছে খালেদা জিয়ার জন্য? তারা যে প্রত্যাশা করেছিল, লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে, সেখানে শত শত মানুষও নেমে আসেনি। তারা আন্দোলন করবে কী দিয়ে? বাকি দিনে বিএনপি নির্বাচনের মুডে চলে যাবে। এখন আর আন্দোলনের মুডে কেউ নেই, নির্বাচনের মুডে আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

আমি চাই না বিএনপি ভাঙুক: কাদের

আপডেট সময় ১১:২৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমি চাই না বিএনপি ভাঙুক। বিএনপি একটা বড় দল। আমরা চাই না সেটা ভাঙুক। এই চেষ্টাও আমরা করব না।’

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর রেডিসন হোটেলের সামনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি ভাঙার জন্য বিএনপি নিজেরাই দায়ী এবং বিএনপির সংকট আমরা ঘনীভূত করব না, আমরা এখানে ফ্যাক্ট না। বিএনপির সাংগঠনিক অভ্যন্তরীণ সংকট ঘনীভূত করার জন্য তারেক জিয়াই যথেষ্ট।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্ত হওয়ার বিষয়টি এখন সম্পূর্ণরূপে আদালতের ব্যাপার। আদালতের আদেশে তিনি দণ্ডিত হয়েছেন এবং জেলে গিয়েছেন। খালেদা জিয়া যখন আপিল করবেন, আপিলের বিচারে তাঁকে মুক্তি দেওয়া যায় কি না, সেটা আদালত বিবেচনা করতে পারেন। এখানে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করেনি, এমনকি ভবিষ্যতেও করবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আদালত যদি খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন, সেখানে আমাদের তো কোনো অসুবিধা নেই। এই রকম কথার কোনো উপসংহার নেই। তারা একবার বলছে, যেকোনো পরিস্থিতিতে নির্বাচনে যাবে। আবার বলে খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। তাদের জিজ্ঞাসা করুন, কোনটা ঠিক।’

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে বিএনপির মতো একটি বড় দলকে প্রতিবন্ধিতার জন্য চাই। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মজা না থাকলে ইলেকশনে মজা নাই। আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে আসুক এবং ইলেকশনটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হোক।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ইলেকশন থেকে সরে গেলে আমরা খুব খুশি হব, আমাদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক কিছু হবে—এটা ঠিক না। আমরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন চাই। তাই সে জন্য বিএনপি থাকা দরকার।’

বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি থেকে গণ-আন্দোলনের ডাক দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণ বিএনপির সঙ্গে নেই। আন্দোলন সফল হবে না। তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের হাঁকডাক তাঁরা যেভাবে দেন, সেটা জনগণ সাড়া না দিলে তো গণ-আন্দোলন হবে না। নয় বছর তারা বারবার ডাক দিয়েছে, জনগণ সাড়া দেয়নি। যে আন্দোলনে তারা নিজেরাই অংশ নেয় না, সেখানে জনগণ কেমন করে আসবে?

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ভেবেছিল, খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে লাখ লাখ লোক রাস্তায় নেমে আসবে, সারা দেশের মানুষ নেমে আসবে। ওই আগের সিপাহি জনতা জেগে ওঠো—তারা মনে করছে দেশে এখনো সেই অবস্থা আছে। তিনি আরও বলেন, জনগণ কি রাস্তায় নেমেছে খালেদা জিয়ার জন্য? তারা যে প্রত্যাশা করেছিল, লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে, সেখানে শত শত মানুষও নেমে আসেনি। তারা আন্দোলন করবে কী দিয়ে? বাকি দিনে বিএনপি নির্বাচনের মুডে চলে যাবে। এখন আর আন্দোলনের মুডে কেউ নেই, নির্বাচনের মুডে আছে।