ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের প্রথম কুরআন ভাস্কর্য

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বছরের শেষ দিনটিতে কসবায় উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম কুরআন ভাস্কর্য। বাংলাদেশে এর আগে এ ধরনের কোনো ভাস্কর্য তৈরি করা হয়নি। এ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন ঢাকার চারুকলা ইন্সটিটিউটের মেধাবী ছাত্র ভাস্কর কামরুল হাসান শিপন।

পবিত্র নগরী মক্কার প্রবেশ দ্বারে জেদ্দা বিমানবন্দরে কুরআনের আদলে তৈরি বিশাল তোরণ রয়েছে। আর সেই তোরণটিকে অনুসরণ করেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় তৈরি করা হয়েছে নতুন এই কুরআন ভাস্কর্যটি। এই ভাস্কর্যটি উপজেলা সদরের ব্যস্ততম কদমতলা মোড়ে তৈরি করা হয়েছে, কিন্তু এখনো উদ্বোধন করা হয়নি।

নান্দনিক ভাস্কর্যটি ৮ ফুট প্রস্থের আর ১৬ ফুট উচ্চতার। এর নির্মাণ সামগ্রী হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে উন্নত মানের ফাইবার গ্লাস। আর খরচ পড়ছে দুই লক্ষ টাকার কিছু বেশি।

জানা গেছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ অর্থাৎ এই বছরের শেষ দিনে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করবেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। কিন্তু উদ্বোধনের অনেক আগে থেকেই এ ভাস্কর্যটি দেখার জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে বহু পর্যটক এসে ভীড় জমাচ্ছেন কসবা উপজেলায়। আশপাশের এলাকার পাশাপাশি বহু দূর দূরান্তের জেলা থেকে কুরআনকে ভালবাসেন এমন অনেকে ছুটে চলে যাচ্ছেন এটিকে দেখার জন্য।

কসবা পৌর এলাকার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েলের তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়েছে অসাধারণ এই শিল্পকর্মটি। তার পাশাপাশি কসবা উপজেলার আরো অনেকে এই ভাস্কর্য নির্মাণে পৃষ্ঠপোষকতা করছেন বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে খবরটি। আর সারা দেশ থেকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অসংখ্য প্রশংসা কুড়াচ্ছে নতুন এই উদ্যোগ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের প্রথম কুরআন ভাস্কর্য

আপডেট সময় ০১:১৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বছরের শেষ দিনটিতে কসবায় উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম কুরআন ভাস্কর্য। বাংলাদেশে এর আগে এ ধরনের কোনো ভাস্কর্য তৈরি করা হয়নি। এ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন ঢাকার চারুকলা ইন্সটিটিউটের মেধাবী ছাত্র ভাস্কর কামরুল হাসান শিপন।

পবিত্র নগরী মক্কার প্রবেশ দ্বারে জেদ্দা বিমানবন্দরে কুরআনের আদলে তৈরি বিশাল তোরণ রয়েছে। আর সেই তোরণটিকে অনুসরণ করেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় তৈরি করা হয়েছে নতুন এই কুরআন ভাস্কর্যটি। এই ভাস্কর্যটি উপজেলা সদরের ব্যস্ততম কদমতলা মোড়ে তৈরি করা হয়েছে, কিন্তু এখনো উদ্বোধন করা হয়নি।

নান্দনিক ভাস্কর্যটি ৮ ফুট প্রস্থের আর ১৬ ফুট উচ্চতার। এর নির্মাণ সামগ্রী হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে উন্নত মানের ফাইবার গ্লাস। আর খরচ পড়ছে দুই লক্ষ টাকার কিছু বেশি।

জানা গেছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ অর্থাৎ এই বছরের শেষ দিনে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করবেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। কিন্তু উদ্বোধনের অনেক আগে থেকেই এ ভাস্কর্যটি দেখার জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে বহু পর্যটক এসে ভীড় জমাচ্ছেন কসবা উপজেলায়। আশপাশের এলাকার পাশাপাশি বহু দূর দূরান্তের জেলা থেকে কুরআনকে ভালবাসেন এমন অনেকে ছুটে চলে যাচ্ছেন এটিকে দেখার জন্য।

কসবা পৌর এলাকার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েলের তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়েছে অসাধারণ এই শিল্পকর্মটি। তার পাশাপাশি কসবা উপজেলার আরো অনেকে এই ভাস্কর্য নির্মাণে পৃষ্ঠপোষকতা করছেন বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে খবরটি। আর সারা দেশ থেকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অসংখ্য প্রশংসা কুড়াচ্ছে নতুন এই উদ্যোগ।