ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহর থামিয়ে বিএনপি নেতার মুক্তি দাবি কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন ডলি বেগম ‘সোশ্যালিস্ট’ অঙ্গীকারে অটল নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি মার্কিন নৌ-অবরোধ সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ : ইরান

‘সোশ্যালিস্ট’ অঙ্গীকারে অটল নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন পূর্ণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। দিনটি উপলক্ষে রোববার কুইন্সে আয়োজিত এক সমাবেশে ‘সমাজতান্ত্রিক’ (সোশ্যালিস্ট) নীতিমালার পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি। সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে মামদানি বলেন, “অনেকে ‘সোশ্যালিস্ট’ শব্দটিকে নেতিবাচক বা লজ্জার বিষয় হিসেবে দেখাতে চান। কিন্তু আমরা সরকারকে ব্যবহার করে কেবল ধনীদের জন্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের জন্যও কাজ করতে লজ্জা পাব না।’

৩৪ বছর বয়সী এই মেয়র তাঁর প্রশাসনের প্রাথমিক সাফল্যের উদাহরণ হিসেবে নগরীর সড়কের গর্ত মেরামত কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি গর্ত ভরাট করা হয়েছে। সরকার যদি ছোট কাজগুলোই ঠিকভাবে করতে না পারে, তাহলে বড় কাজের ওপর মানুষ কীভাবে আস্থা রাখবে? আপনার রাস্তাই যদি ঠিক করতে না পারি, তবে শহর বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কতটা বিশ্বাসযোগ্য?’

সমাবেশে তাঁর ঘনিষ্ঠ মিত্র ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মামদানি তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অগ্রগতিও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে সিটি পরিচালিত গ্রোসারি স্টোর চালুর পরিকল্পনা, যার প্রথমটি আগামী বছর চালু হওয়ার কথা রয়েছে। ছোট শিশুদের জন্য বিনামূল্যে চাইল্ড কেয়ার সেবা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির হার স্থগিত করার সম্ভাবনা তৈরি করতে সিটি কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা হয়েছে বলেন তিনি।

এদিকে সাম্প্রতিক দুটি জরিপে দেখা গেছে, মেয়র হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তা মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছে। এক জরিপে ৪৮ শতাংশ নিউইয়র্কবাসী এবং ৪৩ শতাংশ ভোটার তাঁর কাজকে সমর্থন করেছেন। আরেকটি জরিপ অনুযায়ী, ৫৪ শতাংশ ভোটার তাঁর চাইল্ড কেয়ার এবং ৪৯ শতাংশ আবাসন ব্যয় কমানোর পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। খবর এএফপির।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’

‘সোশ্যালিস্ট’ অঙ্গীকারে অটল নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি

আপডেট সময় ০১:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ দিন পূর্ণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। দিনটি উপলক্ষে রোববার কুইন্সে আয়োজিত এক সমাবেশে ‘সমাজতান্ত্রিক’ (সোশ্যালিস্ট) নীতিমালার পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেছেন তিনি। সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে মামদানি বলেন, “অনেকে ‘সোশ্যালিস্ট’ শব্দটিকে নেতিবাচক বা লজ্জার বিষয় হিসেবে দেখাতে চান। কিন্তু আমরা সরকারকে ব্যবহার করে কেবল ধনীদের জন্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের জন্যও কাজ করতে লজ্জা পাব না।’

৩৪ বছর বয়সী এই মেয়র তাঁর প্রশাসনের প্রাথমিক সাফল্যের উদাহরণ হিসেবে নগরীর সড়কের গর্ত মেরামত কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এক লাখের বেশি গর্ত ভরাট করা হয়েছে। সরকার যদি ছোট কাজগুলোই ঠিকভাবে করতে না পারে, তাহলে বড় কাজের ওপর মানুষ কীভাবে আস্থা রাখবে? আপনার রাস্তাই যদি ঠিক করতে না পারি, তবে শহর বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কতটা বিশ্বাসযোগ্য?’

সমাবেশে তাঁর ঘনিষ্ঠ মিত্র ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মামদানি তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অগ্রগতিও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে সিটি পরিচালিত গ্রোসারি স্টোর চালুর পরিকল্পনা, যার প্রথমটি আগামী বছর চালু হওয়ার কথা রয়েছে। ছোট শিশুদের জন্য বিনামূল্যে চাইল্ড কেয়ার সেবা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির হার স্থগিত করার সম্ভাবনা তৈরি করতে সিটি কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা হয়েছে বলেন তিনি।

এদিকে সাম্প্রতিক দুটি জরিপে দেখা গেছে, মেয়র হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তা মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছে। এক জরিপে ৪৮ শতাংশ নিউইয়র্কবাসী এবং ৪৩ শতাংশ ভোটার তাঁর কাজকে সমর্থন করেছেন। আরেকটি জরিপ অনুযায়ী, ৫৪ শতাংশ ভোটার তাঁর চাইল্ড কেয়ার এবং ৪৯ শতাংশ আবাসন ব্যয় কমানোর পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। খবর এএফপির।