ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনের পর বড় উত্থান শেয়ারবাজারে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একপ্রকার উড়ন্ত সূচনা হয়েছে শেয়ারবাজারে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রোববার প্রথম কর্মদিবসে তালিকাভুক্ত প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দর কম-বেশি বৃদ্ধি নিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে। এতে শেয়ারবাজার সূচকে বড় উত্থান হয়েছে।

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি দেশের মানুষের সব শ্রেণির মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

রোববার সকাল ১০টায় দিনের স্বাভাবিক লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর বেলা ১১টায় দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৫২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। যা আগের কর্মদিবসের তুলনায় ১২৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি।

অবশ্য লেনদেন শুরুর মাত্র চার মিনিটে সূচকটি প্রায় ১৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৫৫৬৯ পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল। তখন সূচক বৃদ্ধির হার ছিল ৩ দশমিক ১৪ শতাংশ।

বেলা ১১টায় ডিএসইর প্রধান লেনদেন প্লাটফর্মে তালিকাভুক্ত ৩৬০ কোম্পানি এবং ৩৭ মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩৬১টি দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। এ সময় দরন হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ১৮টি এবং দর অপরিবর্তিত অবস্থায় ছিল ৯ শেয়ার।

একাধিক ব্রোকারেজের কর্মকর্তারা জানান, আজ বিনিয়োগকারীদের থেকে শেয়ার কেনার চাহিদা বেশি। আগামীর শেয়ারবাজার নিয়ে তারা আশাবাদি বলে মনে হচ্ছে। ফলে আগের থেকে বেশি দরে শেয়ার কিনছেন।

শেয়ার চাহিদা বৃদ্ধির কারণে প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইতে মোট ৪৩৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা এর আগের কর্মদিবসের প্রথম ঘণ্টার লেনদেনের তুলনায় দ্বিগুনের বেশি। নির্বাচনের আগের সর্বশেষ কর্মদিবসে (১০ ফেব্রুয়ারি-মঙ্গলবার) এ বাজারে ২০৬ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল।

খাতওয়ারি লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রতিটি খাতের শেয়ারদরেই আজ ঊর্ধ্বমুখী ধারা রয়েছে।

তবে বড় খাতগুলোর মধ্যে বেশি বেড়েছে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের শেয়ারদর। বেলা ১১টায় ব্যাংক খাতের শেয়ারগুলোর দর গড়ে প্রায় ২ শতাংশ হারে বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারদর এ সময় বেড়েছিল ৩ শতাংশের বেশি।

এছাড়া প্রকৌশল খাতের শেয়ারদর গড়ে ২ শতাংশ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের আড়াই শতাংশ, সাধারণ বীমা সোয়া ১ শতাংশ, তথ্য-প্রযুক্তি পৌনে ২ শতাংশ, জীবন বীমায় সোয়া ২ শতাংশ, বস্ত্র খাতের শেয়ার সোয়া ১ শতাংশ দর বেড়ে বেড়ে কেনাবেচা হতে দেখা যায়।

এ প্রতিবেদন লেখার সময় অন্তত ৪২ কোম্পানির শেয়ার দিনের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দরে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। অবশ্য এর প্রায় সবগুলো ছিল দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ার। দর অনেকটা বাড়লেও এগুলোর লেনদেনের পরিমাণ কম।

আজ টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি কেনাবেচা ঢাকা ব্যাংকের শেয়ার। শেয়ার প্রতি ১ টাকা ৩০ পয়সা বা সাড়ে ৯ শতাংশের বেশি দর বেড়েছে এ ব্যাংকের শেয়ারদর, যা সর্বশেষ ১৪ টাকা ৮০ পয়সায় কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। প্রথম ঘণ্টায় প্রায় ৪০ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।

লেনদেনে এর পরের অবস্থানে ছিল সিটি ব্যাংকের শেয়ার। এর পরের অবস্থানে ছিল মুন্নু সিরামিক। স্কয়ার ফার্মা এবং সায়হাম কটন ছিল চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

নির্বাচনের পর বড় উত্থান শেয়ারবাজারে

আপডেট সময় ০১:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একপ্রকার উড়ন্ত সূচনা হয়েছে শেয়ারবাজারে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রোববার প্রথম কর্মদিবসে তালিকাভুক্ত প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দর কম-বেশি বৃদ্ধি নিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে। এতে শেয়ারবাজার সূচকে বড় উত্থান হয়েছে।

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটি দেশের মানুষের সব শ্রেণির মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

রোববার সকাল ১০টায় দিনের স্বাভাবিক লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর বেলা ১১টায় দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৫২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। যা আগের কর্মদিবসের তুলনায় ১২৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি।

অবশ্য লেনদেন শুরুর মাত্র চার মিনিটে সূচকটি প্রায় ১৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৫৫৬৯ পয়েন্ট ছাড়িয়েছিল। তখন সূচক বৃদ্ধির হার ছিল ৩ দশমিক ১৪ শতাংশ।

বেলা ১১টায় ডিএসইর প্রধান লেনদেন প্লাটফর্মে তালিকাভুক্ত ৩৬০ কোম্পানি এবং ৩৭ মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩৬১টি দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। এ সময় দরন হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ১৮টি এবং দর অপরিবর্তিত অবস্থায় ছিল ৯ শেয়ার।

একাধিক ব্রোকারেজের কর্মকর্তারা জানান, আজ বিনিয়োগকারীদের থেকে শেয়ার কেনার চাহিদা বেশি। আগামীর শেয়ারবাজার নিয়ে তারা আশাবাদি বলে মনে হচ্ছে। ফলে আগের থেকে বেশি দরে শেয়ার কিনছেন।

শেয়ার চাহিদা বৃদ্ধির কারণে প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইতে মোট ৪৩৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা এর আগের কর্মদিবসের প্রথম ঘণ্টার লেনদেনের তুলনায় দ্বিগুনের বেশি। নির্বাচনের আগের সর্বশেষ কর্মদিবসে (১০ ফেব্রুয়ারি-মঙ্গলবার) এ বাজারে ২০৬ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল।

খাতওয়ারি লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রতিটি খাতের শেয়ারদরেই আজ ঊর্ধ্বমুখী ধারা রয়েছে।

তবে বড় খাতগুলোর মধ্যে বেশি বেড়েছে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের শেয়ারদর। বেলা ১১টায় ব্যাংক খাতের শেয়ারগুলোর দর গড়ে প্রায় ২ শতাংশ হারে বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারদর এ সময় বেড়েছিল ৩ শতাংশের বেশি।

এছাড়া প্রকৌশল খাতের শেয়ারদর গড়ে ২ শতাংশ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের আড়াই শতাংশ, সাধারণ বীমা সোয়া ১ শতাংশ, তথ্য-প্রযুক্তি পৌনে ২ শতাংশ, জীবন বীমায় সোয়া ২ শতাংশ, বস্ত্র খাতের শেয়ার সোয়া ১ শতাংশ দর বেড়ে বেড়ে কেনাবেচা হতে দেখা যায়।

এ প্রতিবেদন লেখার সময় অন্তত ৪২ কোম্পানির শেয়ার দিনের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দরে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। অবশ্য এর প্রায় সবগুলো ছিল দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ার। দর অনেকটা বাড়লেও এগুলোর লেনদেনের পরিমাণ কম।

আজ টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি কেনাবেচা ঢাকা ব্যাংকের শেয়ার। শেয়ার প্রতি ১ টাকা ৩০ পয়সা বা সাড়ে ৯ শতাংশের বেশি দর বেড়েছে এ ব্যাংকের শেয়ারদর, যা সর্বশেষ ১৪ টাকা ৮০ পয়সায় কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। প্রথম ঘণ্টায় প্রায় ৪০ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।

লেনদেনে এর পরের অবস্থানে ছিল সিটি ব্যাংকের শেয়ার। এর পরের অবস্থানে ছিল মুন্নু সিরামিক। স্কয়ার ফার্মা এবং সায়হাম কটন ছিল চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে।