ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নিজের ভোটও পাননি সদস্য প্রার্থী নজরুল!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তৃতীয় দফা রবিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউপি নির্বাচনে কোন ভোট পাননি রামখানা ইউনিয়নের টিউবওয়েল প্রতীকের সদস্য প্রার্থী নজরুল ইসলাম। নিজে প্রার্থী হয়ে ভোট না পাওয়ার বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর রামখানাসহ নাগেশ্বরী উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওই ইউনিনে ৩ নং ওয়ার্ড সদস্য পদে টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নাখারগঞ্জ পশ্চিম রামখানা দেওয়ানটারী গ্রামের ইজ্জত উল্ল্যার ছেলে নজরুল ইসলাম।

প্রতীক প্রাপ্তির পর পোষ্টার ছেপে বিজয়ী হতে অন্যান্য প্রার্থীর মত কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভোটের প্রচারনাও করেন তিনি। পরে শেষে ২৮ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানে তার পুলিং এজেন্টও ছিল। অথচ রবিবার দিনশেষে গননা করে দেখা গেছে, তিনি একটি ভোটও পাননি। তাহলে তিনি, তার স্ত্রী, পরিবারের অন্যান্য সদস্য, আত্মীয়স্বজন, তার শুভাকাঙ্খি, কর্মী-সমর্থক ও এজেন্ট কেউই কি তাকে ভোট দেননি।

এ ঘটনায় হতভম্ব এলাকার মানুষ। আদৌ তা সম্ভব কিনা। নজরুল ইসলাম টিউবওয়েল প্রতীকে কোন ভোট না পেলেও তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী নুরজামাল শেখ ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৭১৬, ফজলে রহমান বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪, সফিকুল ইসলাম তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭৭ ভোট। ভোটের এ ফলাফলে কোনভাবে হিসেব মেলাতে পারছেন না প্রার্থী নজরুল ইসলাম।

তিনি জানান, এ ঘটনায় আমি অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে বলেন, যদি কর্মী-সমর্থকরাও আমাকে ধোকা দিয়ে থাকেন তাহলে আমি, আমার স্ত্রী মেহরা খাতুন, বড় ছেলে মফিজুল ইসলাম, তার স্ত্রী কল্পনা খাতুন, মেজ ছেলে এনামুল হক, তার স্ত্রী ফরিদা বেগমসহ রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় স্বজনরা অনেকেই আমাকে ভোট দেন। প্রায় দেড়শত থেকে দুইশত ভোট আমি নিশ্চিত পাওয়ার কথা। সেখানে শুন্য ভোট হয় কিভাবে। আমি এটা মেনে নিতে পারছি না। তাই আমি সংশ্লিষ্ট অফিসে ভোট পুনঃগননার আবেদন জানিয়েছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন অফিসার আনোয়ার হোসেন আবেদন পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে বলেন, এটি আইনিভাবে মোকাবেলা করার জন্য তাকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

নিজের ভোটও পাননি সদস্য প্রার্থী নজরুল!

আপডেট সময় ০৭:১৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তৃতীয় দফা রবিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউপি নির্বাচনে কোন ভোট পাননি রামখানা ইউনিয়নের টিউবওয়েল প্রতীকের সদস্য প্রার্থী নজরুল ইসলাম। নিজে প্রার্থী হয়ে ভোট না পাওয়ার বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর রামখানাসহ নাগেশ্বরী উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওই ইউনিনে ৩ নং ওয়ার্ড সদস্য পদে টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নাখারগঞ্জ পশ্চিম রামখানা দেওয়ানটারী গ্রামের ইজ্জত উল্ল্যার ছেলে নজরুল ইসলাম।

প্রতীক প্রাপ্তির পর পোষ্টার ছেপে বিজয়ী হতে অন্যান্য প্রার্থীর মত কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভোটের প্রচারনাও করেন তিনি। পরে শেষে ২৮ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানে তার পুলিং এজেন্টও ছিল। অথচ রবিবার দিনশেষে গননা করে দেখা গেছে, তিনি একটি ভোটও পাননি। তাহলে তিনি, তার স্ত্রী, পরিবারের অন্যান্য সদস্য, আত্মীয়স্বজন, তার শুভাকাঙ্খি, কর্মী-সমর্থক ও এজেন্ট কেউই কি তাকে ভোট দেননি।

এ ঘটনায় হতভম্ব এলাকার মানুষ। আদৌ তা সম্ভব কিনা। নজরুল ইসলাম টিউবওয়েল প্রতীকে কোন ভোট না পেলেও তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী নুরজামাল শেখ ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৭১৬, ফজলে রহমান বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪, সফিকুল ইসলাম তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭৭ ভোট। ভোটের এ ফলাফলে কোনভাবে হিসেব মেলাতে পারছেন না প্রার্থী নজরুল ইসলাম।

তিনি জানান, এ ঘটনায় আমি অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে বলেন, যদি কর্মী-সমর্থকরাও আমাকে ধোকা দিয়ে থাকেন তাহলে আমি, আমার স্ত্রী মেহরা খাতুন, বড় ছেলে মফিজুল ইসলাম, তার স্ত্রী কল্পনা খাতুন, মেজ ছেলে এনামুল হক, তার স্ত্রী ফরিদা বেগমসহ রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় স্বজনরা অনেকেই আমাকে ভোট দেন। প্রায় দেড়শত থেকে দুইশত ভোট আমি নিশ্চিত পাওয়ার কথা। সেখানে শুন্য ভোট হয় কিভাবে। আমি এটা মেনে নিতে পারছি না। তাই আমি সংশ্লিষ্ট অফিসে ভোট পুনঃগননার আবেদন জানিয়েছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন অফিসার আনোয়ার হোসেন আবেদন পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে বলেন, এটি আইনিভাবে মোকাবেলা করার জন্য তাকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।