ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নতুন রাষ্ট্রপতি দিয়ে সরকারকে যাত্রা শুরু করতে হবে: উমামা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছাত্রলীগ নেতা সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন ডা. জুবাইদা রহমান ফিলিস্তিন ভূখণ্ড দখলে ইসরায়েলি আইনের তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার স্বচ্ছতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায়: আসাদুজ্জামান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সাকিবকে খেলতে না দেওয়া দুর্নীতি হলে শাস্তি পেতে রাজি: আসিফ মাহমুদ পাকিস্তানের ‘ঘাড় মটকে’ দেয়ার হুঁশিয়ারি আফগানিস্তানের নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল

বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের আকাশে মার্কিন বোমারু বিমান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলের ওপর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি মার্কিন বোমারু বিমানকে উড়তে দেখা গেছে। বিমান উড্ডয়নের ওই ঘটনাকে মিত্র জাপানের সঙ্গে যৌথ মহড়ার অংশ বলে দাবি করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। দেশটির বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাপানের বিমান বাহিনীর সঙ্গে এক যৌথ মহড়ার অংশ হিসেবেই তারা দক্ষিন চীন সাগরে মহড়া দিয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরোটাই দাবি করে চীন। এশিয়ার অন্যান্য দেশও এ অঞ্চলে কিছু প্রবাল প্রাচীর ও দ্বীপের মালিকানা দাবি করে। ফলে এই অঞ্চল খুবই বিরোধপূর্ণ। অনেকদিন ধরেই এই অঞ্চলে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি এবং সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে চীন। অন্যদিকে এ অঞ্চলে ‘সামরিকীকরণ’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দীর্ঘদিন ধরেই পরস্পরকে দোষারোপ করে আসছে।

সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার প্রশান্ত মহাসাগরে মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের গুয়াম দ্বীপে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমানগুলি উড়ানো হয়। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের দাবিকৃত নিজস্ব জলসীমার ওপর দিয়েই চক্কর কেটেছে মার্কিন বোমারু বিমানগুলি।

দক্ষিণ চীন সাগর হয়ে বিভিন্ন দেশের পণ্যবাহী জাহাজ সারাবছর যাতায়াত করে। ওই অঞ্চলকে চীন নিজেদের জলসীমা বলে দাবি করলেও যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, দক্ষিণ চীন সাগর আন্তর্জাতিক জলভাগ এবং সেখানে স্বাধীনভাবে যাতায়াতের সুযোগ সব দেশেরই রয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে মার্কিন রণতরী প্রবেশ করার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ট্রাইটন দ্বীপে রণতরী ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে চীন। বেইজিং-এর দাবিকৃত দ্বীপটির ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ রণতরী প্রবেশ করায় নতুন করে এখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। একে মারাত্মক রাজনৈতিক ও সামরিক উষ্কানি উল্লেখ করে এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে যে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয়।

বৃহস্পতিবার দক্ষিণ চীন সাগরের আকাশে বোমারু বিমান উড়িয়ে ওই জলসীমায় বেইজিং-এর সার্বভৌম অধিকারকে চ্যালেঞ্জ করলো যুক্তরাষ্ট্র।

এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত চীনের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলের ওপর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি মার্কিন বোমারু বিমানকে উড়তে দেখা গেছে। বিমান উড্ডয়নের ওই ঘটনাকে মিত্র জাপানের সঙ্গে যৌথ মহড়ার অংশ বলে দাবি করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। দেশটির বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাপানের বিমান বাহিনীর সঙ্গে এক যৌথ মহড়ার অংশ হিসেবেই তারা দক্ষিন চীন সাগরে মহড়া দিয়েছে। দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরোটাই দাবি করে চীন। এশিয়ার অন্যান্য দেশও এ অঞ্চলে কিছু প্রবাল প্রাচীর ও দ্বীপের মালিকানা দাবি করে। ফলে এই অঞ্চল খুবই বিরোধপূর্ণ। অনেকদিন ধরেই এই অঞ্চলে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি এবং সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে চীন। অন্যদিকে এ অঞ্চলে ‘সামরিকীকরণ’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দীর্ঘদিন ধরেই পরস্পরকে দোষারোপ করে আসছে। সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার প্রশান্ত মহাসাগরে মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের গুয়াম দ্বীপে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমানগুলি উড়ানো হয়। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের দাবিকৃত নিজস্ব জলসীমার ওপর দিয়েই চক্কর কেটেছে মার্কিন বোমারু বিমানগুলি। দক্ষিণ চীন সাগর হয়ে বিভিন্ন দেশের পণ্যবাহী জাহাজ সারাবছর যাতায়াত করে। ওই অঞ্চলকে চীন নিজেদের জলসীমা বলে দাবি করলেও যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, দক্ষিণ চীন সাগর আন্তর্জাতিক জলভাগ এবং সেখানে স্বাধীনভাবে যাতায়াতের সুযোগ সব দেশেরই রয়েছে। দক্ষিণ চীন সাগরে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে মার্কিন রণতরী প্রবেশ করার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ট্রাইটন দ্বীপে রণতরী ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে চীন। বেইজিং-এর দাবিকৃত দ্বীপটির ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ রণতরী প্রবেশ করায় নতুন করে এখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। একে মারাত্মক রাজনৈতিক ও সামরিক উষ্কানি উল্লেখ করে এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে যে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয়। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ চীন সাগরের আকাশে বোমারু বিমান উড়িয়ে ওই জলসীমায় বেইজিং-এর সার্বভৌম অধিকারকে চ্যালেঞ্জ করলো যুক্তরাষ্ট্র। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত চীনের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের আকাশে মার্কিন বোমারু বিমান

আপডেট সময় ০১:২৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলের ওপর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি মার্কিন বোমারু বিমানকে উড়তে দেখা গেছে। বিমান উড্ডয়নের ওই ঘটনাকে মিত্র জাপানের সঙ্গে যৌথ মহড়ার অংশ বলে দাবি করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। দেশটির বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাপানের বিমান বাহিনীর সঙ্গে এক যৌথ মহড়ার অংশ হিসেবেই তারা দক্ষিন চীন সাগরে মহড়া দিয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরোটাই দাবি করে চীন। এশিয়ার অন্যান্য দেশও এ অঞ্চলে কিছু প্রবাল প্রাচীর ও দ্বীপের মালিকানা দাবি করে। ফলে এই অঞ্চল খুবই বিরোধপূর্ণ। অনেকদিন ধরেই এই অঞ্চলে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি এবং সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে চীন। অন্যদিকে এ অঞ্চলে ‘সামরিকীকরণ’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দীর্ঘদিন ধরেই পরস্পরকে দোষারোপ করে আসছে।

সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার প্রশান্ত মহাসাগরে মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের গুয়াম দ্বীপে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমানগুলি উড়ানো হয়। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের দাবিকৃত নিজস্ব জলসীমার ওপর দিয়েই চক্কর কেটেছে মার্কিন বোমারু বিমানগুলি।

দক্ষিণ চীন সাগর হয়ে বিভিন্ন দেশের পণ্যবাহী জাহাজ সারাবছর যাতায়াত করে। ওই অঞ্চলকে চীন নিজেদের জলসীমা বলে দাবি করলেও যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, দক্ষিণ চীন সাগর আন্তর্জাতিক জলভাগ এবং সেখানে স্বাধীনভাবে যাতায়াতের সুযোগ সব দেশেরই রয়েছে।

দক্ষিণ চীন সাগরে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে মার্কিন রণতরী প্রবেশ করার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ট্রাইটন দ্বীপে রণতরী ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে চীন। বেইজিং-এর দাবিকৃত দ্বীপটির ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ রণতরী প্রবেশ করায় নতুন করে এখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। একে মারাত্মক রাজনৈতিক ও সামরিক উষ্কানি উল্লেখ করে এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে যে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয়।

বৃহস্পতিবার দক্ষিণ চীন সাগরের আকাশে বোমারু বিমান উড়িয়ে ওই জলসীমায় বেইজিং-এর সার্বভৌম অধিকারকে চ্যালেঞ্জ করলো যুক্তরাষ্ট্র।

এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত চীনের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলের ওপর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি মার্কিন বোমারু বিমানকে উড়তে দেখা গেছে। বিমান উড্ডয়নের ওই ঘটনাকে মিত্র জাপানের সঙ্গে যৌথ মহড়ার অংশ বলে দাবি করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। দেশটির বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাপানের বিমান বাহিনীর সঙ্গে এক যৌথ মহড়ার অংশ হিসেবেই তারা দক্ষিন চীন সাগরে মহড়া দিয়েছে। দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় পুরোটাই দাবি করে চীন। এশিয়ার অন্যান্য দেশও এ অঞ্চলে কিছু প্রবাল প্রাচীর ও দ্বীপের মালিকানা দাবি করে। ফলে এই অঞ্চল খুবই বিরোধপূর্ণ। অনেকদিন ধরেই এই অঞ্চলে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি এবং সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করে আসছে চীন। অন্যদিকে এ অঞ্চলে ‘সামরিকীকরণ’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দীর্ঘদিন ধরেই পরস্পরকে দোষারোপ করে আসছে। সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার প্রশান্ত মহাসাগরে মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের গুয়াম দ্বীপে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমানগুলি উড়ানো হয়। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের দাবিকৃত নিজস্ব জলসীমার ওপর দিয়েই চক্কর কেটেছে মার্কিন বোমারু বিমানগুলি। দক্ষিণ চীন সাগর হয়ে বিভিন্ন দেশের পণ্যবাহী জাহাজ সারাবছর যাতায়াত করে। ওই অঞ্চলকে চীন নিজেদের জলসীমা বলে দাবি করলেও যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, দক্ষিণ চীন সাগর আন্তর্জাতিক জলভাগ এবং সেখানে স্বাধীনভাবে যাতায়াতের সুযোগ সব দেশেরই রয়েছে। দক্ষিণ চীন সাগরে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে মার্কিন রণতরী প্রবেশ করার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ট্রাইটন দ্বীপে রণতরী ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে চীন। বেইজিং-এর দাবিকৃত দ্বীপটির ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ রণতরী প্রবেশ করায় নতুন করে এখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। একে মারাত্মক রাজনৈতিক ও সামরিক উষ্কানি উল্লেখ করে এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে যে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেয়। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ চীন সাগরের আকাশে বোমারু বিমান উড়িয়ে ওই জলসীমায় বেইজিং-এর সার্বভৌম অধিকারকে চ্যালেঞ্জ করলো যুক্তরাষ্ট্র। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত চীনের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।