ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আল আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়াবই: মাহমুদ আব্বাস

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:   

মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।

তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের চলমান আন্দোলন সংগ্রাম কখনোই থামবে না যতদিন না পর্যন্ত মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল আকসা মসজিদে এবং ফিলিস্তিনের রাজধানী বায়তুল মোকাদ্দাস বা জেরুজালেমে ফিলিস্তিনি পতাকা না উড়ানো হয়।

ফিলিস্তিনি ভূমি দখলের ৭২তম নাকাবা দিবস বা বিপর্যয় দিবস উপলক্ষে দেয়া এক ভাষণে মাহমুদ আব্বাস এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার বানচাল করার জন্য ইহুদিবাদী ইসরাইলের সব পরিকল্পনা এবং ষড়যন্ত্র ফিলিস্তিনের সব প্রতিরোধকামী সংগঠনের সহযোগিতায় রুখে দেয়া হয়েছে।

তিনি হুশিয়ার করে বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল যদি পশ্চিমতীরের কোনো একটি অংশ দখলকৃত ভূমির সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করে তাহলে তিনি তেলআবিবের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করে দেবেন।

‘ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্র যদি পশ্চিমতীরের ভূমিদখলের ষড়যন্ত্রমূলক চুক্তি বাস্তবায়ন করে তাহলে আমরা তেলআবিব ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করব’-যোগ করেন মাহমুদ আব্বাস।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট বলেন, দখলদার ইসরাইলের নানামুখী ষড়যন্ত্র এবং বিদ্বেষী নীতি অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও ফিলিস্তিন সরকার জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সঠিক কর্মপন্থা অবলম্বন করবে এবং ফিলিস্তিনিদের পবিত্র ভূমি থেকে দখলদারদের না তাড়ানো পর্যন্ত প্রতিরোধ সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ইসরাইলের সংসদ নেসেটে একটি বিল উত্থাপন করেছে। ওই বিলে জর্দান উপত্যকা, ডেড সি’র উত্তরাঞ্চল এবং পশ্চিমতীরকে ইসরাইলের সার্বভৌম অঞ্চল হিসেবে সংযুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফিলিস্তিন জুড়ে এই পরিকল্পনার নিন্দা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আল আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়াবই: মাহমুদ আব্বাস

আপডেট সময় ০১:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:   

মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।

তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের চলমান আন্দোলন সংগ্রাম কখনোই থামবে না যতদিন না পর্যন্ত মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল আকসা মসজিদে এবং ফিলিস্তিনের রাজধানী বায়তুল মোকাদ্দাস বা জেরুজালেমে ফিলিস্তিনি পতাকা না উড়ানো হয়।

ফিলিস্তিনি ভূমি দখলের ৭২তম নাকাবা দিবস বা বিপর্যয় দিবস উপলক্ষে দেয়া এক ভাষণে মাহমুদ আব্বাস এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার বানচাল করার জন্য ইহুদিবাদী ইসরাইলের সব পরিকল্পনা এবং ষড়যন্ত্র ফিলিস্তিনের সব প্রতিরোধকামী সংগঠনের সহযোগিতায় রুখে দেয়া হয়েছে।

তিনি হুশিয়ার করে বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল যদি পশ্চিমতীরের কোনো একটি অংশ দখলকৃত ভূমির সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করে তাহলে তিনি তেলআবিবের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করে দেবেন।

‘ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্র যদি পশ্চিমতীরের ভূমিদখলের ষড়যন্ত্রমূলক চুক্তি বাস্তবায়ন করে তাহলে আমরা তেলআবিব ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করব’-যোগ করেন মাহমুদ আব্বাস।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট বলেন, দখলদার ইসরাইলের নানামুখী ষড়যন্ত্র এবং বিদ্বেষী নীতি অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও ফিলিস্তিন সরকার জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সঠিক কর্মপন্থা অবলম্বন করবে এবং ফিলিস্তিনিদের পবিত্র ভূমি থেকে দখলদারদের না তাড়ানো পর্যন্ত প্রতিরোধ সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ইসরাইলের সংসদ নেসেটে একটি বিল উত্থাপন করেছে। ওই বিলে জর্দান উপত্যকা, ডেড সি’র উত্তরাঞ্চল এবং পশ্চিমতীরকে ইসরাইলের সার্বভৌম অঞ্চল হিসেবে সংযুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফিলিস্তিন জুড়ে এই পরিকল্পনার নিন্দা চলছে।