ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গার্মেন্টস খোলা, দোকানে আনাগোনায় রোগী বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পোশাক কারখানা খোলা এবং দোকানে আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে বলে মনে করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তবে জীবন ও জীবিকা একসঙ্গে চালিয়ে নিতে করোনা রোগী আর যাতে না বাড়ে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সে চেষ্টা করবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভা শেষে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মঙ্গলবার (০৫ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আগামী দিনে সংক্রমণের হার নিয়ে এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, আমাদের মৃত্যু হার অন্যদেশের তুলনায় কম। সংক্রমণ কিছু বাড়ছে। গত ৮ থেকে ১০ দিনে ৪০০ থেকে ৫০০ করে, এরপর ৬০০, এখন ৭০০।

‘যেহেতু এখন মার্কেট খোলা হয়েছে, গার্মেন্টস খোলা হয়েছে, দোকানপাটে আনাগোনা বাড়ছে, কাজেই সংক্রমণ একটু বাড়বে, এটা আমরা ধরেই নিতে পারি। আমাদের যতটুকু সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আমাদের জীবন এবং জীবিকা দুটোই একসঙ্গে চালিয়ে যেতে হবে। কাজেই সেভাবেই কাজগুলো করে যাচ্ছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চেষ্টা করবে যাতে রোগী না বাড়ে। আমাদের ম্যান্টেড হবে যাতে রোগী সঠিক চিকিৎসা পায়। সঠিকভাবে রাখতে পারি।’

মন্ত্রী জানান, প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা বৈঠক করে টেকনিক্যাল কমিটির মতামত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। আমরা তাদের পরামর্শ বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।

‘লকডাউন তুলে দেওয়া এবং দোকানপাট খোলার বিষয়ে টেকনিক্যাল কমিটি যে সুচিন্তিত পরামর্শ দেবেন, সেগুলো আমরা গ্রহণ করে যথাযথ জায়গায় পৌঁছে দেব। তারপরে সরকারের যে নির্দেশনা থাকবে, সে অনুযায়ী কাজ করব।’

সভায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ ১৭ সদস্য বিশিষ্ট সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

গার্মেন্টস খোলা, দোকানে আনাগোনায় রোগী বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পোশাক কারখানা খোলা এবং দোকানে আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েছে বলে মনে করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তবে জীবন ও জীবিকা একসঙ্গে চালিয়ে নিতে করোনা রোগী আর যাতে না বাড়ে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সে চেষ্টা করবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভা শেষে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মঙ্গলবার (০৫ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আগামী দিনে সংক্রমণের হার নিয়ে এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, আমাদের মৃত্যু হার অন্যদেশের তুলনায় কম। সংক্রমণ কিছু বাড়ছে। গত ৮ থেকে ১০ দিনে ৪০০ থেকে ৫০০ করে, এরপর ৬০০, এখন ৭০০।

‘যেহেতু এখন মার্কেট খোলা হয়েছে, গার্মেন্টস খোলা হয়েছে, দোকানপাটে আনাগোনা বাড়ছে, কাজেই সংক্রমণ একটু বাড়বে, এটা আমরা ধরেই নিতে পারি। আমাদের যতটুকু সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আমাদের জীবন এবং জীবিকা দুটোই একসঙ্গে চালিয়ে যেতে হবে। কাজেই সেভাবেই কাজগুলো করে যাচ্ছি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় চেষ্টা করবে যাতে রোগী না বাড়ে। আমাদের ম্যান্টেড হবে যাতে রোগী সঠিক চিকিৎসা পায়। সঠিকভাবে রাখতে পারি।’

মন্ত্রী জানান, প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা বৈঠক করে টেকনিক্যাল কমিটির মতামত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। আমরা তাদের পরামর্শ বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।

‘লকডাউন তুলে দেওয়া এবং দোকানপাট খোলার বিষয়ে টেকনিক্যাল কমিটি যে সুচিন্তিত পরামর্শ দেবেন, সেগুলো আমরা গ্রহণ করে যথাযথ জায়গায় পৌঁছে দেব। তারপরে সরকারের যে নির্দেশনা থাকবে, সে অনুযায়ী কাজ করব।’

সভায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ ১৭ সদস্য বিশিষ্ট সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।