ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মাহমুদউল্লাহর অনিন্দ্যসুন্দর সেঞ্চুরি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সেঞ্চুরি পেতে পারতেন সাদমান ইসলাম ও সাকিব আল হাসান। তবে সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি তারা। কিন্তু অসীম ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে ঠিকই সেঞ্চুরি করে ছাড়লেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রোস্টন চেজকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করলেন তিনি। মাটি কামড়ে পড়ে থেকে এ পথে ২০৩ বলে মাত্র ৬টি চার মেরেছেন মিস্টার কুল। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক।

মাহমুদউল্লাহ প্রথম সেঞ্চুরি করেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১০ সালে। এরপর এ ফরম্যাটে ভীষণ রানখরায় ভুগেছেন তিনি। দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পেতে আট বছরের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে তাকে।গেল মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুরেই তিন অংক স্পর্শ করেন এ মিডলঅর্ডার। তিন সপ্তাহ না পার হতেই ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি পেয়ে গেলেন তিনি। ক্যারিয়ারে সম্ভবত এটিই তার চোয়ালবদ্ধ সেঞ্চুরি।

শেষ খবর পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৪৫৭ রান করেছে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ ১০৩ এবং তাইজুল ইসলাম ২১ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। ইতিমধ্যে প্রাথমিক লক্ষ্য ৪০০ রান ছাড়িয়ে গেছে টাইগাররা। এখন রানটাকে যত বাড়িয়ে নেয়া যায়-তাই টার্গেট তাদের।

প্রথম দিনের ৫ উইকেটে ২৫৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন খেলতে নামে বাংলাদেশ। সাকিব ৫৫ ও মাহমুদউল্লাহ ৩১ রান নিয়ে খেলা শুরু করেন। প্রথম ইনিংসে ৪০০ করতে পারলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া যাবে। সেই প্রত্যয় নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেন তারা। ধীরে ধীরে সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল টাইগাররা। দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই ব্যাটিং স্তম্ভ।

স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছুটিয়ে সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন সাকিব। দারুণ খেলছিলেন তিনি। রীতিমতো প্রতিপক্ষ বোলারদের শাসাচ্ছিলেন। তবে হঠাৎই খেই হারান। কেমার রোচের বলে গালিতে শাই হোপকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন স্বাগতিক অধিনায়ক । ফেরার আগে ৬ চারে ৮০ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন তিনি। তাতে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে ভাঙে তার ১১১ রানের জুটি।

সকালে দ্রুত ফিরেছিলেন সাকিব। তবে তার বিদায়ের প্রভাব বিন্দুমাত্র টের পেতে দেননি লিটন দাস। স্বাচ্ছন্দে খেলেন তিনি। সোজা ব্যাট চালান।তবে প্রথমবারের মতো পরাস্ত হতেই সাজঘরে ফেরেন দারুণ খেলতে থাকা এ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে ফেরেন তিনি।

ফেরার আগে রানের ফোয়ারা ছুটিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে চতুর্থ ফিফটি তুলে নেন লিটন। শেষ পর্যন্ত ওয়ানডে স্টাইলে দৃষ্টিনন্দন সব শট খেলে ৫৪ রানে ফেরেন তিনি। এর ৩৮ রানই আসে চার (৮টি) ও ছক্কা (১টি) থেকে।

লিটনের পর ক্রিজে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতেও আলো ছড়াচ্ছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তার ওপর এদিনও প্রত্যাশা ছিল দলের। তবে আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান। জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে ব্যক্তিগত ১৮ রানে ফেরেন তিনি। প্রথমে অবশ্য আউট দেননি আম্পায়ার। পরে ক্যারিবিয়ানরা রিভিউ নিলে তাদের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক প্রমাণ হলে আঙুল উঁচু করতে বাধ্য হন আলিম দার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মাহমুদউল্লাহর অনিন্দ্যসুন্দর সেঞ্চুরি

আপডেট সময় ০২:৩৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সেঞ্চুরি পেতে পারতেন সাদমান ইসলাম ও সাকিব আল হাসান। তবে সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি তারা। কিন্তু অসীম ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে ঠিকই সেঞ্চুরি করে ছাড়লেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রোস্টন চেজকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করলেন তিনি। মাটি কামড়ে পড়ে থেকে এ পথে ২০৩ বলে মাত্র ৬টি চার মেরেছেন মিস্টার কুল। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক।

মাহমুদউল্লাহ প্রথম সেঞ্চুরি করেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১০ সালে। এরপর এ ফরম্যাটে ভীষণ রানখরায় ভুগেছেন তিনি। দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পেতে আট বছরের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে তাকে।গেল মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুরেই তিন অংক স্পর্শ করেন এ মিডলঅর্ডার। তিন সপ্তাহ না পার হতেই ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি পেয়ে গেলেন তিনি। ক্যারিয়ারে সম্ভবত এটিই তার চোয়ালবদ্ধ সেঞ্চুরি।

শেষ খবর পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৪৫৭ রান করেছে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ ১০৩ এবং তাইজুল ইসলাম ২১ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। ইতিমধ্যে প্রাথমিক লক্ষ্য ৪০০ রান ছাড়িয়ে গেছে টাইগাররা। এখন রানটাকে যত বাড়িয়ে নেয়া যায়-তাই টার্গেট তাদের।

প্রথম দিনের ৫ উইকেটে ২৫৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন খেলতে নামে বাংলাদেশ। সাকিব ৫৫ ও মাহমুদউল্লাহ ৩১ রান নিয়ে খেলা শুরু করেন। প্রথম ইনিংসে ৪০০ করতে পারলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া যাবে। সেই প্রত্যয় নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেন তারা। ধীরে ধীরে সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল টাইগাররা। দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই ব্যাটিং স্তম্ভ।

স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছুটিয়ে সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন সাকিব। দারুণ খেলছিলেন তিনি। রীতিমতো প্রতিপক্ষ বোলারদের শাসাচ্ছিলেন। তবে হঠাৎই খেই হারান। কেমার রোচের বলে গালিতে শাই হোপকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন স্বাগতিক অধিনায়ক । ফেরার আগে ৬ চারে ৮০ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন তিনি। তাতে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে ভাঙে তার ১১১ রানের জুটি।

সকালে দ্রুত ফিরেছিলেন সাকিব। তবে তার বিদায়ের প্রভাব বিন্দুমাত্র টের পেতে দেননি লিটন দাস। স্বাচ্ছন্দে খেলেন তিনি। সোজা ব্যাট চালান।তবে প্রথমবারের মতো পরাস্ত হতেই সাজঘরে ফেরেন দারুণ খেলতে থাকা এ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে ফেরেন তিনি।

ফেরার আগে রানের ফোয়ারা ছুটিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে চতুর্থ ফিফটি তুলে নেন লিটন। শেষ পর্যন্ত ওয়ানডে স্টাইলে দৃষ্টিনন্দন সব শট খেলে ৫৪ রানে ফেরেন তিনি। এর ৩৮ রানই আসে চার (৮টি) ও ছক্কা (১টি) থেকে।

লিটনের পর ক্রিজে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতেও আলো ছড়াচ্ছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তার ওপর এদিনও প্রত্যাশা ছিল দলের। তবে আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান। জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে ব্যক্তিগত ১৮ রানে ফেরেন তিনি। প্রথমে অবশ্য আউট দেননি আম্পায়ার। পরে ক্যারিবিয়ানরা রিভিউ নিলে তাদের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক প্রমাণ হলে আঙুল উঁচু করতে বাধ্য হন আলিম দার।