অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
গণভবনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নির্বাচনী আচরণবিধির ১৪ (২) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, গণভবনে আওয়ামী লীগের প্রায় সাড়ে চার হাজার প্রার্থী সাক্ষাৎকার ও সেখানে সম্মিলিত হওয়ার দলীয় সভার আয়োজন করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। অথচ এ রকম একটি রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় ও সরকারি অর্থায়নে সম্পূর্ণরূপে নিয়মবহির্ভূত। আর এ বিষয়ে নিশ্চুপ নির্বাচন কমিশন। এখন প্রধান নির্বাচন কমিশনার টু শব্দটিও করেননি।
তিনি বলেন, গণভবনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নির্বাচনী আচরণবিধির ১৪ (২) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ওই ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় সুবিধাভোগী ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন না। শেখ হাসিনার জন্য কোনো আইনই প্রযোজ্য নয়।
তিনি অভিযোগ করেন, গণভবনের আশপাশের রাস্তায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভিড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো আক্রমণ চালায়নি। শাসকগোষ্ঠীর চোখের ইঙ্গিতেই পুলিশ নড়াচড়া করে। ভোটারশূন্য করে রক্তাক্ত পথেই তারা নির্বাচন পার করতে চায়।
তিনি বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর অস্ত্র জমা দেয়ার ব্যাপারে এখনও কোনো নির্দেশনা দেয়নি নির্বাচন কমিশন। বিগত ১০ বছরে আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের হাতে প্রচুর পরিমাণ বৈধ-অবৈধ অস্ত্র দেয়া হয়েছে।
নির্বাচনকালীন অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও বৈধ অস্ত্র জমাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি হলেও নির্বাচন কমিশন নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে। এতে প্রমাণিত হয়-নির্বাচন কমিশন বিশেষ দলের পক্ষেই নির্বাচনী মাঠ সমতল করছে, বলেন রিজভী।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















