ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি কানাডায় এমপি মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি ১২ ফেব্রুয়ারির আগে শেরপুর-৩ আসনে তফসিল ঘোষণার সুযোগ নেই: ইসি মাছউদ রিপাবলিকানদের ভোটের নিয়ন্ত্রণ নিতে বললেন ট্রাম্প জয়ের ভার্চুয়াল বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া আ.লীগ সমর্থকদের ৪৮ শতাংশের পছন্দ বিএনপি: সিআরএফের জরিপ স্বৈরাচারের মতোই গুপ্তরা এখন নতুন জালিমে পরিণত হয়েছে : তারেক রহমান জুলাই সনদ রক্তের অক্ষরে শপথের স্বাক্ষর: আলী রীয়াজ মা-বোনদের কটু কথা নয়, সম্মান দিলেই বেহেশত পেতে পারি: মির্জা ফখরুল উত্তরবঙ্গকে আমরা কৃষিশিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব : জামায়াত আমির

কেন নির্বাচন পেছাতে চায় ঐক্যফ্রন্ট?

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের বৃহৎ বিরোধী দল বিএনপি নিয়ে গঠিত গণফোরাম সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন পেছানোর দাবি নিয়ে আরও একবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেছে।

ইতিমধ্যেই বিরোধী জোট বি. চৌধুরীর যুক্তফ্রন্টের দাবির মুখে নির্বাচন এক সপ্তাহ পিছিয়ে পুনঃতফসিল ঘোষণা করেছে ইসি। কিন্তু জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বলছে, এটি যথেষ্ট নয়। তারা বুধবার বিকালে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করে আরও তিন সপ্তাহ পেছানোর দাবি জানিয়েছে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ দাবির জবাবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে তারা বিষয়টি আলোচনা করে দেখবে।

নির্বাচন আরও পেছানোর পক্ষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের যুক্তিগুলো কী? এমন প্রশ্নে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক দল গণফোরামের নেতা মোস্তাফা মহসীন মন্টুর উদ্ধৃতি দিয়ে বিবিসি বাংলা তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রস্তুতির জন্য শরিক দলগুলোর যে সময়টুকু দরকার সেটা যথেষ্ট নয় বলে দাবি করছে ঐক্যফ্রন্ট।

মন্টু যুক্তি তোলে ধরে বলেন, ‘একটা অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে গেলে প্রার্থীদের যার যার এলাকায় থাকা প্রয়োজন এবং কমপক্ষে এক মাস ধরে প্রচার ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করতে হয়।

তিনি বলেন, ‘প্রার্থীরা যারা আছেন তাদের সমর্থকদের বেশির ভাগই মামলা মোকদ্দমা নিয়ে ফেরারি হয়ে আছেন। সে বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখানে হঠাৎ করে নির্বাচন কমিশন তফসিলটা ঘোষণা করলেন এরপর তারা মাত্র সাতদিন পেছালেন, আমাদের কিন্তু দাবি ছিল আরও একমাস পিছিয়ে দেয়া।’

নির্বাচনের একটা সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে গেলে প্রার্থীদের প্রচার কাজে সহযোগিতা করা যেমন, লিফলেট বিতরণ, পোস্টার টানানো, তারপর মিছিল মিটিং করা- এসব নানা কাজের জন্য একটা পরিবেশ থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ নেতা।

কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন শেষ করার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনেরও একটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ বিষয়ে মোস্তাফা মহসীন মন্টু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই দফা সংলাপে ড. কামাল হোসেন সংবিধানের মধ্যে দিয়েই নির্বাচনটা যে হতে পারে এবং নির্বাচনটা পেছানো যেতে পারে সেই ব্যাখ্যাগুলো দিয়েছেন।’

তবে নির্বাচন কমিশন যদি ভোটগ্রহণের তারিখ না পেছায় তখন পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি

কেন নির্বাচন পেছাতে চায় ঐক্যফ্রন্ট?

আপডেট সময় ১০:৫৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের বৃহৎ বিরোধী দল বিএনপি নিয়ে গঠিত গণফোরাম সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন পেছানোর দাবি নিয়ে আরও একবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেছে।

ইতিমধ্যেই বিরোধী জোট বি. চৌধুরীর যুক্তফ্রন্টের দাবির মুখে নির্বাচন এক সপ্তাহ পিছিয়ে পুনঃতফসিল ঘোষণা করেছে ইসি। কিন্তু জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বলছে, এটি যথেষ্ট নয়। তারা বুধবার বিকালে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করে আরও তিন সপ্তাহ পেছানোর দাবি জানিয়েছে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ দাবির জবাবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে তারা বিষয়টি আলোচনা করে দেখবে।

নির্বাচন আরও পেছানোর পক্ষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের যুক্তিগুলো কী? এমন প্রশ্নে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক দল গণফোরামের নেতা মোস্তাফা মহসীন মন্টুর উদ্ধৃতি দিয়ে বিবিসি বাংলা তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রস্তুতির জন্য শরিক দলগুলোর যে সময়টুকু দরকার সেটা যথেষ্ট নয় বলে দাবি করছে ঐক্যফ্রন্ট।

মন্টু যুক্তি তোলে ধরে বলেন, ‘একটা অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে গেলে প্রার্থীদের যার যার এলাকায় থাকা প্রয়োজন এবং কমপক্ষে এক মাস ধরে প্রচার ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করতে হয়।

তিনি বলেন, ‘প্রার্থীরা যারা আছেন তাদের সমর্থকদের বেশির ভাগই মামলা মোকদ্দমা নিয়ে ফেরারি হয়ে আছেন। সে বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখানে হঠাৎ করে নির্বাচন কমিশন তফসিলটা ঘোষণা করলেন এরপর তারা মাত্র সাতদিন পেছালেন, আমাদের কিন্তু দাবি ছিল আরও একমাস পিছিয়ে দেয়া।’

নির্বাচনের একটা সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে গেলে প্রার্থীদের প্রচার কাজে সহযোগিতা করা যেমন, লিফলেট বিতরণ, পোস্টার টানানো, তারপর মিছিল মিটিং করা- এসব নানা কাজের জন্য একটা পরিবেশ থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এ নেতা।

কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন শেষ করার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনেরও একটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ বিষয়ে মোস্তাফা মহসীন মন্টু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই দফা সংলাপে ড. কামাল হোসেন সংবিধানের মধ্যে দিয়েই নির্বাচনটা যে হতে পারে এবং নির্বাচনটা পেছানো যেতে পারে সেই ব্যাখ্যাগুলো দিয়েছেন।’

তবে নির্বাচন কমিশন যদি ভোটগ্রহণের তারিখ না পেছায় তখন পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তিনি।