ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি বাবাকে অপমানের ক্ষোভে ৫ বছরের শিশুকে হত্যা করেন নিহা ‘রিফাইন্ড’ বা অন্য নামেও আওয়ামী লীগ কর্মসূচি করতে পারবে না : তথ্য উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূতি উপলক্ষে জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল রাজধানীর তিন সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান, আটক ১৩ পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা প্রত্যাহার করল বিরোধী দল ১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ফিফটি করে ফিরলেন মিথুন, বড় লিডের পথে বাংলাদেশ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

২৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে মোহাম্মদ মিথুন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্রতিরোধ। বুঝেশুনে খেলছিলেন তারা। দুজনের মধ্যে গড়ে উঠেছিল দারুণ মেলবন্ধন। তাতে বাড়ছিল লিড। তবে হঠাৎ খেই হারালেন মিথুন। সিকান্দার রাজার বলে রেজিস চাকাভাকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন তিনি।

ফেরার আগে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম ফিফটি তুলে নিয়েছেন মিথুন। ১১০ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৬৭ রান করেন তিনি। এতে অভিষেকেই ফিফটি করার কীর্তি গড়লেন এ মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান। অবশ্য প্রথম ইনিংসে দৃষ্টিকটু শটে আউট হয়েছিলেন তিনি।

শেষ খবর পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৪৬ রান করেছে বাংলাদেশ। এতে লিড দাঁড়িয়েছে ৩৬৪ রান। ইতিমধ্যে ফিফটি তুলে নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহও । এটি তার ক্যারিয়ারের ১৬তম টেস্ট ফিফটি। তিনি ৫৪ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন। ২ রান নিয়ে তার সঙ্গী আরিফুল হক। যত দ্রুত সম্ভব লিড বাড়ানোটাই তাদের লক্ষ্য।

জিম্বাবুয়েকে ফলোঅনে ফেলবে নাকি বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামবে? এ প্রশ্নের জবাব পেতে রাতভর অপেক্ষা করতে হয়। অবশেষে সফরকারীদের ফলোঅনে না ফেলে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে টাইগাররা। ২১৮ রানের এগিয়ে থেকে খেলা শুরু করেন তারা।

তবে শুরুটা শুভ হয়নি বাংলাদেশের। সকালের উইকেটে যথেষ্ট আর্দ্রতা ছিল। বাড়তি সুবিধা পাচ্ছিলেন পেসারররা। একস্ট্রা সুইং ও বাউন্স করছিল। এ বেলায় একটু দেখেশুনে খেলা উচিত ছিল। তা সত্ত্বেও শট খেলার নেশা ছাড়তে পারেননি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরাও। ফলে কাণ্ডজ্ঞানহীন শট খেলে এসেছেন আর গিয়েছেন।

সূচনালগ্নেই কাইল জার্ভিসের জোড়া আঘাতে ফেরেন লিটন দাস ও ইমরুল কায়েস।খানিক বাদে ডোনাল্ড তিরিপানোকে উইকেট উপহার দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন মুমিনুল হক।এতে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।সেই চাপের মধ্যে আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি মুশফিক।অযাচিত শট খেলতে গিয়ে তিরিপানোর বলির পাঁঠা হয়ে ফেরেন তিনি। ফলে ভয়াবহ বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৫২২ রানের পুঁজির বিপরীতে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ৩০৪ রানে। ফলে ফলোঅনে পড়ে রোডেশিয়ানরা। ব্রেন্ডন টেইলরের লড়াকু সেঞ্চুরি (১১০) এবং পিটার মুর (৮৩) ও ব্রায়ান চারির (৫৩) অসাধারণ ফিফটিতেও ফলোঅন এড়াতে পারেনি তারা।যার বদৌলতে ২১৮ রানের লিড পায় টাইগাররা।

জিম্বাবুয়েকে এ পরিস্থিতিতে ফেলার নেপথ্য নায়ক তাইজুল ইসলাম। তিনি একাই শিকার করেন ৫ উইকেট। দিনটি ছিল তার জন্য বেশ স্মরণীয়। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ এবং টানা তিন ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখান এ বাঁহাতি স্পিনার। বাংলাদেশের হয়ে এমন কীর্তি আছে কেবল এনামুল হক জুনিয়র ও সাকিব আল হাসানের।এদিন তাইজুলকে দারুণ সঙ্গ দেন মিরাজ। তার শিকার ৩ উইকেট।

প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি (২১৯),মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি (১৬১) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে (৬৮) রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেন স্বাগতিক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৫ উইকেট নেন কাইল জার্ভিস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি

ফিফটি করে ফিরলেন মিথুন, বড় লিডের পথে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৩:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

২৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে মোহাম্মদ মিথুন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্রতিরোধ। বুঝেশুনে খেলছিলেন তারা। দুজনের মধ্যে গড়ে উঠেছিল দারুণ মেলবন্ধন। তাতে বাড়ছিল লিড। তবে হঠাৎ খেই হারালেন মিথুন। সিকান্দার রাজার বলে রেজিস চাকাভাকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন তিনি।

ফেরার আগে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম ফিফটি তুলে নিয়েছেন মিথুন। ১১০ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৬৭ রান করেন তিনি। এতে অভিষেকেই ফিফটি করার কীর্তি গড়লেন এ মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান। অবশ্য প্রথম ইনিংসে দৃষ্টিকটু শটে আউট হয়েছিলেন তিনি।

শেষ খবর পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৪৬ রান করেছে বাংলাদেশ। এতে লিড দাঁড়িয়েছে ৩৬৪ রান। ইতিমধ্যে ফিফটি তুলে নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহও । এটি তার ক্যারিয়ারের ১৬তম টেস্ট ফিফটি। তিনি ৫৪ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন। ২ রান নিয়ে তার সঙ্গী আরিফুল হক। যত দ্রুত সম্ভব লিড বাড়ানোটাই তাদের লক্ষ্য।

জিম্বাবুয়েকে ফলোঅনে ফেলবে নাকি বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামবে? এ প্রশ্নের জবাব পেতে রাতভর অপেক্ষা করতে হয়। অবশেষে সফরকারীদের ফলোঅনে না ফেলে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে টাইগাররা। ২১৮ রানের এগিয়ে থেকে খেলা শুরু করেন তারা।

তবে শুরুটা শুভ হয়নি বাংলাদেশের। সকালের উইকেটে যথেষ্ট আর্দ্রতা ছিল। বাড়তি সুবিধা পাচ্ছিলেন পেসারররা। একস্ট্রা সুইং ও বাউন্স করছিল। এ বেলায় একটু দেখেশুনে খেলা উচিত ছিল। তা সত্ত্বেও শট খেলার নেশা ছাড়তে পারেননি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরাও। ফলে কাণ্ডজ্ঞানহীন শট খেলে এসেছেন আর গিয়েছেন।

সূচনালগ্নেই কাইল জার্ভিসের জোড়া আঘাতে ফেরেন লিটন দাস ও ইমরুল কায়েস।খানিক বাদে ডোনাল্ড তিরিপানোকে উইকেট উপহার দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন মুমিনুল হক।এতে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।সেই চাপের মধ্যে আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি মুশফিক।অযাচিত শট খেলতে গিয়ে তিরিপানোর বলির পাঁঠা হয়ে ফেরেন তিনি। ফলে ভয়াবহ বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৫২২ রানের পুঁজির বিপরীতে জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ৩০৪ রানে। ফলে ফলোঅনে পড়ে রোডেশিয়ানরা। ব্রেন্ডন টেইলরের লড়াকু সেঞ্চুরি (১১০) এবং পিটার মুর (৮৩) ও ব্রায়ান চারির (৫৩) অসাধারণ ফিফটিতেও ফলোঅন এড়াতে পারেনি তারা।যার বদৌলতে ২১৮ রানের লিড পায় টাইগাররা।

জিম্বাবুয়েকে এ পরিস্থিতিতে ফেলার নেপথ্য নায়ক তাইজুল ইসলাম। তিনি একাই শিকার করেন ৫ উইকেট। দিনটি ছিল তার জন্য বেশ স্মরণীয়। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ এবং টানা তিন ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখান এ বাঁহাতি স্পিনার। বাংলাদেশের হয়ে এমন কীর্তি আছে কেবল এনামুল হক জুনিয়র ও সাকিব আল হাসানের।এদিন তাইজুলকে দারুণ সঙ্গ দেন মিরাজ। তার শিকার ৩ উইকেট।

প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ডাবল সেঞ্চুরি (২১৯),মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি (১৬১) এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে (৬৮) রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। ৭ উইকেটে ৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেন স্বাগতিক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৫ উইকেট নেন কাইল জার্ভিস।