অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
১০টি খাতে বিনিয়োগ করলে বিনিয়োগকারীরা কর ছাড় পাবেন। একই সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ১৩ স্থানে দান করলেও কর ছাড় পাওয়া যাবে।
যেসব খাতে বিনিয়োগে ছাড় : জীবন বীমার প্রিমিয়াম, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের চাঁদা; স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিলে নিয়োগকর্তা ও কর্মকর্তার চাঁদা; কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠী বীমা তহবিলে চাঁদা; সুপার অ্যানুয়েশন ফান্ডের চাঁদা; বার্ষিক ৬০ হাজার টাকার এফডিআর; সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ; স্টক একচেঞ্জ তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, স্টক, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বা ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ; সরকার অনুমোদিত ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ; ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ কিনলে কর ছাড় পাওয়া যাবে।
একই সঙ্গে ১৩ স্থানে দান করলেও কর ছাড় পাওয়া যাবে। এগুলো হচ্ছে- জাকাত তহবিলে দান; জাতির জনকের স্মৃতি রক্ষার্থে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিলে, এনবিআর অনুমোদিত দাতব্য হাসপাতাল; প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে স্থাপিত প্রতিষ্ঠানে দান, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে দান, আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কে দান, আহসানিয়া ক্যান্সার হাসপাতালে দান, আইসিডিডিআরবি ও সিআরপিতে দান, সরকার অনুমোদিত জনকল্যাণমূলক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান, এশিয়াটিক সোসাইটি ও ঢাকা আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে দান এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিরক্ষায় নিয়োজিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
কর রেয়াতের হার : একজন করদাতা তার বার্ষিক মোট আয়ের ২৫ শতাংশ ওপরে উল্লিখিত খাতে বিনিয়োগ বা দান করলে ১৫ শতাংশ কর ছাড় পাবেন। এর বেশি বিনিয়োগ বা দান করলেও তার রেয়াতযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হবে না। উদাহরণ দিয়ে বলা যায়, এক করদাতার বার্ষিক আয় ৪ লাখ টাকা হলে তিনি ১ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে কর ছাড় নিতে পারবেন।
যদি তিনি দেড় লাখ বিনিয়োগ করেন, তাও এক লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগকে অনুমোদনযোগ্য হিসেবে কর রেয়াত দেয়া হবে। তবে আয়ের পরিমাণ ১০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেলে স্লাব ভিত্তিতে রেয়াত হিসাব করা হবে। ১০ লাখ টাকা আয় থাকলে ১৫ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে।
১০ লাখের বেশি কিন্তু ৩০ লাখের কম আয়ের ক্ষেত্রে প্রথম আড়াই লাখের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ এবং পরবর্তী অঙ্কের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ ছাড় পাবেন। ৩০ লাখের বেশি আয় হলে প্রথম আড়াই লাখের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখের জন্য ১২ শতাংশ এবং পরবর্তী বিনিয়োগের জন্য ১০ শতাংশ হারে কর ছাড় পাবেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















