ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইএসের শেষ ঘাঁটি দখল নিতে ইরাকি বাহিনীর অভিযান শুরু

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরাকে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) নিয়ন্ত্রণে থাকা সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ শহর তাল আফার পুনর্দখলে অভিযান শুরু করেছে সরকারি বাহিনী। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মাধ্যমে মসুল দখলের পর আবারও নতুন অভিযানে ইরাকের সেনাসদস্যরা।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি এ অভিযানের কথা জানান। তিনি বলেন, আইএসের জিহাদিদের সামনে দুটি পথ খোলা রয়েছে। এগুলো হলো, হয় আত্মসমর্পণ করা নয়তো মারা যাওয়া।

গত জুলাই মাসে আইএসের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি মসুল দখলের পর তাল আফারের নিয়ন্ত্রণ নিতে লক্ষ্য ঠিক করে ইরাকি সেনাবাহিনী। ২০১৪ সালে শিয়া মুসলিম অধ্যুষিত এ শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আইএস। মসুল ও সিরিয়া সীমান্তের মধ্যবর্তী স্থানে এ শহরটির অবস্থান। আর সিরিয়ার এই সীমান্তপথ ব্যবহার করেই আইএসে সদস্য সরবরাহ করা হতো।

আইএসের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি তাল আফার পুনর্দখলের প্রস্তুতি হিসেবে কয়েক দিন ধরেই শহরটিতে আইএসের অবস্থানের ওপর বোমাবর্ষণ করা হচ্ছিল। এরপরই মূলত সেনা অভিযান শুরু হয়।

ইরাকের এক সেনা কর্মকর্তা—যিনি আগে তাল আফার শহরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন—তিনি জানান, গত মাসে দেড় থেকে দুই হাজার আইএস সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা শহরটি ছেড়ে পালিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির

আইএসের শেষ ঘাঁটি দখল নিতে ইরাকি বাহিনীর অভিযান শুরু

আপডেট সময় ০৪:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরাকে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) নিয়ন্ত্রণে থাকা সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ শহর তাল আফার পুনর্দখলে অভিযান শুরু করেছে সরকারি বাহিনী। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মাধ্যমে মসুল দখলের পর আবারও নতুন অভিযানে ইরাকের সেনাসদস্যরা।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল আবাদি এ অভিযানের কথা জানান। তিনি বলেন, আইএসের জিহাদিদের সামনে দুটি পথ খোলা রয়েছে। এগুলো হলো, হয় আত্মসমর্পণ করা নয়তো মারা যাওয়া।

গত জুলাই মাসে আইএসের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি মসুল দখলের পর তাল আফারের নিয়ন্ত্রণ নিতে লক্ষ্য ঠিক করে ইরাকি সেনাবাহিনী। ২০১৪ সালে শিয়া মুসলিম অধ্যুষিত এ শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আইএস। মসুল ও সিরিয়া সীমান্তের মধ্যবর্তী স্থানে এ শহরটির অবস্থান। আর সিরিয়ার এই সীমান্তপথ ব্যবহার করেই আইএসে সদস্য সরবরাহ করা হতো।

আইএসের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটি তাল আফার পুনর্দখলের প্রস্তুতি হিসেবে কয়েক দিন ধরেই শহরটিতে আইএসের অবস্থানের ওপর বোমাবর্ষণ করা হচ্ছিল। এরপরই মূলত সেনা অভিযান শুরু হয়।

ইরাকের এক সেনা কর্মকর্তা—যিনি আগে তাল আফার শহরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন—তিনি জানান, গত মাসে দেড় থেকে দুই হাজার আইএস সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা শহরটি ছেড়ে পালিয়েছে।